
- ৩টি জরাজীর্ণ ৩১ শয্যার ভবন ভেঙে নতুন ১৩২ শয্যার করা
- চিকিৎসা সরঞ্জামেই খরচ প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা
- ২০০ মোটরসাইকেল কেনার প্রস্তাব
দেশের উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সগুলোর বেশির ভাগের অবস্থা নাজুক ও জরাজীর্ণ। স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স ও স্বাস্থ্যসেবার চেহারা বদলাতে ৪৪ হাজার ৭৫৭ কোটি টাকার বিশাল মেগাপ্রকল্প প্রস্তাব করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। দেশের ৪৪৩টি উপজেলায় নতুন হাসপাতাল ভবন নির্মাণ, শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধি, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সংযোজন এবং জরাজীর্ণ অবকাঠামো সংস্কারের পরিকল্পনা রয়েছে এই মেগাপ্রকল্পে। কিন্তু হাসপাতাল আধুনিকায়নের এই উদ্যোগের ব্যয় পরিকল্পনা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে পরিকল্পনা কমিশনের সংশ্লিষ্ট প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি (পিইসি)। কোথাও আসবাবপত্র কেনার জন্য প্রতিটি হাসপাতালে ৬ থেকে ৭ কোটি টাকা, কোথাও চিকিৎসা সরঞ্জামে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা, আবার প্রকল্প তদারকির জন্য ২০০টি মোটরসাইকেল কেনার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এসব ব্যয়কে অত্যধিক বিবেচনা করে যুক্তিসঙ্গতভাবে কমানোর নির্দেশনা দিয়েছে পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগ।
পরিকল্পনা কমিশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু ব্যয় কমানোই নয়, হাসপাতালের নকশা পুনর্বিবেচনা, জনসংখ্যার ভিত্তিতে শয্যাসংখ্যা নির্ধারণের নীতিমালা, জমি অধিগ্রহণের নিশ্চয়তা এবং ভবন নির্মাণের পর চিকিৎসক-নার্সসহ প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করার কর্মপরিকল্পনাও চেয়েছে পিইসি। অর্থাৎ হাসপাতাল নির্মাণের বিশাল পরিকল্পনার পাশাপাশি সেগুলো কার্যকরভাবে চালু রাখার প্রস্তুতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
৪৪৩টি উপজেলায় নতুন করে সংস্কার ও নির্মাণ :
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের প্রস্তাবনা ও গণপূর্ত অধিদফতরের ফিল্ড সার্ভে থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, দেশের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বর্তমান হাসপাতাল ভবনগুলোর বয়সভিত্তিক সমীক্ষা পরিচালনা করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, ১৯৬১ সাল পূর্ববর্তী সময়ে ১ শতাংশ, ১৯৬১-৮০ সালের মধ্যে ২৬ শতাংশ, ১৯৮১-৯০ সালের মধ্যে ১৭ শতাংশ, ১৯৯১-২০০০ সালের মধ্যে ৫ শতাংশ এবং ২০০১ সাল পরবর্তী সময়ে ৫১ শতাংশ ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এরই আলোকে ৩০৫টি উপজেলায় নতুন ১০১ শয্যার ৮তলা ভিত বিশিষ্ট ৭তলা হাসপাতাল ভবন, ৮৩টি উপজেলায় জরাজীর্ণ ৩১ শয্যার ভবন ভেঙ্গে নতুন ১৩২ শয্যার ৮ তলা ভিত বিশিষ্ট ৭ তলা হাসপাতাল ভবন, ১৩টি উপজেলায় নতুন ১২০ শয্যার ৮ তলা ভিত বিশিষ্ট ৭ তলা হাসপাতাল ভবন, ৯টি উপজেলায় নতুন ১৫১ শয্যার ৮ তলা ভিত বিশিষ্ট ৭ তলা হাসপাতাল ভবন এবং ১৮টি উপজেলায় ৬তলা ভিত বিশিষ্ট ৫ তলা নতুন ৫১ শয্যার হাসপাতাল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এর বাইরে নবসৃষ্ট ১৫টি উপজেলায় ৮ তলা ভিতবিশিষ্ট ৭ তলা ভবন, ৬ তলা ডক্টরস কোয়ার্টার, নার্সেস কোয়ার্টার, সুপিরিয়র ডরমিটরি (স্টুডিও এপার্টমেন্ট), ৫ তলা স্টাফ ডরমিটরি, ৩ তলা মসজিদ নির্মাণ করা হবে। সর্বমোট ৪৪৩টি উপজেলায় হাসপাতাল ভবন নির্মাণ করা হবে। সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে এই প্রকল্পটি সমাপ্ত করার সময় ধরা হয়েছে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত, তিন বছর। তবে পরিকল্পনা কমিশন থেকে চার বছরের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
যন্ত্রপাতিতেই ১২ হাজার কোটি টাকা!
