
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাটের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।
মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে এ সাক্ষাতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আধুনিকায়নে এয়ারবাস ক্রয় এবং HRCM স্ট্যাটাস প্রত্যাহার নিয়ে আলোচনা হয়।
এদিন সকাল ১০টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর নিজ কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আধুনিকায়নে এয়ারবাস ক্রয় প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
মন্ত্রী বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে বর্তমানে উড়োজাহাজ স্বল্পতা রয়েছে। যেকোনো ক্রয় প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রেখেই সম্পন্ন করা হবে। তবে জরুরি ভিত্তিতে বিমানের বহরে উড়োজাহাজ যুক্ত করার পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। হাই লেভেল নেগোশিয়েশন কমিটির সুপারিশের আলোকে সরকার উড়োজাহাজ ক্রয় করবে।
মন্ত্রী আরো বলেন, ২০১৭ সালে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন বাংলাদেশের ওপর High Risk Cargo & Mail (HRCM) আরোপ করে। ফলে কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে সময় ও খরচ উভয়ই বেড়েছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেই এ স্ট্যাটাস প্রত্যাহারে উদ্যোগ নিয়েছে। বিমানবন্দরে প্রয়োজন অনুযায়ী Explosive Detection System (EDS) স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া অডিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর সন্তোষজনক রেটিং অর্জন করেছে। তাই ইউরোপিয়ান ইউনিয়নকে HRCM স্ট্যাটাস প্রত্যাহারে উদ্যোগ নেয়ার আহবান জানান মন্ত্রী।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, বাংলাদেশের হসপিটালিটি খাতের বিকাশে যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগকারীরা আগ্রহী। বাংলাদেশ সরকারের এভিয়েশন হাব প্রতিষ্ঠার অগ্রযাত্রায় যুক্তরাজ্য সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
এ সময় থার্ড টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে Menzies Aviation-এর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সাথে কাজ করার আগ্রহের বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।







