
সংসদ প্রতিবেদক
তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে সম্ভাব্য উচ্চকক্ষকে যুক্ত করা, সংসদ সদস্যদের দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দেয়ার সুযোগ বাড়ানো এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সংবিধান সংশোধনের একগুচ্ছ প্রস্তাব উঠেছে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির বৈঠকে। উচ্চকক্ষের স্পিকারকে নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান করা এবং সরকারি ও বিরোধী দলের সম্মতিতে ওই কক্ষ থেকে উপদেষ্টা নিয়োগের ধারণাও আলোচনায় এসেছে। পাশাপাশি সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ শিথিল করা, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগে আইন প্রণয়ন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা এবং সংসদীয় স্থায়ী কমিটিকে কার্যকর করার বিষয়ে মত দিয়েছেন আইনজ্ঞ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞরা। তবে এসব প্রস্তাবের কোনোটিই এখনো চূড়ান্ত সুপারিশে পরিণত হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
গতকাল শনিবার জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির অষ্টম বৈঠকে এসব প্রস্তাব ও মতামত উঠে আসে। বৈঠকে সংবিধান বিশেষজ্ঞ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের অধ্যাপকরা অংশ নেন। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং কমিটির সদস্য সাবেক আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল আলোচনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
উচ্চকক্ষ ছয় বছর ও নিম্নকক্ষের মেয়াদ চার বছর করার প্রস্তাব : বিশেষ কমিটির বৈঠকে নির্বাচনকালীন সরকারব্যবস্থার গঠন, আকার, নিয়োগপ্রক্রিয়া ও কর্মপরিধি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সম্ভাব্য উচ্চকক্ষের মেয়াদ যদি নিম্নকক্ষের মেয়াদের সাথে একই সময়ে শেষ না হয়, তাহলে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনে উচ্চকক্ষকে কাজে লাগানো যায় কি না, সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।
আলোচনায় উচ্চকক্ষের স্পিকারকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করার প্রস্তাব এসেছে। উচ্চকক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদ সৃষ্টি করে তাকে স্পিকারের দায়িত্ব দেয়ার ধারণাও আলোচনায় রয়েছে। বিকল্প হিসেবে সরকারি ও বিরোধী দলের সম্মতিতে নির্বাচিত উচ্চকক্ষের স্পিকারকে নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। একইভাবে দু’পক্ষের সম্মতিতে উচ্চকক্ষ থেকে অন্য উপদেষ্টা নিয়োগের বিধান রাখার বিষয়টিও বিবেচনায় এসেছে।
বৈঠক সূত্র জানায়, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের কাঠামো নিয়ে আলোচনায় সংবিধান বিশেষজ্ঞ সলিমুল্লাহ খান উচ্চকক্ষের মেয়াদ ছয় বছর এবং নিম্নকক্ষের মেয়াদ চার বছর করার প্রস্তাব দিয়েছেন। তার মতে, এ ধরনের ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা গেলে পৃথক তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার প্রয়োজন নাও থাকতে পারে; উচ্চকক্ষ এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে উচ্চকক্ষের গঠন, নির্বাচনকালীন সরকারে এর ভূমিকা কিংবা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নিয়োগ ও ক্ষমতা সম্পর্কে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশেষজ্ঞদের লিখিত মতামত পাওয়ার পর সেগুলো পর্যালোচনা করে কমিটির প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ওই প্রতিবেদন ও সুপারিশের ভিত্তিতে সংশোধনী বিলের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হতে পারে।
৭০ অনুচ্ছেদ শিথিলের প্রস্তাব : সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ ও ভোট দেয়ার সুযোগ বাড়াতে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে বৈঠকে। প্রস্তাব অনুযায়ী, আস্থা ভোট, অর্থবিল, সংবিধান সংশোধন এবং যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি বা জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয়ে দলীয় অবস্থান বজায় রাখার বাধ্যবাধকতা রেখে অন্যান্য বিষয়ে সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে ভোট দেয়ার সুযোগ দেয়া যেতে পারে।
বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী, দলীয় মনোনয়নে নির্বাচিত কোনো সংসদ সদস্য নিজ দলের বিরুদ্ধে ভোট দিলে বা সংসদীয় দল থেকে পদত্যাগ করলে তার আসন শূন্য হওয়ার বিধান রয়েছে। এই বিধান কতটা শিথিল করা যায়, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক বিতর্ক চলছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়নের সময় অনাস্থা ভোট, অর্থবিল ও সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে দলীয় অবস্থান বজায় রাখার বিষয়টি আলোচনায় ছিল। এর সাথে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি ও জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় যুক্ত করার প্রস্তাবও দেয়া হয়েছিল। এসব ক্ষেত্রের বাইরে সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে ভোট দেয়ার সুযোগ রাখার বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন : বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কার্যকর করা, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগে আইন প্রণয়ন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা এবং অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণসংক্রান্ত সাংবিধানিক বিধান পর্যালোচনার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের বলেন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ আইন ও সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিষয় দু’টি বাদ দেয়ায় তিনি হতাশ হয়েছেন। তবে আইনমন্ত্রী তাকে জানিয়েছেন, বিষয় দু’টি পুরোপুরি পরিত্যক্ত হয়নি; পরবর্তী সময়ে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হবে।
বিচারক নিয়োগে স্বচ্ছতা, বিচার বিভাগের প্রশাসনিক স্বাধীনতা ও নির্বাহী বিভাগের প্রভাব কমানোর প্রশ্নটি সংবিধান সংস্কার আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উঠে এসেছে। এ ছাড়া সংবিধানের মৌলিক কাঠামো, সরকারি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিচারিক পর্যালোচনা, আইনের সাংবিধানিক বৈধতা পরীক্ষা ও সংবিধান সংশোধনের বিচারিক পর্যালোচনার এখতিয়ার নিয়েও বিশেষজ্ঞরা মতামত দেন।
আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সংসদের হাতে রাখা এবং আদালতের সাংবিধানিক ভূমিকার সীমা নির্ধারণের বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পায়। আইনজ্ঞ আহসানুল করিমের মতে, সংসদের আইন প্রণয়নের ক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রাখা উচিত; আদালতের কাজ আইন তৈরি করা নয়, বরং প্রণীত আইনের ব্যাখ্যা দেওয়া। প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ নির্ধারণ কিংবা একই ব্যক্তি একসাথে দলীয় প্রধান ও সরকারপ্রধান হতে পারবেন কি না- এ ধরনের শর্ত সংবিধানে যুক্ত করে সংসদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা অতিরিক্ত সীমিত করার বিষয়েও তিনি আপত্তি জানান।
সংসদের ক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ সংশোধনের সুযোগ : বৈঠক সূত্র জানায়, সংবিধানের কোনো বিধান আদালত বাতিল করলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আবার সংবিধানে ফিরে আসে না- বৈঠকে এ বিষয়টিও উঠে আসে। সংবিধান বিশেষজ্ঞ শাহদীন মালিক ও বিশেষ কমিটির সভাপতির বক্তব্যে বলা হয়, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার মতো কোনো বিধান পুনর্বহাল করতে হলে যথাযথ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তা পুনঃসংযোজন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংসদে আলোচনা ও সংবিধান সংশোধনের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।
সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ সংসদের অধিকার প্রসঙ্গে অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান বলেন, সার্বভৌমত্বের মূল উৎস জনগণ। বর্তমান সংসদ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংবিধান সংশোধনের সব পথ বন্ধ করে দিতে পারে না। ভবিষ্যৎ সংসদের জন্য সংশোধনের সুযোগ খোলা রাখা প্রয়োজন। তবে সংশোধন কঠিন করতে চাইলে উভয় কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ বা তিন-চতুর্থাংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার শর্ত আরোপ করা যেতে পারে বলে তিনি প্রস্তাব দেন।
এককক্ষবিশিষ্ট সংসদের মধ্যেও ফেডারেল বৈশিষ্ট্য রাখার সম্ভাবনার কথা বলেন সলিমুল্লাহ খান। সরাসরি সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর পদ্ধতির পরিবর্তে প্রতিটি জেলা থেকে প্রতিনিধি নির্বাচনের পক্ষেও মত দেন তিনি।
