
রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ ও সোনারগাঁওয়ের মধ্যবর্তী ঢাকা বাইপাস (এশিয়ান হাইওয়ে) সড়কের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই গাউছিয়া-সিংলাব-পাকুন্দা অংশে প্রায় ২৫০ মিটার এলাকাজুড়ে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে আড়াআড়ি ও লম্বালম্বি ফাটলের পাশাপাশি কয়েকটি অংশ দেবে গেছে। দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে ক্ষতিগ্রস্ত অংশে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) কর্তৃপক্ষ। এতে কাঞ্চন ব্রিজ থেকে মস্তল পর্যন্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, গত শনিবার সকালে স্থানীয়রা সড়কের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখতে পান। পরে দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ঢাকা বাইপাস সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের পরিচালক সৈয়দ আসলাম আলী।
সরেজমিন দেখা যায়, কোথাও সড়কের পিচের স্তর উঠে গেছে, আবার কোথাও মাটি সরে গিয়ে পৃষ্ঠ অসমান হয়ে পড়েছে। ফলে ওই অংশ দিয়ে যান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠছে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশ বন্ধ থাকায় পরিবহনব্যবস্থায় বিঘœ ঘটেছে। আটকা পড়া যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েছেন। পণ্যবাহী যান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যেও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিকল্প পথে যান চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণের সময় সড়কের দুই পাশ থেকে মাটি কাটায় বড় গর্ত ও জলাশয়ের সৃষ্টি হয়েছে। পর্যাপ্ত সুরক্ষাব্যবস্থা না থাকায় মাটি সরে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। নির্মাণকাজে ব্যবহৃত খোয়া ও বিটুমিনের মান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা। সড়ক দেবে যাওয়ার কারণ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা। স্থানীয় বাসিন্দা গোলজার ভুঁইয়া বলেন, সড়ক নির্মাণের সময় দুই পাশ থেকে মাটি কেটে গর্ত করা হয়েছে। রাতের আঁধারেও আশপাশের জমি থেকে মাটি কাটার ঘটনা ঘটেছে। পর্যাপ্ত গাইড ওয়াল বা সুরক্ষাব্যবস্থা না থাকায় মাটি সরে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ আসলাম আলী বলেন, টানা দুই-তিন দিনের বৃষ্টিতে সড়কের ঢাকা অংশের মাটি নরম হয়ে পড়ে। এরপর ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে নরম মাটি সরে গিয়ে কয়েকটি স্থানে ফাটল ও দেবে যাওয়ার সৃষ্টি হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে বিকল্প ডাইভারশন সড়ক দিয়ে যান চলাচলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মাটি সরে যাওয়া অংশে ড্রিল করে প্রয়োজনীয় মেরামত করা হবে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








