আতা পাতায় জৈব বালাইনাশক পেটেন্ট পেলেন কুষ্টিয়ার পরিবেশবিজ্ঞানী গৌতম রায়
আতা পাতায় জৈব বালাইনাশক পেটেন্ট পেলেন কুষ্টিয়ার পরিবেশবিজ্ঞানী গৌতম রায়।

আ ফ ম নুরুল কাদের কুষ্টিয়া 

Advertisement

আতা গাছের পাতা থেকে জৈব বালাইনাশক ও ফসল সুরক্ষাকারী পণ্য উদ্ভাবন করে রাষ্ট্রীয় পেটেন্ট পেয়েছেন কুষ্টিয়ার পরিবেশবিজ্ঞানী ও গবেষক গৌতম কুমার রায়। দীর্ঘ ১৭ বছরের গবেষণা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে তার এ অর্জন পরিবেশবান্ধব কৃষি উপকরণের বিকাশে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। 
ইতোমধ্যে কুষ্টিয়ার কয়েকজন কৃষি উদ্যোক্তা আতা পাতার নির্যাস থেকে তৈরি স্প্রে নিজেদের জমিতে ব্যবহার করছেন। তাদের দাবি, ধান, পাট, আদা, রসুন, মরিচসহ বিভিন্ন ফসলে এটি প্রয়োগ করে ভালো ফল পেয়েছেন। তবে মাঠপর্যায়ে কৃষকদের অভিজ্ঞতা আশাব্যঞ্জক হলেও উদ্ভাবনটির কার্যকারিতা, নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক ব্যবহারের উপযোগিতা নিশ্চিত করতে আরো বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষার প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট গবেষকরা। 
২০০৯ সালে গবেষণা শুরু, পেটেন্ট পেলেন ২০২৬ সালে 
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদফতর ২০২৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর গৌতম কুমার রায়ের উদ্ভাবনের পেটেন্ট মঞ্জুর করে। উদ্ভাবকের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, পেটেন্ট নম্বর ১০০৭১১০। উদ্ভাবনটির ইংরেজি শিরোনাম ইরড়ষড়মরপধষ ডববফ করষষবৎ ধহফ ঈৎড়ঢ় চৎড়ঃবপঃরহম চৎড়ফঁপঃ।
গৌতম কুমার রায় জানান, রাসায়নিক বালাইনাশক  ও সারের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার নিয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকির বিভিন্ন প্রতিবেদন পড়ার পর বিকল্প অনুসন্ধানের চিন্তা তার মাথায় আসে। ২০০৯ সালে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে রাসায়নিক বালাইনাশকের বিকল্প উদ্ভাবনের গবেষণা শুরু করেন তিনি।
বিভিন্ন উদ্ভিদের গুণাগুণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে আতা গাছের পাতার প্রতি তার আগ্রহ তৈরি হয়। প্রাথমিকভাবে আতা পাতার বাটা ব্যবহারে উকুন মারা যাওয়ার অভিজ্ঞতা তাকে বিষয়টি নিয়ে আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষায় উৎসাহিত করে। পরে পোকামাকড় দমনে পাতার নির্যাসের কার্যকারিতা যাচাইয়ের চেষ্টা করেন তিনি। 
একপর্যায়ে বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে আতা পাতার নির্যাস তৈরির পদ্ধতি তুলে ধরেন এবং কয়েকজনকে তা শেখান। তাদের মধ্যে কয়েকজন কৃষক জমিতে নির্যাসটি প্রয়োগ করে আশাব্যঞ্জক ফল পাওয়ার কথা জানান বলে দাবি করেন গৌতম। 
তার ভাষ্যানুযায়ী, গবেষণার বিষয়ে ভারত থেকে ৪২ পৃষ্ঠার একটি চিঠি পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে আগ্রহ আরো বাড়ে। পরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ড. সোহেল রানার সহযোগিতায় ২০১২ সালে গবেষণার কাজ এগিয়ে নেয়ার সুযোগ হয়। এতে সহযোগিতা করেন কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো: কবিরুল ইসলামও। 
