
ফাইনালে উঠতে জয়ের বিকল্প নেই বাংলাদেশের। তবে শুধু জয় নয়, ভালো রানরেট নিশ্চিত করার কঠিন সমীকরণও মাথায় রাখতে হচ্ছে। সেই চাপ নিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই মাত্র ২৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বড় বিপদে পড়ে বাংলাদেশ।
সেখান থেকে সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমনের ৯৩ রানের জুটি দলকে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখায়। তবে সাইফের বিদায় ও মিরাজের দ্রুত ফেরায় আবারো চাপে পড়েছে টাইগাররা। দেড় শ’ পেরোনোর আগেই হারিয়ে বসেছে ৭ উইকেট।
শারজাহতে টস জিতে আগে ব্যাটিং নেয় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওভারেই পরপর দুই বলে তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকারকে ফিরিয়ে বড় ধাক্কা দেন ইয়ামিন আহমাদজাই। তানজিদ ১ রান করে ফেরেন, সৌম্য ফেরেন গোল্ডেন ডাকে।
এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ২৩ বলে ১৫ রান করে আজমাতউল্লাহ ওমরজাইয়ের শিকার হন। একই বোলারের বলে রানের খাতা খোলার আগেই ফিরতে হয় তাওহীদ হৃদয়কে। ফলে ২৮ রানেই ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন সাইফ ও ইমন। শুরুতে ধীরগতিতে খেললেও সময়ের সঙ্গে জুটি জমিয়ে তোলেন দুজন। এক পর্যায়ে সাইফের বিপক্ষে এলবিডব্লিউয়ের আবেদন নাকচ হলে রিভিউ নিয়েও সফল হয়নি আফগানিস্তান।
পঞ্চম উইকেটে ১৩২ বলে ৯৩ রান যোগ করেন তারা। তবে ফিফটির আক্ষেপ নিয়েই ফিরতে হয় সাইফকে। ৮২ বলে ৪১ রান করে দলীয় ১২১ রানে আউট হন তিনি। এরপর মেহেদী মিরাজও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৭ বলে ২ রান করে ফেরেন তিনি।
ফিরেছেন শরিফুল ইসলামও। ৩৭.৩ ওভারে দলীয় ১৪৭ রানে রশিদ খানের শিকার হন ৭ রান করে। তবে অন্য প্রান্তে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডে ফিফটি তুলে নেন পারভেজ হোসেন ইমন।
৯৩ বলে ৬৯ রানে অপরাজিত আছে ইমন। তার সাথে আছেন অভিষিক্ত আলিস আল ইসলাম। আর ৩৯ ওভার শেষে ৭ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৫৭ রান। শেষ দিকে ইমন কতটা এগিয়ে নিতে পারেন, তার ওপরই অনেকটা নির্ভর করছে দলের ইনিংস।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








