
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের লাশ ভারত থেকে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে আজ রোববার সকালে দেশে ফিরেছে। বিজিবি ও পুলিশের ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে লাশ হস্তান্তর হয়।
ফুসফুসে ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গতকাল শনিবার সকালে কলকাতার একটি হাসপাতালে মৃত্যু হয় তার।
কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট পাসপোর্টের মাধ্যমে বেনাপোল দিয়ে ভারতে পালিয়ে যান রোটন। শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ৭টার সময় কলকাতার রুবি জেনারেল হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
দাফনের জন্য তার লাশ বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর অনুমতিপত্র ইস্যু করে কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ রোববার সকাল ১১টার দিকে রোটনের লাশ সড়কপথে ভারতের পেট্রাপোল হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এ সময় তার লাশ গ্রহণ করেন তার বড় ভাই নাসিমুল হায়দার চৌধুরী মিল্টন।
এর আগে তার বোনের ছেলে সোহানুর রহমানের কাছে কলকাতা থেকে লাশ হস্তান্তর করে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অনাপত্তিপত্র দেন বলেও জানায় দূতাবাস।
পুলিশ প্রহরায় রোটনের লাশ বেনাপোল চেকপোস্ট থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানান বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুর রহমান।
রোটনের লাশ হস্তান্তরের সময় পুলিশ, বিজিবি ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ভোর থেকে বেনাপোল চেকপোস্ট সীমান্ত এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হয়। সীমান্ত এলাকায় সাধারণ মানুষজন চলাচল প্রায় বন্ধ করে দেয়া হয়।
উল্লেখ্য, মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই কমিটির সভাপতি ছিলেন মাহমুদ হাসান রিপন।
ছাত্রলীগের রাজনীতি শেষ করে পরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন তিনি। চট্টগ্রামের রাউজানের এই রাজনীতিবিদ ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। ২০২১ সালে আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক উপকমিটির সদস্য হিসেবেও মনোনীত হন তিনি।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








