প্রোস্টেট ক্যান্সার সচেতনতা মাস-২০২৬
প্রোস্টেট ক্যান্সার সচেতনতা মাস-২০২৬ সংগৃহীত

পুরুষের বয়স বাড়ার সাথে নীরবে বাড়তে থাকে প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি। অনেক ক্ষেত্রে রোগটির শুরুতে কোনো দৃশ্যমান উপসর্গ থাকে না। ফলে প্রস্রাবের সমস্যা বা ব্যথা শুরু হওয়ার আগেই রোগ শনাক্ত করা সম্ভব হলে চিকিৎসার সুযোগ অনেক বেশি থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়স, পারিবারিক ইতিহাস ও জীবনযাপনের কিছু বিষয় এ রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

প্রোস্টেট ক্যান্সার হলো পুরুষের প্রোস্টেট গ্রন্থির কোষের অস্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি থেকে তৈরি হওয়া একটি রোগ। প্রোস্টেট মূত্রথলির নিচে অবস্থিত এবং মূত্রনালীর একটি অংশকে ঘিরে থাকে। এর প্রধান কাজের একটি হলো বীর্যের তরল অংশ তৈরি করা। সাধারণত প্রোস্টেট ক্যান্সার ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়; আবার কিছু ক্ষেত্রে এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং জীবনহানির কারণ হতে পারে। বিশ্বব্যাপী প্রোস্টেট ক্যান্সার পুরুষদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হওয়া ক্যান্সারগুলোর একটি। আন্তর্জাতিক ক্যান্সার গবেষণা সংস্থার (আইএআরসি) হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বিশ্বে ১৫ লাখের বেশি নতুন প্রোস্টেট ক্যান্সার রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং প্রায় চার লাখ ২০ হাজার মানুষ এ রোগে মারা গেছেন।
গতকাল প্রোস্টেট ক্যান্সার সচেতনতা মাস উপলক্ষে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আয়োজিত এক সেমিনারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এ বিষয়ে সচেতনতার ওপর জোর দেন। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইউরোলজিক্যাল সার্জনস ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ইউরোলজি বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা: প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইউরোলজিক্যাল সার্জনের সভাপতি অধ্যাপক ডা: মো: শফিকুর রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা: মো: নাছির উদ্দিন কাজল।

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডা: প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, পুরুষের প্রস্রাবের সমস্যা, তলপেটে ব্যথা বা এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে দ্রুত ইউরোলজি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া উচিত। শুরুতেই প্রোস্টেট ক্যান্সার কিংবা প্রোস্টেটের অন্যান্য সমস্যা শনাক্ত হলে যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ থাকা সম্ভব। তিনি দ্রুত রোগ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বয়সই সবচেয়ে বড় ঝুঁকি

চিকিৎসকদের মতে, প্রোস্টেট ক্যান্সারের অন্যতম প্রধান ঝুঁকি হলো বয়স। ৫০ বছরের নিচে এ রোগ তুলনামূলকভাবে কম দেখা গেলেও বয়স বাড়ার সাথে সাথে ঝুঁকি দ্রুত বাড়তে থাকে। এ ছাড়া পারিবারিক ইতিহাসও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাবা, ভাই বা ছেলের প্রোস্টেট ক্যান্সারের ইতিহাস থাকলে নিজের ঝুঁকি সাধারণ মানুষের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে। কিছু বংশগত জিনগত পরিবর্তনের সাথেও প্রোস্টেট ক্যান্সারের সংযোগ রয়েছে।

শরীরের অতিরিক্ত ওজন, কম শারীরিক পরিশ্রম ও অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন সামগ্রিকভাবে ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তবে সুনির্দিষ্ট কোনো একটি খাবারকে সরাসরি প্রোস্টেট ক্যান্সারের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। অতিরিক্ত চর্বি, লাল ও প্রক্রিয়াজাত গোশত নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা থাকলেও খাদ্যাভ্যাস ও প্রোস্টেট ক্যান্সারের সম্পর্ক সব ক্ষেত্রে একইভাবে প্রমাণিত নয়। তাই ‘টমেটো খেলেই ক্যান্সার হবে না’ বা ‘নির্দিষ্ট একটি খাবার খেলেই রোগ প্রতিরোধ করা যাবে’— এ ধরনের সরলীকৃত দাবি বৈজ্ঞানিকভাবে যথাযথ নয়।

শুরুতে কোনো লক্ষণ নাও থাকতে পারে

প্রোস্টেট ক্যান্সারের একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো—প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক রোগীর শরীরে কোনো উপসর্গ প্রকাশ পায় না। টিউমার বড় হলে বা মূত্রনালীর ওপর চাপ সৃষ্টি করলে ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ (বিশেষ করে রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া), প্রস্রাব শুরু করতে কষ্ট হওয়া, দুর্বল বা থেমে থেমে প্রস্রাবের ধারা, প্রস্রাবের পরও মূত্রথলি পুরোপুরি খালি না হওয়ার অনুভূতি এবং প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া দেখা দিতে পারে।

