পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ শতাধিক শিক্ষকের বিষয়ে হাইকোর্টের রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের পক্ষে গোপন তৎপরতার অভিযোগে ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শতাধিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটি কেন বিলুপ্ত করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের চার আইনজীবীর করা রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে গতকাল বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসীন আলীর হাইকার্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
আদালতে রিট দায়ের করেন আইনজীবী চঞ্চল কুমার বিশ্বাস, এম লিটন আহমেদ, রাশেদুল হক খোকন ও বিপ্লব কুমার দাস। তাদের দাবি, ব্যবস্থা নেয়ার এ ধরনের কমিটি এখতিয়ারবহির্ভূত। এর আগে গত ৪ আগস্ট একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে ‘শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষকের গোপন তৎপরতা’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
রিটকারীদের দাবি, এটার ভিত্তিতে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। ‘যাচাইহীন’ সংবাদের ভিত্তিতে ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০০ এর বেশি শিক্ষকের বিরুদ্ধে গঠিত সব তথ্যানুসন্ধান ও তদন্ত কমিটি বিলুপ্ত করা এবং পরবর্তীতে নেয়া সব ব্যবস্থা প্রত্যাহারের একটি আবেদন দেন। সেটি নিষ্পত্তি না করায় তারা এই রিট করেন।
অনলাইন নিউজ পোর্টালের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে গোপন তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষক। পুরো বিষয়টি সমন্বয় করা হয় মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রামে খোলা সিক্রেট গ্রুপের মাধ্যমে।