
জ্বালানি, প্রযুক্তি, মহাকাশ ও দ্রুতগতির রেল খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব; জাপানে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশের ৭,৩৭৯ পণ্য
বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘ দিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আগামী ৩০ থেকে ৫০ বছরের জন্য নতুন অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক অংশীদারত্বের উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাংলাদেশকে একটি বৈশ্বিক উৎপাদনকেন্দ্রে রূপান্তরের পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি জাপানি উদ্যোক্তাদের এ দেশে বৃহৎ পরিসরে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। জ্বালানি, অবকাঠামো, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মহাকাশ গবেষণা, প্রযুক্তি ও উচ্চগতির রেল যোগাযোগকে দুই দেশের সহযোগিতার সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করেছেন তিনি।
গতকাল বুধবার টোকিওতে জাপানের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সাথে একাধিক বৈঠক, বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামে বক্তব্য এবং প্রবাসী বাংলাদেশীদের সাথে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে জ্বালানি সরবরাহ, অবকাঠামো, শুল্ক ও কর ব্যবস্থাপনায় পূর্বানুমানযোগ্যতা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও জাপানের সম্পর্ককে শুধু উন্নয়ন সহযোগিতার ঐতিহ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। আগামী কয়েক দশকে দুই দেশকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব আরো শক্তিশালী করতে হবে। বাংলাদেশের জনমিতিক সুবিধা, বড় ভোক্তাবাজার এবং তরুণ জনগোষ্ঠীর দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে জাপানি বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করা সম্ভব।
এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য
বাংলাদেশের জনসংখ্যা, তরুণ শ্রমশক্তি এবং ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত শ্রেণীকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বড় সম্পদ হিসেবে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তার বক্তব্য অনুযায়ী, দেশে ১৮ কোটির বেশি মানুষের বাজার রয়েছে। জনসংখ্যার গড় বয়স প্রায় ২৭ বছর। প্রতি বছর ৪০ থেকে ৫০ হাজার শিক্ষার্থী প্রকৌশলে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করছেন।
এই জনশক্তিকে যথাযথ প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের সুযোগের সাথে যুক্ত করা গেলে বাংলাদেশ উৎপাদন ও রফতানির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে বলে মনে করেন তিনি। তার প্রত্যাশা, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের নবম বৃহত্তম ভোক্তা অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে বার্ষিক মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) এক ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।
তবে এ লক্ষ্য অর্জনে শুধু বড় বাজার ও সস্তা শ্রম যথেষ্ট নয়। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি, দক্ষ জনবল, কার্যকর অবকাঠামো, বিনিয়োগবান্ধব নীতিমালা এবং প্রশাসনিক জটিলতা কমানোর মাধ্যমে উৎপাদন খাতের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াতে হবে। জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণের উদ্যোগের সাথে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার বিষয়টিও তাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
৭,৩৭৯ পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার
বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তিকে (ইপিএ) দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তার বক্তব্য অনুযায়ী, চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের সাত হাজার ৩৭৯টি পণ্য জাপানের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশের সুবিধা পাবে। একই সাথে বাংলাদেশেও জাপানি পণ্যের জন্য অগ্রাধিকারমূলক বাজারসুবিধা তৈরি হবে।
এই চুক্তি দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। তবে বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে শুল্কমুক্ত সুবিধাকে বাস্তব রফতানি প্রবৃদ্ধিতে রূপান্তর করা। পণ্যের মান, উৎপাদন সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক সনদ, সরবরাহব্যবস্থা ও বাজার সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা নিশ্চিত না হলে শুধু শুল্কসুবিধা কাজে লাগানো কঠিন হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাপানি কোম্পানিগুলোর প্রধান উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে- নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ, দক্ষ অবকাঠামো এবং পূর্বানুমানযোগ্য শুল্ক ছাড় ও করব্যবস্থা। এসব সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করছে বলে তিনি জানান। নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অবস্থিত জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চলে গাড়ি প্রস্তুতকারক, বড় খুচরা বিক্রেতা ও কৃষিযন্ত্র উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কারখানা স্থাপনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি।
তিন খাতে বিনিয়োগের বিশেষ আহ্বান
ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে জাপানি কোম্পানিগুলোর প্রতি তিনটি প্রধান খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রথমত, জ্বালানি খাত। দেশের ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জ্বালানি অবকাঠামো, দক্ষ বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পে জাপানি বিনিয়োগ চান তিনি। শিল্পায়ন ও উৎপাদন সম্প্রসারণের জন্য নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহকে অপরিহার্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
দ্বিতীয়ত, প্রযুক্তি ও মহাকাশ গবেষণা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ক্লাউড কম্পিউটিং, রোবোটিকস ও ইলেকট্রনিক পণ্য উৎপাদনের জন্য বাংলাদেশ-জাপান প্রযুক্তি পার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। মহাকাশবিজ্ঞান, স্যাটেলাইট প্রকৌশল ও উন্নত প্রযুক্তিতে জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে যৌথ গবেষণা ও উদ্ভাবনের সুযোগ তৈরির আগ্রহও প্রকাশ করেন তিনি।
