লোড হচ্ছে...
এই বৈঠকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রতি জাপানের স্বীকৃতি এবং নতুন সরকারের সাথে সহযোগিতা আরো গভীর করার আগ্রহ ফুটে উঠেছে।
২ ঘণ্টা ৩৯ মিনিট আগে

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
৭ ঘণ্টা ৮ মিনিট আগে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে জাপানের বিশেষ স্থান রয়েছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জাপান প্রথমদিকের স্বীকৃতিদানকারী দেশগুলোর একটি এবং স্বাধীনতার পর থেকে দেশটি বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে ভূমিকা রেখে আসছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা, শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার অভিন্ন আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।’
১০ ঘণ্টা ৩৮ মিনিট আগে

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার নির্ধারিত শীর্ষ বৈঠক শেষে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী যৌথ বিবৃতিতে অংশ নেন। এরপর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্যে আয়োজিত অফিসিয়াল ভোজে অংশ নেন দুই প্রধানমন্ত্রী।
১০ ঘণ্টা ৫৪ মিনিট আগে

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, উপপ্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকাকালে তারো আসো বাংলাদেশের সাথে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে ইতিবাচক ও গঠনমূলক ভূমিকা রেখেছেন। বাংলাদেশের সাথে তার দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত সম্পৃক্ততা দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।’
১ দিন আগে

সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ১২টা ১০ মিনিটে সীমিতসংখ্যক সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে বাংলাদেশ বিমানের নিয়মিত ফ্লাইটে জাপানের উদ্দেশে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী।
১ দিন আগে

নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ডিজিটাল রূপান্তর এবং মানবসম্পদ উন্নয়নও দুই প্রধানমন্ত্রীর আলোচনায় স্থান পাবে। দ্বিপক্ষীয় বিষয়গুলোর পাশাপাশি দুই দেশ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা, জ্বালানি সঙ্কট মোকাবেলায় সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সঙ্কটের টেকসই ও শান্তিপূর্ণ সমাধান নিয়ে আলোচনা করবে। দীর্ঘদিনের সম্পর্কের ভিত্তিতে নতুন সহযোগিতা কাঠামো, প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ জোরদার এবং অর্থনৈতিক সুযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে দুই দেশের অংশীদারত্বকে আরো এগিয়ে নেয়াই এ সফরের লক্ষ্য।
৩ দিন আগে

প্রতিবেদনে জানানো হয়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চলতি মাসে জাপান সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে। এ সফরকালে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সাথে তার একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠক শেষে প্রচারিত হতে যাওয়া যৌথ ঘোষণায় এই প্রস্তাবিত বিনিয়োগের বিষয়টি উল্লেখ থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
৪ দিন আগে

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘জাপান বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন সহযোগী। বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের ক্রমবর্ধমান সহযোগিতার জন্য তিনি জাইকাকে ধন্যবাদ জানান। একইসাথে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো শক্তিশালী করতে নতুন প্রকল্প গ্রহণ এবং সহযোগিতা সম্প্রসারণের আহবান জানান।’
১৪ দিন আগে


