গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
সাভারের নামাবাজারে ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। নয়া দিগন্ত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে মানুষের মধ্যে নানা ধরনের আশঙ্কা থাকবে। তবে সেই আশঙ্কা যাতে সত্যি না হয়, সেজন্য বিএনপি নেতাকর্মীরা সর্বদা সজাগ রয়েছে। আমরা কোথাও কোনো কিছু হতে দেবো না। এছাড়া পূজা উদযাপন নিয়ে মানুষের মধ্যে যাতে কোনো ধরনের আতঙ্ক না থাকে, সেজন্য আমাদের নেতাকর্মীরা চারিদিকে ভ্যানগার্ডের মতো থাকবে।’

Advertisement

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে সাভারের নামাবাজারে পঞ্চবটি আশ্রমে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাভার পৌরসভার আওতাধীন সকল মন্দির ও পূজা মণ্ডপের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় উপস্থিত থেকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শহীদ মজনু ফাউন্ডেশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাভার পৌরসভার মেয়র প্রার্থী লায়ন মো: খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থেকে ডা: দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু বলেন, ‘ঐতিহ্যবাহী সাভার-আশুলিয়ায় পূজা নিয়ে কখনও কোনো বিশৃঙ্খলা হয়নি এবং কাউকে বিশৃঙ্খলা করতে দেওয়া হবে না। বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রতিটি পূজা মণ্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করবেন; তাই কেউ ইচ্ছা করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলেও তা পারবে না। শান্তিপূর্ণভাবে সাভার-আশুলিয়ায় নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপন হবে, কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না।’

সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মেয়র প্রার্থী লায়ন মো: খোরশেদ আলম বলেন, ‘আমরা সবাই সবার পাশে থাকব, সবাই একসাথে থাকব। সকলের সহযোগিতায় দুর্গাপূজা উৎসবে পরিণত হবে। সাভারে সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাইবোনেরা সবাই নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপন করবেন। যদি কেউ পরিকল্পিতভাবে পূজায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা করে, তাহলে সে যেই হোক না কেন, পূজায় ব্যাঘাত ঘটালে তার কোনো মাফ নেই।’

আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইব্রাহিম মিয়া, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি মো: আশরাফ উদ্দিন খান, ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও শহীদ মজনু ফাউন্ডেশনের মহাসচিব নাজমুল হাসান অভি, ঢাকা জেলা (উত্তর) ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবাল প্রমুখ।

অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন পূজা মণ্ডপের নেতৃবৃন্দের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেয়া হয়। এ সময় বিভিন্ন স্থান থেকে আগত হিন্দু ধর্মাবলম্বী লোকজনের সঙ্গে পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আগত বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।