
সিলেট নগরীর কাষ্টঘর সুইপার কলোনির হৃদয় হরিজন (৩৩) হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত চার আসামির মধ্যে তিনজনকে নরসিংদী থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে নরসিংদীর মাধবদী থানার পাঁচদোনা মোড় এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।
গ্রেফতার তিনজন হলেন— সিলেটের বালাগঞ্জ থানার নূরপুর গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে ইমন আহমেদ (২৬), সিলেটের জালালাবাদ থানার বলাউড়া গ্রামের মো: হরুফ আলী মিয়ার ছেলে রুমান আহমদ সাজ্জাদ (২৫) ও জালালাবাদ থানার সোনাতলা গ্রামের নুর মিয়ার ছেলে পারভেজ (২২)। তারা সকলেই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বসবাস করে আসছিল। এছাড়া মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি আমিন আহমদ (৩৫) পলাতক রয়েছেন।
এসএমপি সূত্র জানিয়েছে, গত ১১ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে কাষ্টঘর সুইপার কলোনি-সংলগ্ন রাজু স্টোরের বিপরীত পাশের একটি ফাঁকা জায়গায় হৃদয় হরিজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তার বাঁ পায়ের হাঁটুর ওপরের সামনের ও পেছনের অংশে গুরুতর জখম হয়। পরে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত সাড়ে ৯টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ঘটনার দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে প্রধান আসামি আমিন হৃদয়ের বাসার সামনে এসে ভিডিও ধারণ করছিলেন। হৃদয় এতে নিষেধ করলে আমিনসহ অন্য আসামিরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গালিগালাজ ও হুমকি দেন। এর জের ধরে পরে তাকে ডেকে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। এ ঘটনায় ১২ অক্টোবর কোতোয়ালী মডেল থানায় হত্যা মামলা করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতার ইমনের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতির একটি মামলা ও একটি গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। রুমানের বিরুদ্ধে চুরির দু’টি মামলা ও দু’টি গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। পারভেজের বিরুদ্ধে চুরির পাঁচটি মামলা রয়েছে। পলাতক প্রধান আসামি আমিনের বিরুদ্ধে ছিনতাই, দস্যুতা, মাদক ও মারামারিসহ ছয়টি মামলা ও পাঁচটি গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) এর সত্যতা নিশ্চিত করে সিলেট মহানগর পুলিশের মিডিয়ার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা উপপুলিশ কমিশনার (সিটিএসবি) মোহাম্মদ আফজাল হোসাইন বলেন, গ্রেফতার তিনজনকে পুলিশি পাহারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। জড়িত অন্য আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








