
যুদ্ধ বা বৈরিতার সৃষ্টি হলে দীর্ঘদিনের পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণের নীতি ইরান বহাল রাখবে কি না তা নিয়ে দেশটিতে আলোচনা চলছে, যদিও এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
শনিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানিয়েছেন দেশটির নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মহসেন রেজাই।
রেজাই আরো জানান, ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের সাথে আলোচনা আবার শুরু করার প্রয়াসে ওয়াশিংটনের সুর ও মনোভাব অনেকটাই নমনীয় বা পরিবর্তিত হয়েছে।
কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে গত সপ্তাহে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স রেজাইয়ের কাছে একটি চিঠি পাঠান।
'নিউ ইয়র্ক টাইমস'-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, কাতারি মধ্যস্থতাকারীরা এই চিঠিটি রেজাইয়ের কাছে হস্তান্তর করেন। এতে ভ্যান্সের নেতৃত্বে সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হয়, যেখানে শুরু থেকেই ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি আলোচনার প্রধান বিষয়বস্তু হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রাখার কথা বলা হয়েছে।
'আমি চিঠিটি পড়েছি। এখনো কোনো উত্তর দিইনি। তাদের সুর ও বক্তব্য সম্পূর্ণ বদলে গেছে,' উল্লেখ করে রেজাই এই পরিবর্তনকে একটি 'ভালো লক্ষণ' বলে অভিহিত করেন এবং বলেন এটি প্রমাণ করে যে ইরান তার 'বিজয় সুসংহত করেছে'।
চিঠির বিস্তারিত বিষয়বস্তু নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি না হলেও তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের দাবিগুলো পূরণ করার পরই কেবল পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
কাতারের মাধ্যমে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ মধ্যস্থতা অব্যাহত থাকার মধ্যেই তার এই মন্তব্য এলো; যদিও শনিবার এর আগে ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন যে মার্কিন কর্মকর্তাদের সাথে সরাসরি সাক্ষাৎ করার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।
সূত্র : মিডল ইস্ট আই
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








