
আসন্ন রমজান মাস উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় ১০ ধরনের ভোগ্যপণ্য আমদানিতে ক্যাশ মার্জিন (নগদ) সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একইসাথে অভ্যন্তরীণ বাজারে এসব পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এলসি খোলার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয়ার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
রোববার (৮ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে দেশের সব তফসিলী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
সার্কুলারে বলা হয়, আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে চাল, গম, পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, মটর, মসলা ও খেজুরের চাহিদা বাড়বে। এ অবস্থায় এসব পণ্যের আমদানি সহজ করার মাধ্যমে বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের হাতের নাগালের মধ্যে রাখতে নগদ মার্জিন সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, চাল, গম (আটা), পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্যতেল (সয়াবিন ও পাম অয়েল), চিনি, ছোলা, মটর, মসলা ও খেজুর আমদানির ক্ষেত্রে ব্যাংকার, গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে নগদ মার্জিনের হার সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখতে হবে। অর্থাৎ এসব পণ্য আমদানির জন্য এলসি খুলতে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বেশি হারে নগদ অর্থ জমা নেয়ার পরিবর্তে ব্যাংক ও গ্রাহকের সম্পর্ক বিবেচনায় নিয়ে মার্জিন নির্ধারণ করতে হবে।
এছাড়া অভ্যন্তরীণ বাজারে উল্লিখিত পণ্যগুলোর সরবরাহ নিশ্চিত করতে এলসি খোলার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয়ার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মাধ্যমে রমজানের আগে প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি বাড়ানো এবং সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
সাধারণত আমদানি ঋণপত্র খোলার সময় ব্যাংক আমদানিকারকের কাছ থেকে পণ্যের মূল্য বা এলসির বিপরীতে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ নগদ মার্জিন হিসেবে জমা নেয়। মার্জিনের হার বেশি হলে আমদানিকারকের নিজস্ব মূলধনের প্রয়োজন বাড়ে। অন্যদিকে মার্জিন কম হলে ব্যবসায়ীরা তুলনামূলক কম নিজস্ব অর্থ দিয়ে আমদানি কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নির্দেশনাটি অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