সংবিধান বিশেষজ্ঞদের আলোচনায় উঠে আসে, কেবল সংবিধানে ভালো বিধান সংযোজন করলেই সুশাসন নিশ্চিত হয় না; এসব বিধান বাস্তবায়নে রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন। একই সাথে সংসদ, নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের ক্ষমতার সীমা এবং ভারসাম্য নির্ধারণে সাংবিধানিক কাঠামো কতটা কার্যকর হবে, তা বিবেচনার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।
বিরোধী দলের হাতে গুরুত্বপূর্ণ কমিটির নেতৃত্বের প্রস্তাব : সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলোকে কার্যকর করা এবং সরকারি কার্যক্রমের জবাবদিহি বাড়ানোর বিষয়েও প্রস্তাব এসেছে। আসিফ নজরুল গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদে বিরোধী দলের সদস্যদের রাখার প্রস্তাব দেন। বৈঠকে এ বিষয়ে অনুরোধ জানালেও তাৎক্ষণিক কোনো উত্তর পাননি বলে জানান তিনি। সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কার্যক্রম কার্যকর করতে আইন প্রণয়নের বিষয়টিও আলোচনায় আসে। আসিফ নজরুলের ভাষ্য অনুযায়ী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়ে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছেন।
স্থায়ী কমিটিতে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং কমিটিগুলোর কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করা গেলে সরকারি কার্যক্রমের জবাবদিহি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এ বিষয়ে কমিটির চূড়ান্ত সুপারিশ কী হবে, তা প্রতিবেদনে স্পষ্ট হবে।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। বিভিন্ন সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের গঠন ও কর্মপরিধি নির্ধারণের পাশাপাশি সেগুলো যাতে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে, সে জন্য সাংবিধানিক নিশ্চয়তা বাড়ানোর সম্ভাবনা পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
মতামত দিয়েছেন ৪৪ বিশেষজ্ঞ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বৈঠকে প্রায় ৬০ জন বিশেষজ্ঞকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তাদের মধ্যে ৪৪ জন উপস্থিত থেকে মৌখিক ও লিখিত মতামত দিয়েছেন। আরও অনেকে আগামী সাত থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিত বক্তব্য পাঠানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বেলা ১১টা থেকে নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের বিরতিসহ বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত আলোচনা চলে।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত বৈঠকগুলোর মধ্যে এটি ছিল সবচেয়ে সমৃদ্ধ আলোচনা। কমিটি ইতোমধ্যে বিশেষজ্ঞদের মতামত সঙ্কলনের কাজ শুরু করেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে বাকি বৈঠকগুলোও সম্পন্ন করা হবে। আসিফ নজরুল বলেন, সংবিধান সংশোধন নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কে না গিয়ে এমন একটি সংবিধান প্রণয়ন করা জরুরি, যা বর্তমান অবস্থার তুলনায় আরও অগ্রসর হবে এবং গণ-অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা ধারণ করবে। অতীতে সংবিধান সংশোধন নিয়ে প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি এবার ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা প্রকাশ করেন।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, সংবিধানের কোনো বিধান আদালত বাতিল ঘোষণা করলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে পুনর্বহাল হয় না। বাতিল হওয়া কোনো বিধান, বিশেষ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পুনর্বহাল করতে হলে যথাযথ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তা পুনঃসংযোজন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংসদের আলোচনা ও সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেয়া প্রয়োজন।
সংবিধান সংশোধনের মূল দায়িত্ব সংসদের উল্লেখ করে তিনি বলেন, আদালতের কাজ সংবিধানের ব্যাখ্যা দেয়া এবং সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক কোনো বিধান থাকলে তা পর্যালোচনা করা। সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো না করে আইনগত ও সাংবিধানিক দিকগুলো যথাযথভাবে বিবেচনায় নেয়া জরুরি।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








