লোড হচ্ছে...
জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে পরিবহন ও পণ্য সরবরাহের ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা থাকে। এ কারণে সরবরাহব্যবস্থার কোথাও অসংগতি তৈরি হলে তার প্রভাব পণ্যের দামে পড়তে পারে। সরকার সেই জায়গাগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়ার চেষ্টা করছে।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে আইএমএফের কোনো শর্তের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত করে দেখার সুযোগ নেই। সরকারের মূল বিবেচনা হচ্ছে জ্বালানি, গ্যাস ও বিদ্যুতে দেয়া ভর্তুকির পরিমাণ কমানো এবং এ ক্ষেত্রে কতটা সমন্বয় করা হবে, তা নির্ধারণ করা।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সিলেট মহানগরী আমির বলেন, ‘জনগণের কল্যাণের পরিবর্তে সরকার একের পর এক এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, যা জনজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।’
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

‘সিন্ডিকেট ও দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করতেই বারবার জনগণের ওপর এই মূল্যবৃদ্ধির বোঝা চাপানো হচ্ছে।’
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বাড়লে দেশকেও এর অর্থনৈতিক চাপ বহন করতে হয়। সরকার ভোক্তাদের ওপর পুরো চাপ একবারে না দিয়ে একটি অংশ বহন করলে শেষ পর্যন্ত তা রাষ্ট্রীয় অর্থব্যবস্থার ওপরই পড়ে। তাই জ্বালানির দক্ষ ও সাশ্রয়ী ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বাংলাদেশে মূল্য সর্বনিম্ন পর্যায়ে থাকায় প্রবাসী ভাইদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রায় কেনা জ্বালানি প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোতে পাচার হওয়ার বড় ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। এমতাবস্থায় সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা ও পাচার ঠেকাতে এই সমন্বয় জরুরি হয়ে পড়েছিল।
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

একদিকে সরকারের লোকজন দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে স্বল্প, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের পকেট কাটছে, অন্যদিকে নানা ধরনের খোঁড়া অজুহাত দেখিয়ে সরকার বারবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে মানুষের জীবনযাপন আরো কঠিন করে তুলছে।
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দেশে চার ধরনের প্রধান জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার। নতুন দামে ডিজেল প্রতি লিটার ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


