
বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরামের উদ্যোগে অক্টোবর মাসব্যাপী সচেতনতা ও স্ক্রিনিং কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় দিনাজপুরে জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালের তৃতীয় তলার কনফারেন্স হলে।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা: এজেডএম জাহিদ হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ মো: আখতারুজ্জামান মিয়া ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা: প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সমন্বয়কারী এবং খুরশীদ জাহান হক ইনস্টিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চ অ্যান্ড হসপিটালের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা: হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন।
জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নাধীন খুরশীদ জাহান হক ইনস্টিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চ অ্যান্ড হসপিটাল এই অনুষ্ঠানের যৌথ আয়োজক।
অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডা: এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশে স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরাম দীর্ঘদিন থেকে নিজেদের সামর্থ দিয়ে স্তন ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছে। তারা সরকারকেই সহযোগিতা করছে।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী স্তন ক্যান্সার ফোরামের কাজে সর্বপ্রকার সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
অপরদিকে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, চিকিৎসার পাশাপাশি সচেতনতা ও স্ক্রিনিং কর্মসূচিতে বাস্তবায়নাধীন খুরশীদ জাহান হক ইনস্টিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চ অ্যান্ড হসপিটাল উত্তরাঞ্চলের প্রান্তিক মানুষের সেবায় আরো সক্ষমতা অর্জন করবে।
উল্লেখ্য, অক্টোবর মাসে বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরাম ও বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আলোচনা, পথসভা, গোলাপি সড়ক শোভাযাত্রা ও বাংলায় লেখা তথ্যসমৃদ্ধ লিফলেট বিতরণ করা হয়। গত ২৯ ও ৩০ অক্টোবর দুই দিনে দিনাজপুর জেলার প্রতিটি উপজেলায় পথসভা ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।
অধ্যাপক ডা: হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন ফোরামের একমাসের কর্মসূচির ওপর সচিত্র প্রতিবেদন উপস্থাপন করে সারাদেশে এখন থেকে প্রতিমাসে একটি জেলায় ফোরামের উদ্যোগে দিনাজপুরের মতো সবগুলো উপজেলায় সচেতনতা কার্যক্রম হাতে নেয়া হবে।
তিনি জানান, খুরশীদ জাহান হক ইনস্টিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চ অ্যান্ড হসপিটালের অস্থয়ী ভবনে ইতোমধ্যে বহির্বিভাগ চালু হয়েছে। দুইজন মেডিক্যাল অফিসার ও একজন অনকোলজিস্ট প্রতিদিন ক্যান্সার রোগী দেখছেন। আগামীকাল থেকে বাছাই করা রোগীদের ডে-কেয়ার সেন্টারে কেমোথেরাপি দেয়া শুরু হবে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








