মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও বক্তব্য জোরালো হচ্ছে

সিএনএন
সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আচরণ ও বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্ক নতুন কিছু নয়। তবে ২০২৬ সালের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে সাম্প্রতিক সময়ে তার বেশ কিছু মন্তব্য ও সিদ্ধান্ত মার্কিন রাজনীতিতে নতুন করে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। সম্প্রতি এক সম্মেলনে রিপাবলিকান দল প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে পাঁচ হাজার ডলার করে ‘ডিভিডেন্ড’ দেয়ার অঙ্গীকার করেন ট্রাম্প। তবে এই বিপুল অর্থ সংস্থানের উৎস বা বাস্তবায়নের আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি কিছু স্পষ্ট করেননি। সিএনএনের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ২৬ কোটি নাগরিককে এই অর্থ দিতে গেলে সরকারের খরচ হবে অন্তত ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলার। এর আগেও ট্রাম্প শুল্কের আয় ও সরকারি খরচ কমানোর সংস্থা থেকে দুই হাজার ও পাঁচ হাজার ডলার লভ্যাংশ দেওয়ার কথা বললেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।
নর্থ ক্যারোলাইনায় এক নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তার সমর্থিত রিপাবলিকান প্রার্থীকে জয়ী না করলে রাজ্যটিতে বকেয়া জরুরি দুর্যোগ সহায়তার অর্থ ছাড় করা হবে না। পরবর্তী সময়ে এটিকে ‘রসিকতা’ বলে দাবি করা হলেও সরকারি সাহায্যকে রাজনীতির হাতিয়ার করার বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এর সাথে নভেম্বরের ব্যালটে নিজের নাম না থাকলেও ভোটারদের তার পক্ষে ভোট দেয়ার মতো মনোভাব নিয়ে অংশ নেয়ার আহ্বান জানান তিনি। ৯/১১ হামলার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে ট্রাম্পের দেয়া তথ্যের সত্যতা নিয়েও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৪ সালের পেনসিলভানিয়ায় তার ওপর চালানো হত্যাচেষ্টাকে তিনি কোনো প্রমাণ ছাড়াই ডেমোক্র্যাটদের চক্রান্ত বলে দাবি করেছেন।