
- ব্রার্দাস ২-১ ঢাকা আবাহনী
- ইয়ংম্যান্স ২-৩ রহমতগঞ্জ
একেবারেই শেষ সময়ে এসে অনুশীলন শুরু করা। তাই প্রথম দিকে ধুঁকছিল ব্রাদার্স ইউনিয়ন। সেই পর্ব শেষ করে অবশেষে বাংলাদেশ ফুটবল লিগে প্রথম জয়ের দেখা পেয়েছে গোপীবাগের দলটি। আর এই জয় শক্তিশালী এবং শিরোপাপ্রত্যাশী ঢাকা আবাহনীর বিপক্ষে। নিজেদের পঞ্চম ম্যাচে আবাহনী লিমিটেডকে ২-১ গোলে হারিয়েছে তারা। জোড়া গোল করে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন ব্রাদার্সের পাকিস্তানি ফরোয়ার্ড সৈয়দ আলি রাজা। অন্য ম্যাচে রহমতগঞ্জ ৩-২ গোলে হারায় ইয়ংমেন্স ফকিরেরপুলকে।
গোপালগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল আবাহনী। সজিবের ক্রস থেকে হেড করেন বাবাতুঙ্গে। তবে তার হেডটি অল্পের জন্য পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। ১৫ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে আলামিনের কাটব্যাকে পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন সবুজ হোসেন। ২৭ মিনিটে এগিয়ে যায় ব্রাদার্স ইউনিয়ন। থিয়াগোর লং বল থেকে পাওয়া বলে পা ছোঁয়ান রাজা। গোলকিপার এগিয়ে এসে হাতে লাগালেও বলের নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি। সেই সুযোগে ফাঁকা পোস্টের দিকে এগিয়ে গিয়ে আলতো টোকায় বল জালে জড়িয়ে দলকে এগিয়ে দেন রাজা।
পিছিয়ে ফিরে সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে আবাহনী। ম্যাচের ৪২ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে আলামিনের নেয়া বুলেট গতির শট হাত লাগিয়ে প্রতিহত করেন ব্রাদার্স ইউনিয়নের গোলকিপার মোহাম্মদ রাজিব। পরের মিনিটেই সানডের হেডার লাফিয়ে উঠে তালুবন্দী করেন রাজিব। দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফেরে আবাহনী। ৫৭ মিনিটে সেট পিস থেকে বাবাতুঙ্গেকে পাস দেন ইয়াসিন। সেখান থেকে লে-অফে বল পেয়ে জোরালো শট নেন রবিউল হাসান। গোলকিপার ঝাঁপিয়ে পড়েও সেই শট ঠেকাতে পারেননি।
ম্যাচের ৬০ মিনিটে ওদোয়ার সাথে চ্যালেঞ্জে জড়িয়ে মাটিতে পড়ে যান বাবাতুঙ্গে। অন্য পাশে মঈন আহমেদকে ফেলে দেন জনাথন সান্তানা। এরপর সান্তানাকে ধাক্কা দেন আবাহনীর অ্যান্থনি ওকাচি। পাল্টা ধাক্কায় ওকাচিকেও ফেলে দেন ব্রাদার্সের সান্তানা। দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা ও বাগি¦তণ্ডার একপর্যায়ে ওকাচি ও সান্তানা দু’জনকেই লাল কার্ড দেখান রেফারি। তবে এই ঘটনায় মনে হয়েছে লালকার্ড প্রদর্শন ছিল একটু বাড়াবাড়ি। মিরাদ লাল কার্ড পেলে ব্রাদার্স ইউনিয়ন ৯ জন নিয়ে খেলে।
৭৬ মিনিটে নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোল করেন আলি রেজা। জামাল ভূঁইয়ার পাস ক্লিয়ার করতে পারেননি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বাবলু। গোলকিপারকে ফাঁকা পেয়ে বল জালে জড়ান রাজা। ডান পায়ের দারুণ প্লেসিং শটে মাহফুজ হাসান প্রীতমকে বোকা বানান তিনি। ম্যাচের ৮০ মিনিটে সজিবের দূরপাল্লার শট ঠেকিয়ে দেন ব্রাদার্সের গোলকিপার রাজিব। ২ মিনিট পর আমির আলির ক্রস থেকে বাবলুর হেড পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত আর কোন গোল না হলে ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্রাদার্স ইউনিয়ন।
পাঁচ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ৮ নম্বরে ব্রাদার্স ইউনিয়ন। চার ম্যাচে ৭ পয়েন্ট পাওয়া আবাহনী লিমিটেড টেবিলের পঞ্চম স্থানে।
চাঁদপুর স্টেডিয়ামে সোলেমান সিল্লার জোড়া গোলেও জিততে পারেনি ইয়ংমেন্স। ২০ ও ৭১ মিনিটে তিনি দুই গোল করলেও হারতে হয়েছে দলকে। সিল্লার দ্বিতীয় গোলটি ছিল পেনাল্টি থেকে। পিছিয়ে পড়া রহমতগঞ্জ সমতা আনে সাজ্জাদের গোলে ৫৭ মিনিটে। এরপর ৬৬ মিনিটে অভিষেক লিম্বু ফের স্কোর সমান করেন ( ২-২)। ৯৪ মিনিটে ইব্রাহিমা সেনের গোলে জয় নিশ্চিত হয় রহমতগঞ্জের। এটি পুরান ঢাকার দলটির প্রথম জয়।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








