
আগামী শিক্ষাবর্ষের সব পাঠ্যপুস্তক চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেয়ার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয় সংসদের শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।
এছাড়া বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক নির্ধারণ করে প্রবিধানমালা তৈরির তাগিদ দিয়েছে কমিটি। একইসাথে ১ম থেকে ১২তম নিবন্ধনধারী শিক্ষকদের সরকারের নির্বাহী আদেশে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সুপারিশ করা হয়েছে।
রোববার (৮ নভেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের স্থায়ী কমিটি কক্ষে অনুষ্ঠিত কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত ও সুপারিশ নেয়া হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো: সেলিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে কমিটির অন্য সদস্যদের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, মোসা: তাহসিনা রুশদীর, মো: সেলিমুজ্জামান মোল্যা, মো: জাহান্দার আলী মিয়া, বীথিকা বিনতে হোসাইন, মো: মুজিবুর রহমান ও আতিকুর রহমান মোজাহিদ অংশ নেন।
সভায় বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের অনিষ্পন্ন আবেদনগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছে সংসদীয় কমিটি। বিশেষ করে, হজযাত্রী ও দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত শিক্ষকদের আবেদন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করে দ্রুত অর্থ পরিশোধের ব্যবস্থা নিতে তাগিদ দেয়া হয়েছে।
পাশাপাশি সরকারের কাছ থেকে অর্থ প্রাপ্তি সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রাপ্য অর্থ পরিশোধের সুপারিশ করেছে কমিটি।
এনটিআরসিএ কর্তৃক বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার, সহ-সুপার, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার বর্তমান অগ্রগতি সভায় উপস্থাপন করা হয়। কমিটি জানতে পারে যে, চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ার সব ধরনের মৌখিক পরীক্ষা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই সম্পন্ন করা হবে।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করে স্থায়ী কমিটি জানান, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দিতে হবে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসের ভেতরেই। নির্ধারিত সময়ে মুদ্রণ ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেয়া হয়।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