পর্যালোচনা থেকে জানা গেছে, প্রকল্পের ব্যয় নিয়ে পিইসির সবচেয়ে বড় আপত্তির একটি চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার প্রস্তাব। প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালে গড়ে প্রায় ২৮ কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার সংস্থান রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে এ খাতে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। পিইসি এই ব্যয়কে অত্যধিক বলে মন্তব্য করেছে। কমিটির নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রথমে প্রতিটি হাসপাতালের বিদ্যমান যন্ত্রপাতির তালিকা তৈরি করতে হবে। এরপর কোন হাসপাতালে কী ধরনের যন্ত্রপাতি প্রয়োজন, তার একটি চাহিদাপত্র প্রস্তুত করতে হবে। মন্ত্রণালয় পর্যায়ের কারিগরি কমিটির মাধ্যমে যন্ত্রপাতির ধরন, পরিমাণ ও দাম যাচাই করে ব্যয় কমাতে হবে। পাশাপাশি যন্ত্রপাতির দরের উৎসও ডিপিপিতে উল্লেখ করতে হবে। এ দিকে, আসবাবপত্র কেনার প্রস্তাব নিয়েও আপত্তি রয়েছে। প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালে ৬ থেকে ৭ কোটি টাকার আসবাবপত্র কেনার সংস্থান রাখা হয়েছে। পিইসির কাছে এই ব্যয়ও অত্যধিক মনে হয়েছে। বিদ্যমান আসবাবপত্রের তালিকা তৈরি করে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন কেনাকাটার পরিমাণ নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া প্রকল্পের রাজস্ব ব্যয়, প্রচার ও বিজ্ঞাপন, বৈদেশিক প্রশিক্ষণ এবং কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক খরচ পুনর্বিবেচনার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। দুই কোটি টাকার বৈদেশিক প্রশিক্ষণের প্রস্তাব বাদ দিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার পরামর্শ দিয়েছে কমিটি। প্রকল্পের তদারকির জন্য ২০০টি মোটরসাইকেল কেনার প্রস্তাবও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। পিইসির মতে, এই সংখ্যা অত্যধিক। প্রকৃত প্রয়োজনের ভিত্তিতে মোটরসাইকেলের সংখ্যা কমিয়ে আনতে হবে।
নবসৃষ্ট প্রতিটি উপজেলায় শুধু ভবনেই ১২৮ কোটি টাকা :
প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন ধরনের হাসপাতাল ভবন নির্মাণে বিপুল অর্থ ব্যয়ের প্রস্তাব রয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণ বাদে নবসৃষ্ট প্রতিটি উপজেলা কমপ্লেক্সের জন্য আনুমানিক ১২৮ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। ১০১ শয্যার হাসপাতাল ভবন নির্মাণে প্রতিটির ব্যয় ৬৩ থেকে ৬৬ কোটি টাকা, ১৩২ শয্যার ভবনে ৬৩ থেকে ৬৭ কোটি টাকা, ১৫১ শয্যার ভবনে ৭৩ থেকে ৭৬ কোটি টাকা এবং ৫১ শয্যার ভবনে প্রায় ৩৭ কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। এ দিকে, পিইসি ভবন নির্মাণের প্রতি বর্গফুটের ব্যয় কিভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে, তার বিস্তারিত হিসাব চেয়েছে। একই সাথে ভবনের লে-আউট ও স্থাপত্য নকশা পুনর্বিবেচনার নির্দেশনা দিয়েছে। যাতে কোনো ফ্লোর বা জায়গা অব্যবহৃত না থাকে এবং নির্মাণ ব্যয়ের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হয়। আর প্রতিটি ভবনকে জ্বালানিসাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব গ্রিন বিল্ডিং হিসেবে নির্মাণের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত আলো-বাতাস, প্রতিবন্ধীবান্ধব র্যাম্প, জরুরি বহির্গমন পথ এবং অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
২০ উপজেলায় জমি অধিগ্রহণ
নথির তথ্য বলছে, প্রকল্পের আওতায় নবসৃষ্ট ১৫টি উপজেলাসহ মোট ২০টি উপজেলায় ৫৫ একর জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হবে। এ জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩০ কোটি টাকা। জমি অধিগ্রহণে কোনো আইনি বা প্রশাসনিক জটিলতা রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের প্রত্যয়নপত্র ডিপিপির সাথে সংযুক্ত করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ দিকে কোন উপজেলায় কত শয্যার হাসপাতাল প্রয়োজন, তা নির্ধারণের জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা নেই বলে সভায় উল্লেখ করা হয়। জনসংখ্যা, রোগীর চাপ ও স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবার চাহিদা বিবেচনায় শয্যাসংখ্যা নির্ধারণের নীতিমালা প্রণয়নের সুপারিশ করেছে কমিটি।
নকশায় বদল ও ‘সবুজ ভবন’ ভাবনা
