
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্য-সমর্থিত জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন বলেছেন, যারা জনগণকে ভয় পায়, তারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর প্রচারণায় বাধা সৃষ্টি করে। নির্বাচনী সভা-সমাবেশ ও উঠানবৈঠকে সাধারণ মানুষ অংশ নিতে চাইলে তাদের ভয়ভীতি দেখানো হয়।
গতকাল সোমবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও-১ নির্বাচনী এলাকার রুহিয়া ইউনিয়নে এক নির্বাচনী উঠানবৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। দেলাওয়ার হোসেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী।
দেলাওয়ার হোসেন বলেন, আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁওবাসী সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, লুটপাট ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীককে বিজয়ী করবে- এমন আশঙ্কা থেকেই প্রতিপক্ষ দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে আয়োজিত সভা-সমাবেশ ও উঠানবৈঠকে বাধা দিচ্ছে এবং ভোটারদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তবে কোনো বাধাই দাঁড়িপাল্লার বিজয় ঠেকাতে পারবে না বলে তিনি দাবি করেন।
নির্বাচিত হলে রুহিয়ায় মা ও শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, রুহিয়াবাসী দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত। অতীতে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্যরা এ এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেননি। তাদের নির্বাচিত করার পর সংসদ সদস্য ও দলীয় নেতাকর্মীদের ভাগ্যের উন্নয়ন হলেও সাধারণ মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
দেলাওয়ার হোসেন বলেন, আগামী ২৯ অক্টোবর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বিজয়ী হলে এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেয়া হবে। জামায়াতে ইসলামী যা বলে, বাস্তবেও তা করে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
একটি আধুনিক ঠাকুরগাঁও গড়তে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভোট একটি আমানত; যাকে-তাকে ভোট দেয়া উচিত নয়। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের ভোট দিলে তাদের অপকর্মের ভোগান্তি জনগণকেই পোহাতে হবে। এসব অপকর্ম থেকে রক্ষা পেতে ভোটারদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে আর কোনো চাঁদাবাজ দেখতে চান না তারা। অন্যায় ও জুলুমের প্রতিবাদ এবং ইনসাফের ঠাকুরগাঁও গড়তে দাঁড়িপাল্লা প্রতীককে বিজয়ী করতে হবে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








