
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে ছেলেকে বেঁধে রেখে ও অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ভিডিও ধারণ এবং বসতঘর থেকে নগদ পাঁচ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টার দিকে গফরগাঁও প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের গফরগাঁও শাখার নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মানববন্ধন করেন।
মানববন্ধন চলাকালে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস গফরগাঁও উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি মাওলানা এমদাদুল্লাহ'র সভাপতিত্বে এবং সমাজ কল্যাণ সম্পাদক হাফেজ শরিফুল ইসলামের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন গফরগাঁও উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ইলিয়াস আহমদ ফরাজী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা উবায়দুল্লাহ উদয়পুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুনিরুল ইসলাম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ইব্রাহিম খলিল, মুফতী মনিরুজ্জামান, যুব মজলিসের দায়িত্বশীল মোঃ ওয়ালিদ হাসান প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, এরকম জঘন্যতম ঘটনায় সাথে জড়িত তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া যাবে না। দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা। পরে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গফরগাঁও থানার ক্যাম্পাসে গিয়ে এ বিষয়ে ওসির সাথে মতবিনিময় করেন এবং এই ধর্ষণের ঘটনায় বিচারের দাবি জানান।
এর আগে, শনিবার বিকেলে গফরগাঁও প্রেসক্লাবের সামনে উপজেলার চরআলগী ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে পরিচালনা করেন শরিফুল ইসলাম ফরাজি সুমন। এসময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আব্দুল কাইয়ূম, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সায়েম, চরআলগী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সম্পাদক জিল্লুর রহমান মাস্টার, উপজেলা যুব খেলাফত মজলিসের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম শরিফ, চরআলগী ইউনিয়ন বিএনপি নেতা গাউসুল আজম বাচ্চু, রোকনুজ্জামান রোকন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনায় পুরো এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারটি বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তারা অবিলম্বে পলাতক আসামিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
এ ঘটনায় গফরগাঁও থানায় ৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ।
এদিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও লুটপাটের ঘটনায় মামলার গ্রেফতার অভিযুক্ত আসামি রাজিবকে (২৩) ময়মনসিংহ আদালতে মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের পর থেকেই এলাকায় ক্ষোভ বাড়তে থাকে।







