বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সংগৃহীত

কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদ্বীপ সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারে পাচারের সময় ১২ টন ইউরিয়া সার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসহ ১০ জনকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। এ সময় পাচার কাজে ব্যবহৃত একটি বোটও জব্দ করা হয়।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আহমেদ সুজন এ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

আটক ১০ পাচারকারীরা কুমিল্লা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আহমেদ জানান, শনিবার রাতে সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে গভীর সমুদ্র এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে গভীর সমুদ্রে একটি সন্দেহজনক বোটের গতিবিধি নজরে আসলে সেটিকে থামার সংকেত দেয়া হয়। কিন্তু সেটি সংকেত অমান্য করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

পরে কোস্ট গার্ডের আভিযানিক দল ধাওয়া করে গভীর সমুদ্র থেকে বোটটি আটক করতে সক্ষম হয়। বোটে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইউরিয়া সার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাওয়া যায়। জব্দ করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে ২৪০ বস্তা ইউরিয়া সার, যার ওজন ১২ টন। এছাড়া ১৯০ বস্তা রসুন ও সাড়ে চার হাজার কেজি পেঁয়াজ জব্দ করা হয়।।

কোস্ট গার্ডের তথ্যমতে, জব্দ করা পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা। এসব পণ্য মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অভিযানের বোটে থাকা ১০ জনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে একজন রোহিঙ্গা নাগরিকও রয়েছে বলে জানায় কোস্ট গার্ড।

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আহমেদ জানান, সমুদ্রপথে চোরাচালান ও অবৈধভাবে পণ্য পাচার বন্ধে নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সীমান্ত ও উপকূলীয় এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরো জোরদার করা হবে।