ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাবি, আন্তঃক্লাব বিতর্ক, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, ডিবেটিং ক্লাব, জাতীয় আন্তঃক্লাব বিতর্ক, ডেপুটি স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) ওবায়দুল ইসলাম
হাজী মুহসীন স্মারক জাতীয় আন্তঃক্লাব বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম হাজী মুহম্মদ মুহসীন স্মারক জাতীয় আন্তঃক্লাব বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল এবং রানার্সআপ হয়েছে অমর একুশে হল।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হয়। হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল ডিবেটিং ক্লাব এ আয়োজন করে। এতে দেশের ২৪টি বিতর্ক দলের ৭২ জন বিতার্কিক অংশ নেন।

হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল ডিবেটিং ক্লাবের সভাপতি মো: মুজাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

এছাড়া অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য দেন হলের প্রাধ্যক্ষ শাহ শামীম আহমেদ, হল ডিবেটিং ক্লাবের মডারেটর মো: হারুন-অর-রশীদ, ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি মো: সাজিদ হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক মিফতাহুল জান্নাত রিফাত।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ‘তরুণদের যুক্তিনির্ভর ও তথ্যভিত্তিক চিন্তার বিকাশ ঘটাতে এবং মুক্তবুদ্ধির চর্চা করতে হবে। বিতর্কচর্চা যুক্তি দিয়ে কথা বলা ও অন্যের মতামত শোনার অভ্যাস তৈরি করে। এই চর্চা জাতীয় সংসদসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে ছড়িয়ে দেয়া প্রয়োজন। এতে পারস্পরিক সহনশীলতা বাড়ার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক পরিবেশ শক্তিশালী হবে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের স্বার্থে দল-মত নির্বিশেষে সবার মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলা প্রয়োজন। তরুণদের মধ্যে যুক্তিবোধ, সহনশীলতা ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের গুণ তৈরি করতে হবে।’

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘পড়ালেখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমেও যুক্ত হতে হবে। বিতর্ক শিক্ষার্থীদের চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি আত্মবিশ্বাস তৈরি করে।’

তিনি বলেন, ‘শুধু ভালো ফলাফল করাই শিক্ষার্থীদের একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। বিভিন্ন গঠনমূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নেয়ার মাধ্যমে তাদের জ্ঞান ও চিন্তার পরিধি বাড়াতে হবে।’

ভিসি আরো বলেন, ‘যুক্তির মাধ্যমে মত প্রকাশের পাশাপাশি ভিন্নমত গ্রহণ এবং অন্যের মতামতের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে।’ শিক্ষার্থীদের সৎ, দেশপ্রেমিক, দক্ষ, যোগ্য ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার আহবান জানান তিনি।