
‘বোমার জননী’ ব্যবহারের হুমকিসহ হামলার বিরুদ্ধে বিশ্ব সম্প্রদায়ের ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রদূতের
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে একের পর এক হুমকি দিয়ে চলেছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘বোমার জননী’ ডাক নামে পরিচিত মার্কিন অস্ত্রভাণ্ডারের সবচেয়ে বড় অ-পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের তীব্র আশঙ্কাও। ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের এসব হুমকি এবং আগ্রাসী মনোভাবের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত।
আল জাজিরা মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) জানায়, পরিস্থিতি বিবেচনায় জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ও নিরাপত্তা পরিষদের কাছে জরুরি আবেদন জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন ইরানের রাষ্ট্রদূত গোলামহোসেইন দারজি। চিঠিতে তেহরানের বিরুদ্ধে যেকোনো সামরিক হামলার হুমকির তীব্র নিন্দা জানাতে জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। সেই সঙ্গে চলমান সঙ্কটময় পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য অবিলম্বে নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক ডাকার অনুরোধ করা হয়।
গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত খবরে জানা যায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি পুনরায় কোনো সামরিক পদক্ষেপের নির্দেশ দেন, তবে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো ও পারমাণবিক স্থাপনায় বড় ধরনের হামলা চালানোর ছক কষে রেখেছে ওয়াশিংটন। আর এই হামলায় নিজ অস্ত্রাগারের সবচেয়ে শক্তিশালী অ-পারমাণবিক বোমাটি ব্যবহারের নীলনকশাও চূড়ান্ত করা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই সম্ভাব্য হামলার চক্রান্ত প্রকাশ্যে আসার পর কড়া জবাব দিয়েছে তেহরান। ইরানের ইসলামী বিপ্লবী রক্ষী বাহিনীর (আইআরজিসি) নিরাপত্তা উপদেষ্টা মোহাম্মদ রেজা নাকদি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি স্থলপথে আগ্রাসন চালানোর সাহস দেখায়, তবে তেহরান মার্কিন সেনাদের বন্দি করতে প্রস্তুত।
হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র স্থলপথে হামলা চালালে তাদের এত বিপুলসংখ্যক সেনাসদস্য আটক হবে যে, শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটনকে সাদা পতাকা তুলে আত্মসমর্পণ করতেই হবে।’
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








