
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-কুষ্টিয়ামুখী লংমার্চে অংশ নেয়া দক্ষিণবঙ্গগামী ৬৭৮টি যানবাহন পর্যায়ক্রমে একসাথে পদ্মা সেতু পার হয়েছে। এতে করে মাত্র ৩০ মিনিটে পদ্মা সেতুতে টোল আদায় হয়েছে প্রায় সাত লাখ ৭৬ হাজার টাকা।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১০টা থেকে সোয়া ১০টা পর্যন্ত মাত্র আধা ঘণ্টার ব্যবধানে যানবাহনগুলো পদ্মা সেতু পাড়ি দেয়।
তবে ওই সময় সেতু পার হওয়া লংমার্চের গাড়িবহরে মাইক্রোবাস, কার, জিপসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন ছিল। অন্য যানবাহনের সাথে বহরে যুক্ত নেতাকর্মীদের বহনকারী বেশ কিছু ট্রাকসহ আগে-পরে কিছু গাড়ি সেতু পার হয়েছে বলে জানা গেছে।
পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষের সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সায়াদ নিলয় বিষয়টি নিশ্চিত করে নয়া দিগন্তকে জানান, সকাল পৌনে ১০টা থেকে সোয়া ১০টা পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গমুখী গাড়িবহরে মাইক্রো, কার ও জীপসহ ৬৭৮টি গাড়ি সেতু পার হয়। এতে করে পদ্মা সেতুতে টোল আদায় হয় প্রায় সাত লাখ ৭৬ হাজার টাকা।
এছাড়াও বহরে যুক্ত আরো বেশ কিছু ট্রাকও সেতু পার হয়েছে। তবে পদ্মা সেতু পাড়ি দেয়া লংমার্চের গাড়িবহরের যানবাহনের সঠিক সংখ্যা বলা সম্ভব নয়। কেননা ওই ৩০ মিনিটের আগে-পরেও কিছু গাড়ি সেতু পার হয়েছে।
উল্লেখ্য, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবি আদায়ে ঢাকা থেকে কুষ্টিয়ামুখী লংমার্চ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে ১১ দলীয় ঐক্যজোট। শনিবার সকাল ৭টায় রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে উদ্বোধনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হয়। সমাবেশ শেষে সকাল ৮টার দিকে লংমার্চের গাড়িবহর খুলনা-ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
মুন্সীগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা এ কে এম ফখরুদ্দীন রাজী নয়া দিগন্তকে জানান, লংমার্চ কর্মসূচিকে সফল করতে ঢাকা থেকে আসা গাড়িবহরের সাথে লৌহজং উপজেলার খানবাড়ী পয়েন্ট থেকে যুক্ত হয় জেলার জোট নেতৃবৃন্দদের আরো ৫৭টি গাড়ি।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