কখনো প্রস্রাব বা বীর্যের সাথে রক্তও যেতে পারে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এসব উপসর্গ দেখা দিলেই যে প্রোস্টেট ক্যান্সার হয়েছে, এমনটি ভাবার কোনো কারণ নেই। বয়স বৃদ্ধির সাথে প্রোস্টেট বড় হয়ে যাওয়া, প্রদাহ বা অন্যান্য সাধারণ কারণেও একই ধরনের লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে।

ক্যান্সার যদি প্রোস্টেটের বাইরে ছড়িয়ে পড়ে, তবে বিশেষ করে হাড়ে ব্যথা হতে পারে। কোমর, নিতম্ব, শ্রোণীচক্র বা উরুতে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, শারীরিক দুর্বলতা কিংবা অন্যান্য জটিলতা দেখা দিতে পারে। এ পর্যায়ে রোগ শনাক্ত হলে চিকিৎসা বেশ জটিল হয়ে ওঠে।

পিএসএ পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ, তবে এটিই চূড়ান্ত প্রমাণ নয়

প্রোস্টেট ক্যান্সার শনাক্তকরণে বহুল ব্যবহৃত পরীক্ষা হলো প্রোস্টেট-স্পেসিফিক অ্যান্টিজেন-পিএসএ পরীক্ষা। এটি রক্তের মাধ্যমে প্রোস্টেট-নির্দিষ্ট অ্যান্টিজেনের মাত্রা পরিমাপ করে। পিএসএ-এর মাত্রা বেশি থাকলে প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকতে পারে, তবে এর অর্থ এই নয় যে নিশ্চিতভাবে ক্যান্সার হয়েছে। প্রোস্টেট বড় হওয়া, প্রদাহ বা অন্য নানা কারণেও পিএসএ বাড়তে পারে। আবার কিছু ক্ষেত্রে ক্যান্সার থাকা সত্ত্বেও রোগীর পিএসএ স্বাভাবিক থাকতে পারে।

তাই একটিমাত্র পিএসএ রিপোর্ট দেখে নিজে নিজে আতঙ্কিত হওয়া বা রোগ নির্ণয় করে ফেলা ঠিক নয়। পরীক্ষার ফল অস্বাভাবিক এলে চিকিৎসক প্রয়োজন অনুযায়ী আবার পিএসএ পরীক্ষা, ডিজিটাল রেক্টাল এক্সাম (ডিআরই), রক্ত বা প্রস্রাবের অন্যান্য পরীক্ষা, এমআরআই  কিংবা বায়োপসির পরামর্শ দিতে পারেন। ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, সন্দেহজনক ক্ষেত্রে উন্নত ইমেজিং ব্যবহার করে ক্যান্সারের সম্ভাব্য স্থান চিহ্নিত করা হয় এবং প্রয়োজনে সেখান থেকে টিস্যু নিয়ে বায়োপসি করা হয়।

বয়স্ক হলেই কি সবার পিএসএ পরীক্ষা বাধ্যতামূলক?

বিশেষজ্ঞদের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হলো, বয়স বাড়লেই সবার জন্য একই নিয়মে পিএসএ পরীক্ষা করানো বাধ্যতামূলক— এমন কোনো সার্বজনীন নিয়ম নেই। আন্তর্জাতিক গাইডলাইনে বয়স, পারিবারিক ইতিহাস, সামগ্রিক স্বাস্থ্য, সম্ভাব্য আয়ু এবং রোগীর ব্যক্তিগত পছন্দ বিবেচনা করে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে স্ক্রিনিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়ার ওপর জোর দেয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস প্রিভেন্টিভ সার্ভিসেস টাস্কফোর্স ৫৫ থেকে ৬৯ বছর বয়সী পুরুষদের ক্ষেত্রে চঝঅ-ভিত্তিক স্ক্রিনিংয়ের সুফল ও ঝুঁকির বিষয়টি চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করে ব্যক্তিগত পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার পরামর্শ দিয়েছে। কারণ, স্ক্রিনিংয়ে কিছু ক্যান্সার আগেভাগে ধরা পড়লেও ফলস পজিটিভ ফলাফল, অপ্রয়োজনীয় বায়োপসি, অতিরিক্ত রোগ নির্ণয় এবং ওভার-ট্রিটমেন্ট বা অপ্রয়োজনীয় চিকিৎসার ঝুঁকি থাকে। অর্থাৎ, ‘প্রতি বছর নিয়ম করে পিএসএ করতেই হবে’— এমন ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিরা ইউরোলজিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

বায়োপসিই নিশ্চিত রোগ নির্ণয়ের প্রধান ধাপ

প্রোস্টেট ক্যান্সারের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সাধারণত প্রোস্টেট টিস্যুর বায়োপসি করা হয়। পিএসএ বা প্রাথমিক অন্য কোনো পরীক্ষায় সন্দেহ তৈরি হলে চিকিৎসক এমআরআই ও সামগ্রিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে বায়োপসির প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করেন। বায়োপসির মাধ্যমে প্রোস্টেটের বিভিন্ন অংশ থেকে ক্ষুদ্র টিস্যু নমুনা সংগ্রহ করে প্যাথলজিস্টরা তা অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে পরীক্ষা করেন।

