মেডিক্যাল ক্যাম্প
বুটেক্সে বাঁধনের বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্পে চিকিৎসা নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা ছবি: নয়া দিগন্ত

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) প্রথমবারের মতো বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা ও পরামর্শ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাঁধন বুটেক্স ইউনিটের উদ্যোগে এবং ইস্পাহানি ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালের সহযোগিতায় এ ক্যাম্প সেবার আয়োজন করা হয়।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক বিল্ডিংয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত এ ক্যাম্প সেবা চলমান থাকে। আয়োজিত এ ক্যাম্পে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চোখ পরীক্ষা, চোখের প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হয়। চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন ইস্পাহানি ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালের অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও মেডিক্যাল টিম।

চোখের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সময়মতো চক্ষু সমস্যার বিষয়ে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ আয়োজন করা হয়। ক্যাম্পে অংশগ্রহণের জন্য আগে থেকেই রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছিলো এবং নির্ধারিত সংখ্যক রেজিস্ট্রেশনকারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হয়।

ক্যাম্প পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় চক্ষু পরীক্ষা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিন বলেন, "প্রথমেই বাঁধন বুটেক্স ইউনিটকে এমন একটি সুন্দর ও জনকল্যাণমূলক আয়োজনের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। পৃথিবীর সৌন্দর্য উপভোগ করা থেকে শুরু করে আমাদের দৈনন্দিন জীবন ও শিক্ষাজীবনে সুস্থ চোখের গুরুত্ব অপরিসীম। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে তাদের চোখ পরীক্ষা করিয়ে চোখের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারবে।"


বাঁধন বুটেক্স ইউনিটের সভাপতি পিয়াল আহমেদ বলেন, "বাঁধন বুটেক্স ইউনিটের উদ্যোগে ‘বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা ও পরামর্শ ক্যাম্প-২০২৬’ আয়োজন করতে পেরে আমরা আনন্দিত। এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে চোখের যত্ন ও স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি করা। পাশাপাশি বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে সবার কাছে প্রাথমিক চক্ষুসেবা পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করেছি।"

ভবিষ্যতে এ ধরনের মানবসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শিহাব উদ্দিন মারুফ বলেন, "বাঁধন সবসময় মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে। তারই ধারাবাহিকতায় এ চক্ষু ক্যাম্প আয়োজন করা হয়েছে। ক্যাম্পটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে চিকিৎসকবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবক, বাঁধনের কর্মীবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।"