খুলছে তরুণদের কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দুয়ার

মোহাম্মদ জাফর ইকবাল

Advertisement

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে টোকিও যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সফরে জাপানি শ্রমবাজারে বাংলাদেশী তরুণদের অংশীদারত্ব আরো বাড়ার আশা প্রবাসীদের। তারা বলছেন, জাপানি বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাগুলো তুলে ধরার বড় সুযোগ তৈরি হলো এ সফরের মাধ্যমে। সেই সাথে জাপানে প্রবাসী বাংলাদেশীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান এবং নতুন করে দক্ষ জনশক্তি প্রেরণের সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রে এই সফর অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। 
জাপান বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ব্যবসায়ী এমদাদুল ইসলাম মনি নয়া দিগন্তকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এ সফর বাংলাদেশ ও জাপানের বহুদিনের সুদৃঢ় অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরো এক ধাপ এগিয়ে নেবে। জাপানি বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাগুলো তুলে ধরার বড় সুযোগ তৈরি হবে।  সেই সাথে জাপানে প্রবাসী বাংলাদেশীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান এবং নতুন করে দক্ষ জনশক্তি প্রেরণের সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রে এই সফর অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। আমরা আশাবাদী, প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের মধ্য দিয়ে জাপানি শ্রমবাজারে বাংলাদেশী তরুণদের অংশীদারত্ব আরো  বাড়বে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, আগামীকাল রোবববার রাতে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে তিনি জাপানের উদ্দেশে দেশ ত্যাগ করবেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তার চতুর্থ বিদেশ সফর তার। প্রধানমন্ত্রীর সাথে তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ডাক, টেলিযোগাযোগ উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, ইনভেস্ট বাংলাদেশ অথরিটির চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের কর্মসংস্থানবিষয়ক) ড. শাকিরুল ইসলাম খান শাকিলসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মিডিয়া টিম এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ প্রায় দুই ডজন সফরসঙ্গী হচ্ছেন বলে জানা গেছে। 
সরকারের শীর্ষ মহল বলছে, দ্বিপক্ষীয় বিষয়গুলোর পাশাপাশি দুই দেশ আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা, জ্বালানি সঙ্কট মোকাবেলায় সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সঙ্কটের টেকসই ও শান্তিপূর্ণ সমাধান নিয়ে আলোচনা করবে। বিশেষ করে এ সফরে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, মেগা প্রকল্প ও অবকাঠামো খাতে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানো এবং দক্ষ জনশক্তি রফতানির মতো বহুমাত্রিক ইস্যু গুরুত্ব পাবে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী জাপানের টোকিওর চিবা অঞ্চলে এলএনজি টার্মিনাল এবং পাওয়ার প্লান্ট, ইউনিক্লো কোম্পানির হেডকোয়ার্টার এবং নাগোয়াতে গাড়ি নির্মাতা কোম্পানি টয়োটার কারখানা পরিদর্শন করবেন। এ-সংক্রান্ত সফরসূচি প্রাথমিকভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে।
জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে চারটির বেশি সমঝোতাস্মারক (এমওইউ) সই হবে। পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার অর্জন ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা তুলে ধরে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হবে। প্রস্তাবিত সমঝোতাস্মারকগুলোতে কৃষি, মৎস্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি, বেসামরিক বিমান চলাচল, বাণিজ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সফরকে সামনে রেখে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার বিষয়ে প্রায় আটটি দলিল চূড়ান্ত করার প্রস্তুতি চলছে। তবে আলোচনা শেষ হওয়ার ওপর নির্ভর করবে শেষ পর্যন্ত কতটি দলিল সই হবে।
পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম গণমাধ্যমে বলেছেন, আমরা আশা করছি, সফরকালে এসব সমঝোতাস্মারকের অনেকগুলোই সই হবে। প্রত্যাশিত যৌথ বিবৃতিতে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার ফলাফল এবং বাংলাদেশ-জাপান কৌশলগত অংশীদারত্ব এগিয়ে নেয়ার অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী বলেন, প্রস্তাবিত চুক্তিগুলো বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সাথে জাপানের শিল্প-অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতার সংযোগ ঘটিয়ে দুই দেশের সম্পর্ককে আরো বিস্তৃত করতে পারে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এ সফর জাপানের সাথে আমাদের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বে নতুন গতি সঞ্চারের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। প্রস্তাবিত সমঝোতাস্মারকগুলো উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও মানুষের জীবিকার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত খাতগুলোতে সহযোগিতার আরো শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করতে পারে। তিনি আরো বলেন, কৃষি ও মৎস্য খাতে সহযোগিতার ক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ এবং গুণগত মান ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দেয়া উচিত। অন্য দিকে দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি নিয়োগদাতাদের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, ভাষা শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ পাশাপাশি এগিয়ে নিতে হবে। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত কর্মীদের জন্য উন্নত কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা এবং একই সাথে বাংলাদেশের শিল্প খাতের প্রয়োজনীয় দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা।
