মাওলানা আবদুল হালিম
তা’লীমুল কুরআন ফাউন্ডেশনের স্কিল ডেভেলপমেন্ট কোর্স। নয়া দিগন্ত

‘তা’লীমুল কুরআন ফাউন্ডেশন’র সেক্রেটারি মাওলানা আবদুল হালিম বলেছেন, আল কোরআন হলো অহী-ভিত্তিক শিক্ষার প্রধান ভিত্তি। ‘তা’লীমুল কুরআন’র মূল কাজ কোরআনের শিক্ষায় সকল মানুষকে উজ্জীবিত করা। 

Advertisement

তিনি বলেন, আমরা অসংখ্য মানুষকে কোরআন শেখাতে পারিনি। অথচ কোরআনের শিক্ষা ছাড়া সৎ ও নৈতিকতা সম্পন্ন মানুষ তৈরি হয় না। তা’লীমুল কুরআনের মুয়াল্লিমগণ (পুরুষ ও নারী) নিজেদেরকে যোগ্য করে গড়ে তুলবে এবং প্রতিটি গ্রাম, মহল্লায়, মসজিদে সর্বত্র কোরআন তা’লীমের কাজ ছড়িয়ে দেয়ার দায়িত্ব পালন করবে। 

বুধবার (২১ অক্টোবর) ঢাকায় তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা অডিটোরিয়ামে বাছাইকৃত মুয়াল্লিমদের (পুরুষ ও নারী) নিয়ে আয়োজিত ৫ দিনব্যাপী স্কিল ডেভেলপমেন্ট কোর্সে  উপস্থিত ডেলিগেটদের উদ্দেশে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। 

তা’লীমুল কুরআন ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় প্রোগ্রাম অফিসার মাওলানা শরিয়ত উল্লাহর সঞ্চালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন তা’লীমুল কুরআন ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় প্রধান উস্তায মাওলানা আবদুর রহিম, কেন্দ্রীয় উস্তায মাওলানা বোরহান উদ্দিন, হাফেজ জাকির হোসাইন এবং কেন্দ্রীয় প্যানেল উস্তায মাওলানা জাকারিয়া ও আদর্শ মক্তব প্রকল্পের ইনচার্জ মাওলানা নূরুল আওয়াল।

এ সময় মাওলানা আবদুল হালিম আরো বলেন, দ্বীনের দাওয়াত ও কোরআনের কথা বললে যদি বাধা না এসে হাদিয়া মিলে, তবে তা শিরকের বিরুদ্ধে তাওহীদের দাওয়াত নয়। নবী আদম আ: থেকে মুহাম্মদ সা: পর্যন্ত সকলের একই দ্বীন ছিল। তারা দাওয়াতের মাধ্যমে মানুষকে হেদায়েতের পথে পরিচালনা করেছেন। শেষ নবী মুহাম্মদ সা:-এর দাওয়াতের শ্রেষ্ঠ হাতিয়ার হলো আল কোরআন। 

তিনি আরো বলেন, কিছু ব্যক্তি নানা বিষয়ে ইখতেলাফ করে ফতোয়া দেয়, এতে উম্মাহ ক্ষতিগ্রস্থ হয় ও মানুষ বিভ্রান্ত হয়। দ্বীনি ইলম বা ওহী-ভিত্তিক ইলম বোঝা বা অনুধাবন- আল্লাহ প্রদত্ত তাওফিকের বিষয়।