
এএফপি ও রয়টার্স
দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ফাইদুবাইয়ের একটি যাত্রীবাহী বিমানে ককপিটে তুমুল মারামারি ও সহ-পাইলটের ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিমানটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করা হলেও ক্রু ও যাত্রীদের সাহসিকতায় বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে। গত বুধবার জর্দানের আকাশসীমায় থাকা অবস্থায় ঘটে যাওয়া এ ঘটনার পর বিমানটিকে সৌদি আরবের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি ভিত্তিতে অবতরণ করানো হয়।
এ ঘটনায় বিমানের ক্যাপ্টেন ও কো-পাইলট উভয়েই আহত হয়েছেন এবং তাবুকের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বর্তমানে আটক হামলাকারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সৌদি কর্তৃপ। এ নিয়ে দেশজুড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও তদন্তের বিষয়ে মন্তব্য করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি ঘটনাটিকে ‘৯/১১-এর মতো বিপর্যয়’ এড়ানোর সাথে তুলনা করে বলেন, হামলাকারীর মূল উদ্দেশ্য বা এর পেছনে ইরানের কোনো ইন্ধন কিংবা সহযোগী ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া ইউএই ও আন্তর্জাতিক কর্তৃপরে যৌথ তদন্তে অংশ নেয়ার কথা জানিয়েছে তারা। অন্য দিকে বিমানটিতে থাকা ইসরাইলি নাগরিকদের ফিরিয়ে আনতে সামরিক বিমান ‘সুপার হারকিউলিস’ পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিল ইসরাইল। তবে কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকায় এবং তেল আবিবে ফিরে যাওয়ার বিকল্প ব্যবস্থা থাকায় রিয়াদ সে প্রস্তাব নাকচ করে দেয়। পরবর্তীতে ফাইদুবাইয়ের বিকল্প বিমানে যাত্রীরা গন্তব্যে পৌঁছান। এ দিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসরাইলে রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ি শুরু হয়েছে। দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ অভিযোগ করেছেন, নেতানিয়াহু সরকার নিরাপত্তা ঝুঁকিকে রাজনৈতিক উদ্দেশে ব্যবহার করে সস্তা রাজনীতি করছে।
_GDN_970x90px_English.gif&w=2048&q=75)