জাপানি বিনিয়োগ উদ্যোগে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, এতে দেশীয় সরবরাহকারী ও ক্ষুদ্র ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোও সুফল পাবে। তিনি বলেন, বড় বিনিয়োগের পাশাপাশি জাপানের মাঝারি আকারের কোম্পানি ও বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যে অংশীদারত্ব উৎসাহিত করা উচিত। এ ধরনের সহযোগিতা আমাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎপাদন পদ্ধতি, মান নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে সহায়তা করতে পারে। ঢাবির সাবেক ভিসি সফর শেষে একটি বাস্তবায়ন পরিকল্পনা প্রণয়নের পরামর্শ দেন। এতে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা, সময়সীমা এবং অগ্রগতি পর্যালোচনার ব্যবস্থা নির্ধারণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৭ অক্টোবর জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সানায়ে তাকাইচির সাথে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। দুই নেতা নিজ নিজ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন। জাপানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করবেন। তারেক রহমান জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ফোরামে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন। এ ছাড়া তিনি জাপানের ব্যবসায়ী নেতাদের সাথে বৈঠক করে বিনিয়োগের সুযোগ ও বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব নিয়ে আলোচনা করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য কর্মসূচিতে জাপান-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ লিগের প্রতিনিধি এবং জাপান-বাংলাদেশ বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা কমিটির চেয়ারম্যানের সাথে বৈঠকও রয়েছে। জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) প্রেসিডেন্ট, জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশনের (জেবিআইসি) গভর্নর এবং জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেট্রো) প্রেসিডেন্টের সাথেও বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে। সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের সাথে বৈঠকের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। 
জানা গেছে, সমঝোতাস্মারক সইয়ের বাইরেও এ সফরে চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি সই হওয়া অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) বাস্তবায়ন এগিয়ে নেয়া এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বাস্তব চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা হবে।
পররাষ্ট্র সচিব সিয়াম বলেন, আলোচনায় চুক্তি বাস্তবায়ন, জাপানের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের প্রবেশাধিকার বাড়ানো এবং ব্যবসায়িক যোগাযোগ জোরদারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। ঢাকার এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের ব্যয় ৮৩ শতাংশ এবং এমআরটি লাইন-৫ প্রকল্পের ব্যয় ১১৩ শতাংশ বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে অবকাঠামো প্রকল্পের ব্যয় ও অর্থায়নের শর্তও আলোচনায় আসবে। 
ব্যয় বৃদ্ধি এবং জাপানি ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয়ে আলোচনা হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে সিয়াম বলেন, বাংলাদেশ অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তা চেয়েছে। তিনি বলেন, ‘দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অবকাঠামো সহযোগিতার এসব বিষয় অবশ্যই আলোচনায় আসবে।’ তিনি জানান, আলোচনা শুধু মেট্রোরেল প্রকল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। সিয়াম বলেন, ‘আমরা সব দেশ থেকেই কম সুদে ঋণ পেতে চাই’। তিনি উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক অর্থায়নব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট দেশভিত্তিক বিভিন্ন বিষয় আলোচনার ফলাফলকে প্রভাবিত করবে।
জাপান বাংলাদেশে মেট্রোরেল, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ী অবকাঠামো উন্নয়নসহ বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্পে সহায়তা করছে। ২০১৪ সালে চালু হওয়া ‘বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট’ বা ‘বিগ-বি’ উদ্যোগ অবকাঠামো, শিল্প ও আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থার মধ্যে সংযোগ স্থাপনের একটি কাঠামো হিসেবে কাজ করছে।
অধ্যাপক চৌধুরী বলেন, মাতারবাড়ী ও আড়াইহাজারে অবকাঠামো বিনিয়োগের সাথে শিল্প উৎপাদন, স্থানীয় সরবরাহকারী এবং কর্মসংস্থানের সংযোগ ঘটানোর সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, প্রস্তুত জমি, নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ, পরিবহন যোগাযোগ এবং অনুমোদন পাওয়ার পূর্বানুমেয় প্রক্রিয়া বিনিয়োগকারীদের আগ্রহকে কার্যকর ব্যবসায় রূপ দিতে সহায়তা করবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ডিজিটাল রূপান্তর এবং মানবসম্পদ উন্নয়নও দুই প্রধানমন্ত্রীর আলোচনায় স্থান পাবে। দ্বিপক্ষীয় বিষয়গুলোর পাশাপাশি দুই দেশ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা, জ্বালানি সঙ্কট মোকাবেলায় সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সঙ্কটের টেকসই ও শান্তিপূর্ণ সমাধান নিয়ে আলোচনা করবে। দীর্ঘদিনের সম্পর্কের ভিত্তিতে নতুন সহযোগিতা কাঠামো, প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ জোরদার এবং অর্থনৈতিক সুযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে দুই দেশের অংশীদারত্বকে আরো এগিয়ে নেয়াই এ সফরের লক্ষ্য।
এ দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এ সফর ঘিরে জাপানে প্রবাসী বাংলাদেশীরা বেশ উচ্ছ্বসিত। তারা প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের স্বাগত জানাতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন। জাপানে প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটির নেতাদের প্রত্যাশা- বাংলাদেশ ও জাপানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো গভীর হোক। প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হোক এবং জাপানে অর্জিত অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হোক।
জাপান বিএনপির সভাপতি ও ব্যবসায়ী রেজা মীর নয়া দিগন্তকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন জাপান সফর প্রবাসীদের জন্য অত্যন্ত খুশির ও গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে টোকিওর নারিতা বিমানবন্দরে দলমত নির্বিশেষে আমরা সবাই যাবো। এরই মধ্যে সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। আশা করছি, প্রধানমন্ত্রী প্রবাসী ও ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সঙ্কট সমাধানে পদক্ষেপ ও সিদ্ধান্ত নেবেন।
প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারিতে নতুন সরকার গঠনের পর ২২ থেকে ২৬ জুন প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেন। তারপর জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে গত ২১-২৫ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে যান প্রধানমন্ত্রী, যা ছিল তার তৃতীয় বিদেশ সফর।