এ ছাড়া ইউরোফ্লোমেট্রি ও আলট্রাসাউন্ড পরীক্ষারও বিশেষ ভূমিকা রয়েছে— বিশেষ করে প্রস্রাবের প্রবাহের গতি এবং প্রোস্টেটের আকার নির্ণয়ে। তবে এগুলোর মাধ্যমে একা প্রোস্টেট ক্যান্সার নিশ্চিত করা যায় না।

রোগ ধরা পড়লেই অপারেশন জরুরি নয়

প্রোস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসা পুরোপুরি নির্ভর করে রোগটি কতদূর ছড়িয়েছে, এর এগ্রেসিভনেস বা গ্রেড কেমন, রোগীর বয়স এবং সামগ্রিক শারীরিক অবস্থার ওপর। প্রাথমিক ও কম ঝুঁকির ক্যান্সারের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক অস্ত্রোপচার বা রেডিয়েশন না করে ‘অ্যাক্টিভ সার্ভিল্যান্স’ বা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখার পরামর্শ দেয়া হয়। নিয়মিত চঝঅ পরীক্ষা, চিকিৎসকের ফলোআপ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য পরীক্ষার মাধ্যমে রোগের গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করা হয়।
অন্য দিকে, প্রোস্টেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ বা মাঝারি-উচ্চ ঝুঁকির রোগীদের ক্ষেত্রে র‌্যাডিক্যাল প্রস্টেটকটমি (অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে প্রোস্টেট অপসারণ), এক্সটার্নাল-বিম রেডিয়েশন কিংবা ব্র্যাকিথেরাপির মতো চিকিৎসা ব্যবহার করা হয়। রোগ স্থানীয়ভাবে ছড়িয়ে পড়লে হরমোন থেরাপির সাথে রেডিয়েশন দেয়া হতে পারে। আর ক্যান্সার শরীরের অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে পড়লে অ্যান্ড্রোজেন-ডেপ্রাইভেশন থেরাপি (হরমোন থেরাপি), কেমোথেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি এবং রেডিওফার্মাসিউটিক্যাল থেরাপির মতো আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থা প্রয়োগ করা হয়।

জীবনযাপন, খাদ্য ও খাদ্যাভ্যাস

সুষম জীবনযাপন সামগ্রিক সুস্থতার জন্য অপরিহার্য। নিয়মিত হাঁটা বা শারীরিক পরিশ্রম, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, ধূমপান পরিহার করা এবং শাকসবজি, ফলমূল ও পরিমিত পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ অত্যন্ত উপকারী। তবে সুনির্দিষ্ট কোনো খাবার প্রোস্টেট ক্যান্সার নিশ্চিতভাবে প্রতিরোধ করতে পারে— এমন সুদৃঢ় বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। বিশেষ করে টমেটো বা লাইকোপেনকে ক্যান্সার প্রতিরোধের একমাত্র ও নিশ্চিত উপায় হিসেবে প্রচার করার কোনো ভিত্তি নেই ।
তাই সুস্থ থাকার সবচেয়ে বাস্তবসম্মত উপায় হলো— শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা, ধূমপান থেকে দূরে থাকা এবং বয়স ও ঝুঁকি অনুযায়ী নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট ও করণীয়

বাংলাদেশে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে বয়স-সম্পর্কিত ক্যান্সার ও ইউরোলজিক্যাল রোগের প্রকোপও দিন দিন বাড়ছে। গ্লোবোকান ২০২২ এর তথ্য অনুযায়ী, ওই বছর বাংলাদেশে সব ধরনের ক্যান্সার মিলিয়ে এক লাখ ৬৭ হাজারের বেশি নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছিল এবং এক লাখ ১৬ হাজারের বেশি মানুষ ক্যান্সারে মৃত্যুবরণ করেছিলেন।
এ পরিস্থিতিতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— বয়স্ক পুরুষের যেকোনো প্রস্রাবের সমস্যাকে কেবল ‘বয়সের স্বাভাবিক ব্যাপার’ বলে অবহেলা না করা। কারণ একই উপসর্গ ইচঐ বা সাধারণ ইনফেকশনের কারণেও হতে পারে, আবার কোনো উপসর্গ ছাড়াও নীরব ঘাতক হিসেবে ক্যান্সার লুকিয়ে থাকতে পারে। তাই সন্দেহজনক কোনো লক্ষণ দেখা দিলে বা উচ্চঝুঁকি থাকলে দেরি না করে ইউরোলজিস্টের পরামর্শ নেয়া উচিত।
বিশেষজ্ঞদের মূল বার্তা : প্রোস্টেট ক্যান্সার নিয়ে আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন সচেতনতা। বয়স ও পারিবারিক ইতিহাস সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকা, উপসর্গগুলোকে গুরুত্ব দেয়া এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া পিএসএ বা অন্য কোনো পরীক্ষার ফল নিজে নিজে ব্যাখ্যা না করাই হলো রোগ প্রতিরোধ ও সুস্থ থাকার সবচেয়ে বিচক্ষণ পথ।