দীর্ঘ গবেষণা ও পেটেন্টের আবেদনপ্রক্রিয়া শেষে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাওয়াকে নিজের গবেষণাজীবনের অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন গৌতম কুমার রায়। 
নির্যাস তৈরির পদ্ধতি ও গবেষণার ফল 
উদ্ভাবকের বর্ণনা অনুযায়ী, আতা গাছের তাজা কিংবা শুকনো সবুজ পাতা থেকে নির্যাস তৈরি করা যায়। গবেষণায় জলীয় ও মিথানলীয় নির্যাস নিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে। তার দেয়া গবেষণা তথ্য অনুযায়ী, মিথানলীয় নির্যাসে বালাইনাশক কার্যকারিতা তুলনামূলক বেশি পাওয়া গেছে। 
তবে গবেষণাগারে নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে তৈরি নির্যাস এবং কৃষকদের মাঠপর্যায়ে নিজেরা তৈরি করা মিশ্রণের কার্যকারিতা এক নাও হতে পারে। নির্যাসের ঘনত্ব, তৈরির পদ্ধতি, সংরক্ষণকাল ও প্রয়োগের মাত্রার ওপর ফলাফল নির্ভর করতে পারে। একই সাথে ফসলভেদে এর কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা যাচাই করাও জরুরি। 
গৌতম কুমার রায়ের প্রত্যাশা, যথাযথ বৈজ্ঞানিক যাচাই ও নিরাপদ প্রয়োগপদ্ধতি নিশ্চিত করা গেলে তার উদ্ভাবন রাসায়নিক বালাইনাশকের ওপর কৃষকের নির্ভরতা কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।
সাত বিঘা জমিতে ব্যবহার করছেন নারী কৃষি উদ্যোক্তা 
গবেষণাগারের বাইরে মাঠপর্যায়ে আতা পাতার নির্যাস ব্যবহার করছেন কুষ্টিয়ার নারী কৃষি উদ্যোক্তা নাসিমা খাতুন। নিজের দুই বিঘা ও লিজ নেয়া পাঁচ বিঘাসহ মোট সাত বিঘা জমিতে তিনি ধান, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, হলুদ, মরিচ, মিষ্টিকুমড়া ও জিরাসহ বিভিন্ন ফসল চাষ করেন। 
নাসিমা খাতুন বলেন, গৌতম কুমার রায়ের কাছ থেকে আতা পাতার বালাইনাশক তৈরির পদ্ধতি শিখেছেন। এর পর থেকে নিয়মিত নিজের জমিতে এটি ব্যবহার করছেন। 
তার বর্ণনা অনুযায়ী, আতা গাছের পাতা ধুয়ে পানিসহ একটি পাত্রে প্রায় এক সপ্তাহ ঢেকে রাখেন। পরে মিশ্রণটি জ্বাল দিয়ে ঘন করে ঠাণ্ডা হলে ছেঁকে বোতলে সংরক্ষণ করেন। প্রয়োজন অনুযায়ী জমিতে প্রয়োগ করেন সেই নির্যাস। 
নাসিমা খাতুন বলেন, ‘আমার অভিজ্ঞতায় বিভিন্ন ফসলে এটি প্রয়োগ করে ভালো ফল পেয়েছি। সবজি ও মরিচের গাছ ভালো থাকে, ফলের রঙও সুন্দর হয় বলে আমার মনে হয়েছে। নিজের জমিতে ব্যবহার করে উপকার পাচ্ছি বলে মনে করি।’ 
তার মতে, সরকারি অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাওয়া গেলে এ ধরনের পণ্য আরো বেশি কৃষকের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হবে। কৃষিতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। 
পাট ক্ষেতে পরীক্ষার পর অন্য ফসলে প্রয়োগ 
