আন্তর্জাতিক রেফারি ব্যাজ অর্জন করা বাংলাদেশের দুই রেফারি শান্ত মিয়া ও মো: আলমগীর
আন্তর্জাতিক রেফারি ব্যাজ অর্জন করা বাংলাদেশের দুই রেফারি শান্ত মিয়া ও মো: আলমগীর। সংগৃহীত

বাংলাদেশের হ্যান্ডবল অঙ্গনে যুক্ত হলো এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল রেফারির ব্যাজ অর্জন করেছেন বাংলাদেশের দুই রেফারি শান্ত মিয়া ও মো: আলমগীর। এশিয়ান হ্যান্ডবল ফেডারেশনের (এএইচএফ) স্বীকৃতি লাভের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের নতুন এক দ্বার উন্মোচিত হলো।

Advertisement

এশিয়ান হ্যান্ডবল ফেডারেশনের উদ্যোগে পাকিস্তানের ফয়সালাবাদে গত ২২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ‘কন্টিনেন্টাল হ্যান্ডবল রেফারিজ কোর্স’-এ সফলভাবে অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জন করেন বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের (বিএইচএফ) এই দুই রেফারি।

সোমবার কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে তাদের হাতে এশিয়ান হ্যান্ডবল ফেডারেশনের আন্তর্জাতিক রেফারি ব্যাজ তুলে দেন কোর্স পরিচালক ও এএইচএফের প্লেয়িং রুলস কমিশন (পিআরসি) চেয়ারম্যান সালেহ বিন আশওর। এই স্বীকৃতির ফলে এখন থেকে এশিয়ার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় রেফারির দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাবেন শান্ত মিয়া ও মো: আলমগীর।

১৯৮৩ সালে বাংলাদেশে হ্যান্ডবলের যাত্রা শুরুর পর থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খেলোয়াড়, কোচ ও সংগঠকদের পাশাপাশি রেফারিরাও দেশের প্রতিনিধিত্ব করে আসছেন। ইন্টারন্যাশনাল হ্যান্ডবল ফেডারেশন (আইএইচএফ) ও এশিয়ান হ্যান্ডবল ফেডারেশনের আমন্ত্রণ ও অনুমোদনে বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন রেফারি দেশে-বিদেশে আন্তর্জাতিক ম্যাচ পরিচালনার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তবে এতদিন বাংলাদেশের কোনো রেফারির ঝুলিতে ছিল না এএইচএফের আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক রেফারি ব্যাজ। শান্ত ও আলমগীরের এই অর্জনের মধ্য দিয়ে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটল।

এটি কেবল দুই রেফারির ব্যক্তিগত অর্জন নয়; বরং বাংলাদেশের হ্যান্ডবল, বিশেষ করে রেফারিংয়ের মানোন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে দেশের অবস্থান সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। তাদের এই সাফল্য ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য রেফারির জন্যও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

কোর্সে অংশগ্রহণের জন্য গত ২২ অক্টোবর পাকিস্তানের উদ্দেশে দেশ ত্যাগ করেন শান্ত ও আলমগীর। আগামী ৬ নভেম্বর তাদের দেশে ফেরার কথা রয়েছে। বাসস