অবশেষে ওয়ানডেতে উইন্ডিজের ৪০০

ক্রীড়া ডেস্ক
৫০ ওভারের ক্রিকেটে প্রথম বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৯৭৫ সালে ক্লাইভ লয়েডের নেতৃত্বে ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে ১৭ রানে হারিয়ে শিরোপা ঘরে তুলেছিল ক্যারিবীয়রা। বিশ্বকাপ ট্রফি ধরে রেখেছিল ১৯৭৯ সালেও ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ৯২ রানে হারিয়ে। দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হলেও ওয়ানডে ক্রিকেটে দলীয় ৪০০ বার তার অধিক রানের দেখা পায়নি ক্যারিবিয়ানরা। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটাল গতকাল ভারতের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে।  
টস হেরে আগে ব্যাংিয়ে নেমে এই প্রথম ৪০৫ স্কোর ওয়েস্ট ইন্ডিজের। এই বিশাল স্কোর গড়ার পথে সেঞ্চুরি করেছেন তিন ক্যারিবীয় ব্যাটার। নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসের এই প্রথমের কারিগর তিন সেঞ্চুরিয়ান ১০১ রান করা ক্যাম্পবেল, অধিনায়ক শাই হোপ ১০৪ এবং ১১৪ রান নিয়ে সাজঘরে ফেরা জঙ্গু। সেই সাথে গুয়াহাটি স্টেডিয়ামও এই প্রথম দেখল এক ইনিংসে ৪০০ প্লাস স্কোর ও তিন ব্যাটারের সেঞ্চুরি। আর এই বিশাল লক্ষ্যকে তাড়া করতে ভারত সমানতালে লড়ছিল। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ২৬ ওভারে বিনা উইকেটে ২৫৪ রান সংগ্রহ করেছে ভারত। রোহিত শর্মা ১০১ ও শুবমান গিল ১৪৪ রানে ব্যাট করছিলেন। 
ওয়ানডে ক্রিকেটে এক ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের তিন ব্যাটারের সেঞ্চুরির ঘটনাটি ইতিহাসের পাতায় জায়গা হয়েছে ষষ্ঠ স্থানে। এক ইনিংসে প্রথম তিন তিন ব্যাটারের সেঞ্চুরি হয়েছিল ২০১৫ সালে। সে বছর জানুয়ারিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এক ইনিংসে প্রোটিয়া ব্যাটার হাশিম আমলা, রাইলি রুশো ও এবি ডি ভিলিয়ার্স- প্রত্যেকেই তিন অঙ্কের ঘর স্পর্শ করেছিলেন। এমন ঘটনা আরো ঘটেছে চারবার। একই বছর ভারতের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার তিন ব্যাটার কুইন্টন ডি কক, ফাফ ডু প্লেসিস ও এবি ডি ভিলিয়ার্স সেঞ্চুরি করেছিলেন। এরপর ২০২২ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তিন সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন ইংল্যান্ডের ফিল সল্ট, ডেভিড মালান ও জস বাটলার। ২০২৩ সালে আবার তিন অঙ্কের ঘর স্পর্শ করেন দক্ষিণ আফ্রিকারই তিন ব্যাটার কুইন্টন ডি কক, রাসি ফন ডার ডুসেন ও এইডেন মার্করাম। এক বছর বিরতির পর এবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন সেঞ্চুরির খাতায় নাম লেখান অস্ট্রেলিয়ার ট্রভিস হেড, মিচেল মার্শ ও ক্যামেরন গ্রিন।

Advertisement