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার স্বরূপদহ এলাকার কৃষি উদ্যোক্তা মোহাম্মদ আবদুল হাকিম প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে পাট ক্ষেতে আতা পাতার নির্যাস প্রয়োগ করেন। তার দাবি, এতে পোকা দমনে ভালো ফল পাওয়ার পর অন্য ফসলেও এটি ব্যবহার শুরু করেন। 
আবদুল হাকিম বলেন, ‘আমি নিজে এই প্রাকৃতিক বালাইনাশক ব্যবহার করছি এবং অন্য কৃষকদেরও উৎসাহিত করছি। আরো বেশি পরিমাণে উৎপাদন করে বাজারে সহজলভ্য করা গেলে কৃষকরা বিভিন্ন ফসলে ব্যবহার করতে পারবেন।’ 
একই উপজেলার কাকিলাদহ এলাকার কৃষি উদ্যোক্তা মোহাম্মদ কাউসার আলী জানান, প্রায় ১৫ বছর ধরে বিভিন্ন ফসলে আতা পাতার নির্যাস থেকে তৈরি স্প্রে ব্যবহার করছেন তিনি। ধান, আদা ও রসুনসহ বিভিন্ন ফসলে প্রয়োগ করে ভালো ফল পাওয়ার কথা উল্লেখ করে কাউসার আলী বলেন, দীর্ঘদিন ব্যবহারে তার চোখে কোনো ক্ষতিকর প্রভাব পড়েনি। 
তবে কৃষকদের এসব অভিজ্ঞতা উদ্ভাবনটির সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিলেও এগুলো এককভাবে এর কার্যকারিতা ও নিরাপত্তার চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। এ জন্য নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে পরীক্ষা, বিভিন্ন ফসলে প্রয়োগের ফলাফল বিশ্লেষণ এবং মাঠপর্যায়ে বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন প্রয়োজন। 
‘পোকা তাড়ায়, বেশি ঘনত্বে কিছু পোকা মারেও’ 
গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ড. সোহেল রানা বলেন, মাঠপর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে গৌতম কুমার রায় আতা পাতার নির্যাস দিয়ে পোকামাকড় দমনের ধারণা পান। ধারণাটি সম্ভাবনাময় মনে হওয়ায় তারা এর কার্যকারিতা পরীক্ষার উদ্যোগ নেন। 
অধ্যাপক সোহেল রানা বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমাদের লক্ষ্য ছিল, আতা পাতার নির্যাস পোকামাকড়কে শুধু তাড়িয়ে দেয়, নাকি সেগুলো মেরেও ফেলতে পারে, তা পরীক্ষা করা। এ জন্য বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড়ের ওপর বিভিন্ন ঘনত্বের নির্যাস প্রয়োগ করে পরীক্ষা চালানো হয়। এতে দেখা যায়, নির্যাসটি অধিকাংশ পোকামাকড়কে তাড়িয়ে দিতে পারে। আবার বেশি ঘনত্বে ব্যবহার করলে ছোট ছোট কিছু পোকামাকড় মারা যায়।’
তিনি জানান, এ বিষয়ে তাদের কয়েকটি গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে নির্যাসে থাকা রাসায়নিক উপাদান শনাক্ত করা এবং কী প্রক্রিয়ায় তা পোকামাকড়কে তাড়ায় বা দমন করে, তা বোঝার চেষ্টা চলছে। এ জন্য দেশী-বিদেশী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে যৌথভাবে গবেষণা করা হচ্ছে। 
পেটেন্টের গুরুত্ব তুলে ধরে অধ্যাপক সোহেল রানা বলেন, নতুন উদ্ভাবনের মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ গবেষককে স্বীকৃতি দেয়ার পাশাপাশি উদ্ভাবনটির বাণিজ্যিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পথ তৈরি করতে পারে। তবে গবেষণা এখনো চলমান। আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সুস্পষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছানো প্রয়োজন। 
