
ক্রীড়া প্রতিবেদক
জাতীয় ক্রিকেট লিগে আগের দিনের অপরাজিত সেঞ্চুরিকে এবারের লিগে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিতে রূপ দিলেন রাজশাহীর তরুণ ব্যাটার নাঈম আহমেদ। খুলনার নবম ব্যাটার হিসেবে শেখ পারভেজ রহমান যখন আউট হলেন, তখন ৮০ রানও হয়নি আজিজুল হাকিমের। সেখান থেকে শেষ ব্যাটসম্যানকে নিয়ে অসাধারণ লড়াইয়ে যোগ করেন ৬৭ রান। আর নিজে তুলে নেন প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরি। শতকের দেখা পেলেন আরেক বাঁহাতি ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখও। ঝড়ো ফিফটিতে রেকর্ড গড়লেও অল্পের জন্য সেঞ্চুরি পাননি জাওয়াদ আবরার।
রাজশাহীতে তৃতীয় দিন কামরুল ইসলামের বলে বাউন্ডারি মেরে প্রথম শ্রেণীর ক্যারিয়ারে নিজের প্রথম সেঞ্চুরিকে ডাবল সেঞ্চুরিতে নিয়ে যান নাঈম আহমেদ। ২৬ চার ও ১ ছক্কায় ২৬৭ বলে ২০২ রানে অপরাজিত থাকেন নাঈম। ২২৮ রানের লিড নিয়ে ইনিংস ঘোষণা করে রাজশাহী। বাংলাদেশের পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে প্রথম শ্রেণীর ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিটাকেই ডাবল সেঞ্চুরি বানালেন নাঈম।
বড় লিডের বোঝা মাথায় নিয়ে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন বরিশালের জাওয়াদ আবরার। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ৬ চার ও ৪ ছক্কায় মাত্র ২২ বলে ফিফটি করেন এই তরুণ ওপেনার। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে এটিই দ্রুততম ফিফটি। ২০১৪-১৫ মৌসুমের জাতীয় লিগে ২৪ বলে পঞ্চাশ করেছিলেন জিয়াউর রহমান। শেষ পর্যন্ত তিনি থামেন ৯১ রানে। এতে দিন শেষে খুলনার লিড ছাপিয়ে ২১ রানে এগিয়ে বরিশাল।
সিলেটের আউটার মাঠে শেষ দিন জয়ের জন্য চট্টগ্রামের করতে হবে ১০১ রান। খুলনার নিতে হবে ৫ উইকেট। দিনের শুরু থেকেই চমৎকার ব্যাটিং করেন আজিজুল। তবে দলের আড়াই শ’ পেরোতেই সঙ্গীর অভাবে একা হয়ে যান ১৯ বছর বয়সী ওপেনার। তবে লড়াই থামাননি। সফর আলিকে নিয়ে দশম উইকেটে আরো ৬৭ রান যোগ করেন আজিজুল। জুটিতে সফরের অবদান ২১ বলে ০ রান! শরিফের বলে পরপর দুই ছক্কায় ৮৮ থেকে সেঞ্চুরিতে পৌঁছান তিনি। ১০ ছক্কায় সেঞ্চুরি পূর্ণ করেও থেমে যাননি। আরো ৪২ রান যোগ করেন তরুণ বাঁহাতি ব্যাটার।
আজিজুলের বিদায়ে ৩২৩ রানে থামে খুলনার দ্বিতীয় ইনিংস। পরে ২৭৫ রানের লক্ষ্যে উড়ন্ত সূচনা করে চট্টগ্রাম। উদ্বোধনী জুটিতে ১৩০ রান যোগ করেন জয় ও সাদিকুর রহমান। এরপর দিনের শেষ ঘণ্টার নাটকীয়তায় ম্যাচে ফেরে খুলনা। দিন শেষে ৫ উইকেটে ১৭৪ রান চট্টগ্রামের।
চট্টগ্রামে রংপুরের বোলার-ফিল্ডারদের ধৈর্যের পরীক্ষা নিয়েছে সিলেট। পুরো দিন ৮৬ ওভার ব্যাটিং করে মোট ২০১ রান করেছে তারা। বিপরীতে অবশ্য হারিয়েছে ৮টি উইকেট। তৃতীয় দিন শেষে সিলেটের লিড এখন ২০৮ রানের। শেষ দিন লক্ষ্য বাড়ানোর অভিযানে নামবেন অমিত হাসান।
কক্সবাজারে তিন দিনেও শেষ হয়নি দুই দলের প্রথম ইনিংস। ময়মনসিংহের ৩৮৭ রানের জবাবে তৃতীয় দিন শেষে ঢাকার সংগ্রহ ৯ উইকেটে ৩৪২ রান। আগের রাউন্ডে ১৩৭ রানের ইনিংস খেলা মোহাম্মদ নাঈম শেখ এবার করেন ১৩৫ রান। প্রথম শ্রেণীর ক্যারিয়ারে এটি তার ষষ্ঠ সেঞ্চুরি।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