পরিকল্পনা কমিশন বলছে, ভবনগুলির ফ্লোর স্পেস যাতে অব্যবহৃত না থাকে, সেজন্য লে-আউট প্ল্যান বা নকশা নতুন করে পুনর্বিবেচনার নির্দেশ দিয়েছেন পিইসি সভাপতি। বিদ্যুৎ খরচ কমাতে প্রতিটি ভবনকে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসযুক্ত ‘এনার্জি এফিশিয়েন্ট গ্রিন বিল্ডিং’ হিসেবে গড়ে তোলার ওপর জোর দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া র্যাম্প, জরুরি বহির্গমন ও আধুনিক অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ২০টি উপজেলায় ভূমি অধিগ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকদের প্রত্যয়নপত্রও জমা দিতে বলা হয়েছে।
আধুনিক চিকিৎসাসেবার পরিকল্পনা-ডিজি হেলথ
এ দিকে, স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য হলো, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসাসেবার পরিধি বাড়বে এবং জেলা ও বিভাগীয় হাসপাতালের ওপর রোগীর চাপ কমবে। নিরাপদ মাতৃত্ব, সিজারিয়ান অপারেশন, নবজাতক ও শিশুর চিকিৎসা এবং মাতৃ ও শিশুমৃত্যু কমানোর ক্ষেত্রে প্রকল্পটি ভূমিকা রাখবে। এ ছাড়া উপজেলা পর্যায়ে কিডনি ডায়ালাইসিস, চক্ষু চিকিৎসা, ক্যান্সার স্ক্রিনিং, ফিজিওথেরাপি, আইসিইউ, সিসিইউ, ওয়ান-স্টপ ইমার্জেন্সি সেন্টার এবং আধুনিক অপারেশন থিয়েটার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। হাসপাতালগুলোতে কেন্দ্রীয় মেডিক্যাল গ্যাস সরবরাহ, মেডিক্যাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, স্যুয়েজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, নিরাপদ পানি, ড্রেনেজ ও অগ্নিনিরাপত্তার ব্যবস্থাও থাকবে।
শর্ত নতুন করে সাজাতে হবে ডিপিপি
পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রকল্পটির ডিপিপি অনুমোদনের সুপারিশ করেছে বেশ কিছু শর্ত পূরণ সাপেক্ষে। এর মধ্যে রয়েছে নির্মাণ ব্যয় ও চিকিৎসা সরঞ্জামের ব্যয় যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা, জনসংখ্যার ভিত্তিতে শয্যাসংখ্যা নির্ধারণের নীতিমালা তৈরি, জমি অধিগ্রহণের নিশ্চয়তা এবং ভবনগুলোর নকশা পুনর্বিবেচনা। এ ছাড়া প্রকল্পের ক্রয় পরিকল্পনা বাস্তবসম্মত করা, আর্থিক ক্ষমতা অর্পণসংক্রান্ত নীতিমালা অনুযায়ী অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ, দরপত্রে প্রশিক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের শর্ত যুক্ত করা এবং প্রকল্পের অর্থায়নের নিশ্চয়তা দিতে হবে। উপজেলা ও জেলা হাসপাতালের মধ্যে ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থার মাধ্যমে রেফারাল নেটওয়ার্ক তৈরির উদ্যোগও ডিপিপিতে যুক্ত করার সুপারিশ করেছে পিইসি। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে আধুনিক মাধ্যমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট প্রতিষ্ঠা, মা ও শিশুর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা এবং মেডিক্যাল বর্জ্যরে নিরাপদ ব্যবস্থাপনার যে অঙ্গীকার রয়েছে, প্রকল্পটি তার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে সভায় উল্লেখ করা হয়।
পরিকল্পনা কমিশনের উদ্বেগ :
পরিকল্পনা কমিশনের সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রকল্পের আলোচনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় উঠে এসেছে- অবকাঠামো নির্মাণের পর হাসপাতালগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু রাখার সক্ষমতা। স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন প্রকল্পে ভবন নির্মাণ শেষ হলেও চিকিৎসক, নার্স, টেকনিশিয়ান, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, ওষুধ ও অন্যান্য লজিস্টিকসের অভাবে কাক্সিক্ষত সেবা চালু করা যায় না। পিইসির সভায় এ বিষয়টি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। কারণ যন্ত্রপাতি কিনে ফেলে রাখা হয়। নষ্ট হয়ে যায় ব্যবহার না করার জন্য। প্রকল্প শেষ হওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ, যন্ত্রপাতি স্থাপন, ওষুধ সরবরাহ এবং অন্যান্য লজিস্টিকস নিশ্চিত করার সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা ডিপিপিতে যুক্ত করতে হবে। চিকিৎসক, নার্স, ল্যাব কর্মী, দক্ষ টেকনিশিয়ান ও সহায়ক জনবল নিয়োগের বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী এগিয়ে নিতে হবে। অর্থ বিভাগের জনবল নির্ধারণ কমিটির সুপারিশও ডিপিপিতে সংযুক্ত করতে হবে। তারা বলেন, শুধু নির্মাণকাজ শেষ করেই প্রকল্পের দায়িত্ব শেষ করা যাবে না। হাসপাতালগুলোর ভবিষ্যৎ রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচালনা, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও জনবল নিশ্চিত করার জন্য একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ এক্সিট প্ল্যানও চেয়েছে পিইসি।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








