
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের পরোক্ষ হুমকি আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার প্রতি হুমকি, যা সব দেশের সাথেই সংশ্লিষ্ট। এ ধরনের হুমকি ইরানের আত্মরক্ষার সংকল্প আরো দৃঢ় করবে।
সোমবার (২ নভেম্বর) ইউরোপের কয়েকটি দেশে ইহুদিবিদ্বেষী কর্মকাণ্ডে ইরানের জড়িত থাকার অভিযোগ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইরান ও ইরানিদের বিরুদ্ধে ইহুদিবিদ্বেষের অভিযোগ বেমানান। একটি গতানুগতিক অভিযোগ বারবার পুনরাবৃত্তি করা হচ্ছে এবং দুঃখজনকভাবে গণমাধ্যমও তা প্রচার করছে।
তিনি আরো বলেন, পরিসংখ্যানই প্রমাণ করে যেম ইরানিরা ইহুদিদের প্রতি সবচেয়ে সদয় জনগোষ্ঠীগুলোর অন্যতম। ইরানজুড়ে ইহুদিদের উপাসনালয় ও বিশিষ্ট ইহুদি ব্যক্তিত্বদের সমাধির সংখ্যা দেখলেই তা বোঝা যায়। ইহুদিদের পবিত্র স্থাপনাগুলোতে কি হামলা চালানো হয়েছে? এমন কোনো ঘটনা যদি কখনো ঘটেও থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
মুখপাত্র বলেন, ইউরোপের কাছে জানতে চাওয়া উচিত যে, তাদের দেশগুলোতে ইহুদিদের ধর্মীয় স্থাপনাগুলো নিরাপদ নয় কেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী ইসরাইলি শাসকগোষ্ঠীর অপরাধের তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ ও নথিবদ্ধ করার বিষয়ে তিনি বলেন, দুঃখজনকভাবে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, বিশ্ব শুধু মুখে কথাই বলে; কাজের কাজ কিছুই করে না। এ বিষয়ে জাতিসঙ্ঘ নীরব।
আঞ্চলিক দেশগুলোর অনাস্থার বিষয়ে বাঘাই বলেন, ইরান এই আস্থার ক্ষতি করেনি। তবে প্রতিবেশী দেশগুলোর ভূখণ্ড ইরানের জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হলে তেহরান নীরব থাকতে পারে না। আস্থা পুনর্গঠনের জন্য উভয় পক্ষের উদ্যোগ ও পদক্ষেপ প্রয়োজন।
তিনি আরো বলেন, ইরান বারবার স্পষ্ট করেছে যে, এই অঞ্চলের কোনো দেশের সাথেই তাদের শত্রুতা নেই। একইসাথে ইরানের যৌক্তিক প্রত্যাশা হলো, বড় প্রতিবেশী দেশটির বিরুদ্ধে অন্য আঞ্চলিক দেশগুলোর ভূখণ্ড যেন ব্যবহার করা না হয়।
সূত্র : পার্সটুডে
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








