লোড হচ্ছে...
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, সন্ত্রাসী কর্মে জড়িতদের কোনো দলীয় পরচয় বিবেচ্য নয়, তদন্ত জড়িত প্রমাণ মিললেই বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
২৬ দিন আগে

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ‘আইটি বিশেষজ্ঞ, গণমাধ্যম পেশাজীবী, মানবাধিকার সংস্থা এবং অন্যান্য অংশীজনদের সাথে ব্যাপক আলোচনার পরই সরকার বিলটি চূড়ান্ত করবে।’
২৮ দিন আগে

দুই দেশের মধ্যে সুদীর্ঘ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরের সীমান্ত নিরাপত্তা আধুনিকীকরণ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা, সিঙ্গাপুরের রাজনৈতিক ইতিহাসসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
২৯ দিন আগে

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতে ইমিগ্রেশন ও সীমান্ত নিরাপত্তায় প্রযুক্তিগত সহায়তার আগ্রহ জানান সিঙ্গাপুরের বিদায়ী চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স।
২৯ দিন আগে

শৃঙ্খলিত বাহিনীর মাধ্যমে পরিচালিত ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম প্রধান গুণ হলো নিয়ম-কানুন ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা। কমিউনিটি ব্যাংকের নন-পারফর্মিং অ্যাসেট বা খেলাপি ঋণের স্বল্প হারের প্রশংসা করে তিনি বলেন, নিঃসন্দেহে দেশের ব্যাংকিং খাতের জন্য এটি একটি অনন্য দৃষ্টান্ত এবং এটি ব্যাংকের শৃঙ্খলারই বহিঃপ্রকাশ।
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে গণহত্যায় জড়িত প্রত্যেকের বিচার নিশ্চিত করা হবে এবং প্রয়োজনে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা আরো বাড়ানো হবে।
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

‘যারা ফ্যাসিবাদ ও আওয়ামী শক্তির দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পারবে, তাদের আমরা পুরস্কৃত করব।’
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জন-আকাঙ্ক্ষা অনুধাবন করে এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের মানদণ্ড বজায় রেখে র্যাবসহ (বর্তমানে এসআরবি) বিভিন্ন সংস্থার সংস্কার ও আইনি কাঠামোর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হয়েছে। এর পাশাপাশি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নকে (এপিবিএন) আরো আধুনিকায়ন করতে নতুন আইন প্রণয়ন করা হয়েছে এবং তাদেরকে ক্ষেত্রমতে প্রয়োজনীয় তদন্তের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বৈঠকে সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার উন্নয়ন, সংসদীয় স্থায়ী কমিটির গঠন ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি, প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন ২০২৬ ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হয়।
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বিশেষ কমিটির সামনে মূল প্রশ্ন শুধু কোন অনুচ্ছেদ সংশোধন হবে তা নয়; বরং রাষ্ট্রের নির্বাহী, আইনসভা ও বিচার বিভাগের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য কিভাবে নির্ধারিত হবে, ভবিষ্যৎ সরকারগুলোর ক্ষমতা ব্যবহারের সীমা কোথায় থাকবে এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো কিভাবে অধিক জবাবদিহির মধ্যে আসবে- এসব বিষয়ও আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আমরা সকল জঘন্য অপরাধের ঘটনা দ্রুততম সময়ে উদ্ঘাটন করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পেরেছি।’
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, নিহত পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারের সার্বিক কল্যাণে ইতোমধ্যে পুলিশ অধিদফতরের কল্যাণ তহবিল থেকে ৬ লাখ টাকার আর্থিক অনুদান দেয়া হয়েছে। এছাড়া নিহতের পারিবারিক ব্যবসা সচল রাখার সুবিধার্থে ‘কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড’ থেকে প্রয়োজনীয় ঋণসহ সার্বিক সহায়তার ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দুর্বল আইনের ফাঁক গলে যেন অপরাধীরা পার না পেতে পারে, সে জন্য প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কার ও নতুন আইন প্রণয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বর্তমানে পুলিশ বাহিনীতে প্রকৌশল, আইটি বা কম্পিউটার সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ডের অনেক সদস্য কর্মরত রয়েছেন। তাদের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে একজন অ্যাডিশনাল আইজিপির নেতৃত্বে সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা চলছে।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

‘প্রয়োজনে বিদেশ থেকে ট্রেইনার এনে বা প্রয়োজনীয় আধুনিক সুবিধা গড়ে তুলে কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি করা হবে, যাতে পুলিশ বাহিনী সাইবার স্পেসসহ যেকোনো অপরাধ মোকাবেলায় সর্বাত্মক প্রস্তুত থাকতে পারে।’
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


