
চার মাসের চোটের কারণে টেনিস থেকে দূরে থাকার পর ফিরে এসে প্রথম শিরোপা জিতেছেন কার্লোস আলকারাজ। মঙ্গলবার জাপান ওপেনের ফাইনালে চেক প্রজাতন্ত্রের জিরি লেহেচকাকে ৭-৬ (৭/৪), ৬-৪ গেমে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হন তিনি।
শীর্ষ বাছাই ও গতবারের চ্যাম্পিয়ন আলকারাজকে টোকিওতে বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের ১৯ নম্বরে থাকা লেহেচকা বেশ কঠিন পরীক্ষায় ফেলেছিলেন। শেষ পর্যন্ত ফেব্রুয়ারিতে কাতার ওপেন জয়ের পর প্রথমবার কোনো টুর্নামেন্টের শিরোপা হাতে তুললেন আলকারাজ।
কবজির চোট কাটিয়ে ফেরার পর এটি আলকারাজের তৃতীয় টুর্নামেন্ট। এর আগে তিনি ইউএস ওপেনের কোয়ার্টার-ফাইনাল পর্যন্ত খেলেন এবং লেভার কাপেও অংশ নেন।
আলকারাজ বলেন, ‘অনেক নেতিবাচক চিন্তা এ সময়ে মাথায় এসেছে। সুস্থ হয়ে ফিরতে পারব কি না, আগের মতো থাকতে পারব কি না। অনেক চিন্তা মাথায় এসেছিল, কিন্তু আমি সবসময় সেগুলো দূরে সরিয়ে রাখার চেষ্টা করেছি।’
‘আমি ও আমার দল জানতাম, যখন ফিরব তখন শতভাগ সুস্থ থাকব। আর যদি কিছু অনুভব করি, সেটি কোনো সমস্যা হবে না।’
এটি চলতি বছরে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনসহ আলকারাজের তৃতীয় শিরোপা এবং ক্যারিয়ারের ২৭তম শিরোপা।
বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর খেলোয়াড় ইয়ানিক সিনার হাঁটুর চোটের কারণে চলতি মৌসুম আগেভাগেই শেষ করার ঘোষণা দেয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই আলকারাজের এই জয় আসে।
ফাইনালে নামার আগে লেহেচকার বিপক্ষে আগের লড়াইয়ে আলকারাজ ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন। চলতি বছরে নিজের প্রথম শিরোপা জয়ের লক্ষ্য ছিল লেহেচকার।
আত্মবিশ্বাসী লেহেচকা শুরুতেই আলকারাজের সার্ভিস ব্রেক করেন। ফলে শীর্ষ বাছাই স্প্যানিশ খেলোয়াড়কে শুরুতেই অস্বস্তিতে ফেলেন তিনি।
প্রথম সেটের মাঝামাঝি সময়ে দীর্ঘ এক লড়াইয়ের পর লেহেচকার সার্ভিস ব্রেক করেন আলকারাজ। পরের গেমেই দুর্দান্ত শক্তিশালী টেনিস প্রদর্শন করেন।
তবে লেহেচকাকে সহজে ভাঙা যায়নি। টাইব্রেকারে প্রথম সেট জিততে আলকারাজকে পরপর দুটি অসাধারণ ড্রপ শট খেলতে হয়।
দ্বিতীয় সেটেও লেহেচকা আলকারাজকে বেশ সমস্যায় ফেলেন। তবে সেটের মাঝামাঝি সময়ে একবার প্রতিপক্ষের সার্ভিস ভেঙে এগিয়ে যান গতবারের চ্যাম্পিয়ন। এরপর আর কোনো ভুল না করে জয় নিশ্চিত করেন তিনি।
বুধবার থেকে শুরু হতে যাওয়া সাংহাই মাস্টার্সে খেলার কথা রয়েছে আলকারাজের।
গত বছর টোকিওতে শিরোপা জয়ের পর শেষ মুহূর্তে সাংহাই টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করেছিলেন তিনি। সে সময় শারীরিক সমস্যা দেখিয়ে টেনিসের ব্যস্ত সূচি নিয়েও সমালোচনা করেছিলেন আলকারাজ।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








