
রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা না পাওয়া সত্ত্বেও আগামী সপ্তাহে জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ভাষণ দেবেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। এর মাধ্যমে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ভার্চুয়াল মাধ্যমে জাতিসঙ্ঘের সর্বোচ্চ মঞ্চে বক্তব্য রাখতে যাচ্ছেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদে উপস্থাপন করা একটি প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়। ১৫২টি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়, আর বিপরীতে ভোট পড়ে মাত্র তিনটি। এ ছাড়া চারটি দেশ ভোটদানে বিরত ছিল। গৃহীত প্রস্তাব অনুসারে, প্রেসিডেন্ট আব্বাস কিংবা ফিলিস্তিনের অন্য কোনো উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি ভ্রমণসংক্রান্ত বাধার মুখে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে না পারলে আগামী এক বছর জাতিসঙ্ঘের সভা বা কনফারেন্সে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অংশ নিতে পারবেন।
এর আগে গত বছর মাহমুদ আব্বাসসহ ফিলিস্তিনের প্রায় ৮০ জন কর্মকর্তার ভিসা বাতিল ও প্রত্যাখ্যান করে মার্কিন প্রশাসন। ওই তালিকায় ফিলিস্তিন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) এবং পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) নীতি নির্ধারকরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। গত বুধবার ওয়াশিংটন জানায়, ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদের ওপর এই ভিসা বিধিনিষেধের আওতা আরো প্রসারিত করা হয়েছে। ভোট গ্রহণের পূর্বে জাতিসঙ্ঘে নিয়োজিত মার্কিন ডেপুটি রাষ্ট্রদূত ট্যামি ব্রুস মন্তব্য করেন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে কার্যকর অংশীদার হিসেবে গণ্য হতে হলে তাদের তথাকথিত ‘সন্ত্রাসে অর্থায়ন’ বন্ধ করতে হবে এবং ‘গুরুতর শাসনের বিকল্প হিসেবে কূটনৈতিক নাটক’ পরিহার করতে হবে।







