
নিজস্ব প্রতিবেদক
সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশের চিকিৎসা ও শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন অধ্যাপক ডা. এম এ হাদী। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরির কোর্সকে তিনি ঢাকার বাইরেও ছড়িয়ে দিয়েছেন। চিকিৎসা ও চিকিৎসা শিক্ষা ক্ষেত্রে তার মধ্যে ছিল ভিশনারি লিডারশিপ কোয়ালিটি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক হাদী যে পরিকল্পনা করে গিয়েছিলেন তা বাস্তবায়িত হলে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি হতো সেন্টার অব এক্সিলেন্স। কিন্তু গত ১৭ বছরে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের ভবনটি ছাড়া আর কিছু হয়নি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে।
বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি, বিএমএ ও ড্যাবের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম এ হাদীর ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সম্মণসভা ও আলোচনা অনুষ্ঠানে অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক এম এ হাদী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত স্মরণ ও আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক ডা. মোফাখখারুল ইসলাম রানা।
এতে বক্তব্য রাখেন- ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন এমপি, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু এমপি, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী, বিএমএ ও ড্যাবের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. আজিজুল হক, বিএনপির সহকারী পরিবার কল্যাণবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রফিকুল কবীর লাবু, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ডা. মো: নজরুল ইসলাম, বিশ^বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মোস্তফা কামাল, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী চিকিৎসক বিশিষ্ট কার্ডিওলজিস্ট সহকারি অধ্যাপক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটু, ইউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান, মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ড্যাবের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. সাইফুল ইসলাম সেলিম প্রমুখ।
অধ্যাপক জাহিদ বলেন, এই দেশটা সবার, মানুষের প্রতি আমাদের দায়িত্ব রয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়কে কিভাবে সেন্টার অব এক্সিলেন্সে পরিণত করে অধ্যাপক হাদীর সেই ভিশন বাস্তবায়ন করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই কোনো রেফার্ড রোগী আপনার এখান থেকে ফেরত যেন না যায়।
ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন এমপি বলেন, মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালটি এক হাজার ৮০০ কোটি টাকার প্রজেক্ট কিন্তু এখানে এত দুর্নীতি হয়েছে যে এর অডিট আপত্তি এসেছে দুই হাজার ২০০ কোটি টাকার। জনবল নিয়োগে চরম দুর্নীতি হয়েছে, তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এটাকে একটি কোয়ালিটি ইনস্টিটিউশন করতে চাই।
অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু এমপি বলেন, হাদী স্যারের কর্মের ধারা, গুণাবলি অনুসরণযোগ্য। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে তার ছিল অত্যন্ত স্বচ্ছ ধারণা।
অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেন, শিক্ষাবিদ হিসেবে হাদী স্যার ছিলেন নিবেদিত প্রাণ। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি অনেকগুলো বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন; কিন্তু গত ১৭ বছরে এগুলো তেমন সমৃদ্ধ হয়নি।
অধ্যাপক ডা. আজিজুল হক বলেন, বাংলাদেশের চিকিৎসা ও শিক্ষাব্যবস্থায় অধ্যাপক হাদী সাহেব পথ দেখিয়ে গেছেন। আজ যারা এমডি ও এমএস ডিগ্রি করতে পারছেন এর মূল উদ্যোক্তা ছিলেন তিনি।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








