
টানা তিন ম্যাচের পরাজয়ে বিপর্যস্ত বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস অবশেষে জয়ের দেখা পেল। এই জয় এসেছে আবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে হারিয়ে। স্বল্প পুঁজি নিয়েও বোলারদের দাপটে রোমাঞ্চকর এই জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ।
শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডসে ভারত চ্যাম্পিয়নসকে ৩ রানে হারিয়েছে তারা। দারুণ লড়াই করে পাওয়া এই জয় আসরে বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির পাশাপাশি আত্মবিশ্বাসেরও বড় উৎস হয়ে থাকবে।
রোববার টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৪১ রান করে বাংলাদেশ। টপ অর্ডার ব্যাটারদের ব্যর্থতার দিনে দলের হয়ে সবচেয়ে বেশি রান করেন রনি তালুকদার। ২৫ বলে চারটি চার ও দু’টি ছক্কায় ৪০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি।
মিডল অর্ডারে নাসির হোসেন ও আরাফাত সানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। নাসির করেন ২৪ রান, আরাফাত সানির ব্যাট থেকে আসে ৩৭ রান। ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন পীযুষ চাওলা। ঋষি ধাওয়ান ও পবন নেগি নেন দুটি করে উইকেট।
১৪২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। আবু জায়েদ রাহীর বোলিংয়ে ২৪ রানের মধ্যেই দু’টি উইকেট হারায় তারা। এরপর পাওয়ার প্লের মধ্যেই যুবরাজ সিংকে ফিরিয়ে ভারতকে আরো চাপে ফেলেন কামরুল ইসলাম রাব্বি।
এরপর ভারতের ব্যাটিংয়ে সবচেয়ে বড় আঘাতটি হানেন এনামুল হক জুনিয়র। মাত্র ৩ ওভারে ১২ রান খরচায় চার উইকেট তুলে নিয়ে ভারতকে কোণঠাসা করে দেন তিনি। একপর্যায়ে ৮৮ রানেই ৮ উইকেট হারিয়ে বড় হারের শঙ্কায় পড়ে ভারত।
তবে শেষ দিকে ম্যাচ জমিয়ে দেন পবন নেগি ও পীযুষ চাওলা। দু’জনের অবিচ্ছিন্ন ৫০ রানের জুটিতে জয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয় ভারতের। কিন্তু লক্ষ্য থেকে ৪ রান দূরে থেমে যায় তাদের লড়াই। ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৮ রান করে ভারত। পবন ২৬ ও পীযুষ ২৪ রানে অপরাজিত থাকেন।
বাংলাদেশের হয়ে এনামুল হক জুনিয়র চার উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি আবু জায়েদ রাহী পান দু’টি উইকেট। ৪ ওভারে ২৬ রান দেন রাহী। ফলে ৩ রানের রোমাঞ্চকর জয় পায় বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস।
টানা তিন হারের পর পাওয়া এই জয়ই আসরে তাদের প্রথম। এছাড়া কোনো টুর্নামেন্টে ভারতের মতো শক্তিশালী ও অভিজ্ঞ প্রতিপক্ষকে হারানো বাংলাদেশের জন্য নিঃসন্দেহে বড় প্রাপ্তি।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








