
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে বাংলাদেশের চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন তাওহীদ হৃদয়।
এর আগে এই কীর্তি গড়েছিলেন মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল।
আরো পড়ুন—জামায়াত নেতৃত্বে থাকলে রাষ্ট্রীয় বরাদ্দ দলীয় নেতাকর্মীদের পকেটে যায় না
২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঠিক ২০০ রান করে প্রথম বাংলাদেশী ব্যাটার হিসেবে টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করেন মুশফিকুর রহিম। বাংলাদেশের একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে একাধিক ডাবল সেঞ্চুরির মালিকও এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন তিনি।
২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০৬ রান করে দ্বিতীয় বাংলাদেশী ব্যাটার হিসেবে এই কীর্তি গড়েন তামিম ইকবাল। এরপর ২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২১৭ রান করে এই তালিকায় নাম লেখান সাকিব আল হাসান।
দলের কঠিন বিপর্যয় কাটিয়ে ডাবল সেঞ্চুরি করার পর বাংলাদেশের হয়ে এই সংস্করণে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের মালিক হওয়ার পথে এগিয়ে গেছেন হৃদয়। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ২১৯ রানের রেকর্ডটি মুশফিকুর রহিমের।
বাংলাদেশের স্কোর যখন ২ উইকেটে ২২ রান, তখন ক্রিজে আসেন হৃদয়। সেখান থেকে দলকে বিপর্যয়কর পরিস্থিতি থেকে টেনে তোলেন তিনি। চতুর্থ উইকেটে মুশফিকুর রহিমের সাথে গড়েন ৭৩ রানের জুটি।
মুশফিক ৩৪ রানে আউট হওয়ার পর আবারো ধস নামে বাংলাদেশের ইনিংসে। দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ১৮৪ রান। এরপর অষ্টম উইকেটে তাইজুল ইসলামের সাথে ১১৭ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে ৩০০ রানের গন্ডি পার করান হৃদয়।
সকালের সেশনে রোস্টন চেজের বলে এক রান নিয়ে ১৭১ বলে নিজের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন হৃদয়। এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে মাত্র ১২৩ বলে দ্বিতীয় শতক পূর্ণ করেন তিনি। এভাবে মাত্র ৩০৪ বলে নিজের প্রথম সেঞ্চুরিকে ডাবল সেঞ্চুরিতে রূপ দেন হৃদয়। জোমেল ওয়ারিকানের বলে লং-অফ অঞ্চলে ঠেলে দিয়ে এক রান নিয়ে ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি।
এর মধ্য দিয়ে প্রথম বাংলাদেশী ব্যাটার হিসেবে নিজের প্রথম সেঞ্চুরিকেই ডাবল সেঞ্চুরিতে রূপ দেয়ার কীর্তি গড়লেন হৃদয়। ক্যারিয়ারে তৃতীয় টেস্টেই এই মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। অথচ আগের দুই টেস্টে তার সংগ্রহ ছিল মাত্র ৫৪ রান।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