মশার লার্ভায় পরীক্ষার অভিজ্ঞতা 
গবেষণায় সহযোগিতাকারী কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো: কবিরুল ইসলাম বলেন, গৌতম কুমার রায়ের গবেষণা সম্পর্কে জানার পর তিনি বিষয়টি নিয়ে আগ্রহী হন। প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে পরিবেশের ক্ষতি কমিয়ে বালাইনাশক তৈরি করা সম্ভব কি না, তা যাচাই করতে নিজের কলেজের পরীক্ষাগারে মশার লার্ভার ওপর পরীক্ষা করেন। তার ভাষ্যানুযায়ী সেখানে ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়। 
কবিরুল ইসলাম বলেন, ‘এরপর সরকারি স্বীকৃতি আদায়ের কথা বলি। অবশেষে পেটেন্ট স্বীকৃতি পেয়েছেন, এতে আমি আনন্দিত ও গর্বিত।’ 
তিনি আরো জানান, পেটেন্টের আবেদন যাচাইয়ের সময় সংশ্লিষ্ট অধিদফতর বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক ও আইনি প্রশ্ন তোলে। সেসব প্রশ্নের জবাব দেয়ার পর উদ্ভাবনটি পেটেন্টের স্বীকৃতি পায়। তার মতে, এ অর্জন গবেষণাটিকে আরো এগিয়ে নেয়ার সুযোগ তৈরি করেছে। 
বাণিজ্যিক ব্যবহারের আগে প্রয়োজন বৈজ্ঞানিক যাচাই 
আতা পাতার নির্যাস মাঠপর্যায়ে ব্যবহার করা হলেও বাণিজ্যিক উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের আগে এর কার্যকারিতা, নিরাপত্তা ও ব্যবহারের উপযোগিতা সম্পর্কে সুস্পষ্ট প্রমাণ প্রয়োজন। পেটেন্ট উদ্ভাবনের মেধাস্বত্বের স্বীকৃতি; এটি নিজে থেকে কোনো পণ্যের সব ধরনের কৃষি-ব্যবহার, কার্যকারিতা কিংবা নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয় না। 
ফসলভেদে পোকা দমনের কার্যকারিতা, নির্ধারিত প্রয়োগমাত্রা, ফসলের বৃদ্ধি ও ফলনের ওপর প্রভাব, উপকারী পোকামাকড়ের ক্ষতির আশঙ্কা, মাটির জীববৈচিত্র্য এবং ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা যাচাই করা জরুরি। একই সাথে নির্যাস তৈরির মানসম্মত পদ্ধতি, সংরক্ষণকাল, উৎপাদনব্যয় ও সম্ভাব্য পরিবেশগত প্রভাব নির্ধারণ করতে হবে। বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রযোজ্য অনুমোদনও নিশ্চিত করা প্রয়োজন। 
বিশেষ করে উদ্ভিদের নির্যাস থেকে তৈরি বালাইনাশকও যেসব পরিস্থিতিতে সম্পূর্ণ নিরাপদ হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। নির্যাসের উপাদান, ঘনত্ব ও প্রয়োগপদ্ধতির ওপর এর প্রভাব নির্ভর করতে পারে। তাই কৃষকদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার পাশাপাশি স্বীকৃত পরীক্ষাগারে কার্যকারিতা ও বিষক্রিয়া মূল্যায়ন, উপকারী জীবের ওপর প্রভাব পরীক্ষা এবং বিভিন্ন কৃষি-পরিবেশে মাঠপর্যায়ের পরীক্ষার ফল গুরুত্বপূর্ণ। 
দীর্ঘদিনের গবেষণা ও রাষ্ট্রীয় পেটেন্টের স্বীকৃতি গৌতম কুমার রায়ের উদ্ভাবনকে নতুন সম্ভাবনার জায়গায় নিয়ে গেছে। এখন সেই সম্ভাবনাকে কৃষকের বাস্তব উপকারে রূপ দিতে প্রয়োজন আরো গবেষণা, নির্ভরযোগ্য পরীক্ষার ফল এবং নিরাপদ ব্যবহারের সুস্পষ্ট নির্দেশনা। এসব ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করতে পারলে আতা পাতাভিত্তিক এ উদ্ভাবন দেশের পরিবেশবান্ধব কৃষির বিকাশে অবদান রাখার সুযোগ পেতে পারে।