
আছাদুর রহমান বাবু মিরপুর (কুষ্টিয়া)
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪৪ জন চিকিৎসক পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র সাতজন চিকিৎসক। কর্মরত এ সাত চিকিৎসকের মধ্যেও নেই গুরুত্বপূর্ণ গাইনি ও শিশুরোগসহ কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। ফলে নারী ও শিশু রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিয়ে চরম ভোগান্তি ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। কর্মরত সাত চিকিৎসক জরুরি বিভাগ, আন্তঃবিভাগ ও বহিঃবিভাগের রোগী দেখতে হিমশিম খাচ্ছেন।
উপজেলার সাড়ে চার লাখের বেশি মানুষের চিকিৎসাসেবার অন্যতম প্রধান এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে ৩৭টি চিকিৎসক পদ শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে গাইনি ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ না থাকায় প্রসূতি নারী ও অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসার জন্য দূরের হাসপাতাল বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে স্বজনদের।
বিশেষ করে জরুরি সময়ে শিশু ও গর্ভবতী নারীদের নিয়ে স্বজনদের ছুটতে হচ্ছে কুষ্টিয়া শহরসহ বিভিন্ন হাসপাতালে। এতে বাড়ছে চিকিৎসা ব্যয়, সময় ও দুর্ভোগ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিপুল জনগোষ্ঠীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের এমন সঙ্কট দীর্ঘদিন ধরে চললেও তা নিরসনে দৃশ্যমান কার্যকর উদ্যোগ নেই। ৪৪টি পদের মধ্যে ৩৭টি পদ শূন্য থাকায় মাত্র সাত চিকিৎসক দিয়ে এত বিপুলসংখ্যক মানুষের চিকিৎসাসেবা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রসূতি মায়েদের সিজারিয়ান অপারেশন পূর্বে চালু থাকলেও বিশেষজ্ঞ ডাক্তার না থাকায় তা দীর্ঘদিন যাবৎ বন্ধ আছে। এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার পীযূষ কুমার জানান, সারা দেশে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে চিকিৎসক সঙ্কট। শূন্য পদে ডাক্তার পোস্টিংয়ের বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলতে পারছি না।
_GDN_970x90px_English.gif&w=2048&q=75)