তৃতীয়ত, উচ্চগতির রেল ও উন্নত যোগাযোগ অবকাঠামো। দেশের ছয়টি প্রধান বিভাগীয় শহরের মধ্যে সংযোগ স্থাপনে উচ্চগতির রেল নেটওয়ার্ক এবং দেশব্যাপী উড়াল সড়ক নির্মাণের বৃহৎ পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। এসব প্রকল্পের মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন, বিনিয়োগ ও অর্থায়নে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী।
বিনিয়োগে আগ্রহ জাপানি প্রতিষ্ঠানের
জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী আকাজাওয়া রিওসেইর সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। জাপানের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে বিনিয়োগের আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে বিবেচনার আগ্রহের কথাও জানানো হয়।
জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেট্রো) প্রেসিডেন্ট কাতাওকা সুসুমুর সাথে বৈঠকেও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, রফতানি বহুমুখীকরণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের বিষয় উঠে আসে। বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে উন্নত উৎপাদনশিল্প, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি, গাড়ি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে জাপানি বিনিয়োগের প্রত্যাশা জানান প্রধানমন্ত্রী।
জেট্রো প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও ভৌগোলিক অবস্থানকে বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। বাংলাদেশের সাথে জাপানি কোম্পানিগুলোর ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা আরো বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি মত দেন।
জাপানের বহুজাতিক পোশাক ও খুচরা বিক্রয় প্রতিষ্ঠান ইউনিক্লোর মূল প্রতিষ্ঠান ফাস্ট রিটেইলিংয়ের চেয়ারম্যান, প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তাদাশি ইয়ানাইয়ের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের সাথেও বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বিশেষ করে ম্যান-মেড ফাইবার, কারিগরি বস্ত্র ও টেকসই পোশাক উৎপাদনে গুরুত্ব দেন। প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষতা উন্নয়ন, পণ্যে উদ্ভাবন এবং পরিবেশবান্ধব উৎপাদনব্যবস্থায় সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা হয়।
জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশনের (জেবিআইসি) গভর্নর আমাকাওয়া কাজুহিকোর সাথে বৈঠকে জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি ও অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটির একটি কার্যালয় খোলার প্রস্তাব গুরুত্বের সাথে বিবেচনার আশ্বাস দেন গভর্নর।
ভাষা শিক্ষা ও প্রবাসীদের ভূমিকা
দুই দেশের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক আরো গভীর করতে বাংলাদেশে জাপানি ভাষা শিক্ষা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারি উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের জাপানি ভাষা শেখানোর কর্মসূচি শুরু হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে বিপুলসংখ্যক তরুণ এই ভাষায় দক্ষতা অর্জন করে দুই দেশের সম্পর্কোন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন।
টোকিওতে প্রবাসী বাংলাদেশী ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের সাথে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেক প্রবাসীকে বাংলাদেশের একজন প্রতিনিধি বা ‘অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। জাপানি ব্যবসায়ী ও নীতিনির্ধারকদের কাছে বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা তুলে ধরতে প্রবাসীদের সক্রিয় ভূমিকার ওপর জোর দেন তিনি।
প্রবাসীদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান, বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পকারখানা চালু এবং ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ করার বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তার বক্তব্যে প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, প্রাথমিক শিক্ষায় সড়ক নিরাপত্তা ও ট্রাফিক সচেতনতা অন্তর্ভুক্ত করা, আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ এবং খাল খননের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনার কথাও উঠে আসে। পাঁচ শতাধিক বন্ধ শিল্পকারখানা আবার চালুর উদ্যোগ এবং ২০২৭ সালের মধ্যে ৪৬টি বড় রাষ্ট্রীয় কারখানা চালুর প্রক্রিয়া চলার কথাও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি শিশু যেন মানসম্মত শিক্ষা ও চিকিৎসা পায়, পেট ভরে খেতে পারে এবং বিশুদ্ধ বাতাসে শ্বাস নিতে পারে- এমন বাংলাদেশ গড়াই সরকারের লক্ষ্য। এ লক্ষ্য অর্জনে রাজনৈতিক মতভেদ পেরিয়ে সংস্কার কার্যক্রমে সমর্থন চান তিনি।
অংশীদারত্বের সুযোগ কাজে লাগানোর চ্যালেঞ্জ
প্রধানমন্ত্রীর টোকিও সফরে জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো, পোশাকশিল্প ও রফতানি বহুমুখীকরণে জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণের যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, তা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ইপিএর শুল্কমুক্ত সুবিধা এবং জাপানি প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তি ও উৎপাদন সক্ষমতা কাজে লাগানো গেলে রফতানি পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানো সম্ভব।
তবে এসব সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ দিতে বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদি আস্থা অর্জন, নীতির ধারাবাহিকতা, দ্রুত প্রশাসনিক অনুমোদন, নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। জাপানি বিনিয়োগের পাশাপাশি দেশীয় শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং স্থানীয় কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন নিশ্চিত করাও জরুরি।
বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ককে আগামী কয়েক দশকের কৌশলগত অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপ দেয়ার লক্ষ্য তাই শুধু বিনিয়োগ আহ্বানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং ঘোষিত পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন, রফতানি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মধ্য দিয়েই এর সাফল্য নির্ধারিত হবে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








