
শিক্ষা শুধু জ্ঞান অর্জনের মাধ্যম নয়; এটি মানুষের সম্ভাবনার বিকাশ, বৈষম্য হ্রাস এবং জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। একবিংশ শতাব্দীর প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে উচ্চশিক্ষাকে কর্মসংস্থান, গবেষণা, উদ্ভাবন ও দক্ষতা উন্নয়নের সাথে যুক্ত করা অপরিহার্য। এ বাস্তবতায় বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার বৃহত্তম প্রতিষ্ঠান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পদার্পণ করছে নতুন প্রত্যয় ও সংস্কার পরিকল্পনা নিয়ে।
১৯৯২ সালের ২০ অক্টোবর জাতীয় সংসদে ৩৭ নম্বর আইন পাসের মাধ্যমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হয়। দেশের সাধারণ মানুষের জন্য উচ্চ শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কলেজ শিক্ষার সমন্বিত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাই ছিল এর অন্যতম লক্ষ্য। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে দুই হাজার ৩১৮টি কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। দেশের উচ্চশিক্ষার প্রায় ৭০ শতাংশ এ প্রতিষ্ঠানের আওতায় পরিচালিত হয়। ফলে জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়টির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর নেতৃত্বে বর্তমান প্রশাসন পাঠ্যক্রম সংস্কার, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল শিক্ষা, পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা, গবেষণা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং শিক্ষার্থীকল্যাণমূলক কার্যক্রমে গুরুত্ব দিচ্ছে। লক্ষ্য- শিক্ষার্থীদের শুধু ডিগ্রিধারী নয়, বরং দক্ষ, প্রযুক্তিসক্ষম, সৃজনশীল ও কর্মোপযোগী জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা।
বিকেন্দ্রীকরণ ও কারিকুলাম সংস্কার
শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কাছে সেবা পৌঁছে দিতে ইতোমধ্যে ১২টি আঞ্চলিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও স্থায়ী আঞ্চলিক ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার কাজ চলছে। ভবিষ্যতে সারা দেশে ৩২টি আঞ্চলিক কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
শিক্ষাক্রমকে শ্রমবাজারের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে ৩২টি বিষয়ে চার হাজার ২০০টি কোর্স সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৫০০টি কোর্সের সংস্কার সম্পন্ন হয়েছে। নতুন পাঠ্যক্রমে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, ডেটা অ্যানালিটিকস, ফ্রিল্যান্সিং, যোগাযোগদক্ষতা, নেতৃত্ব ও উদ্যোক্তা উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
প্রথম বর্ষে বাধ্যতামূলক আইসিটি, নৈতিক শিক্ষা এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও পরিচয়; দ্বিতীয় বর্ষে ব্যবহারিক আইসিটি ও ইংরেজি এবং পরবর্তী বর্ষগুলোতে কর্মমুখী কোর্স ও যোগাযোগভিত্তিক ইংরেজি শিক্ষার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থীকে পর্যায়ক্রমে প্রযুক্তি ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ের সিলেবাস ভ্যালিডেশন ও আধুনিকায়নের কাজ চলছে।
শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও গবেষণা
শিক্ষার মানোন্নয়নে দেশব্যাপী ১২ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেয়ার কর্মসূচি চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে সাড়ে তিন হাজার শিক্ষকের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। আইসিটি প্রশিক্ষণের জন্য কোর ট্রেইনার ও মাস্টার ট্রেইনার তৈরি করা হয়েছে। এ কার্যক্রমে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, এটুআই, আইসিটি বিভাগ ও ইউনিসেফ বাংলাদেশ কারিগরি সহযোগিতা দিচ্ছে।
শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি গবেষকদের আর্থিক অনুদান বাড়ানো হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মেধার স্বীকৃতি দিতে ৫৭ জনকে ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন, আর্থিকভাবে অসচ্ছল-সুবিধাবঞ্চিতসহ চার হাজার ৯২১ জনকে শিক্ষাবৃত্তি দেয়া হয়েছে।
তৃতীয় ভাষা ও শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ
আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে শিক্ষার্থীদের সুযোগ বাড়াতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে মাল্টি ল্যাঙ্গুয়েজ লার্নিং ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন কলেজে ভাষা ক্লাব গঠনের কার্যক্রম চলছে। ইতোমধ্যে ১৭টি কলেজে ভাষা ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং চলতি বছরের মধ্যে আরও ১০০টি ক্লাব গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও সৃজনশীলতা বিকাশে কালচারাল ক্লাব, সাইবার সিকিউরিটি ক্লাব ও ক্যারিয়ার ক্লাব চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
‘খবধৎহরহম রিঃয ঐধঢ়ঢ়রহবংং’ কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও নৈতিক শিক্ষায় গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৩৫ লাখ শিক্ষার্থীকে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে যুক্ত করার কথা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়। বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানজনিত মানসিক ট্রমা কাটিয়ে উঠতেও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষায়িত কলেজ প্রতিষ্ঠা, ৬৪ জেলায় পারফরমিং আর্টস কলেজ সম্প্রসারণ এবং স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগ চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। সম্প্রতি আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর ছাত্রীদের ফুটবলে চাম্পিয়ন হয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস
পরিবেশ সচেতনতা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় ‘ঙহব ঝঃঁফবহঃ ঙহব ঞৎবব’ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ৪০ লাখ শিক্ষার্থীকে প্রতিবছর একটি করে গাছ লাগানোর উদ্যোগে ইতোমধ্যে প্রায় ১০০টি কলেজে বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।
পাশাপাশি অধিভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের মাধ্যমে প্রায় এক হাজার মেগাওয়াট পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। ২৫০টি কলেজকে গ্রিন ক্যাম্পাসে রূপান্তরের কাজও শুরু হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও কর্মসংস্থান: উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দেশী-বিদেশী ১৫০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা সংস্থা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। এর মধ্যে জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব সালফোর্ড, ইউনিভার্সিটি অব নিউ হ্যাভেন, ইউনিসেফ বাংলাদেশ এবং বিভিন্ন দেশী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।
এসব সহযোগিতার মাধ্যমে ইন্টার্নশিপ, গবেষণা ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। ইউনিভার্সিটি অব সালফোর্ডের সহযোগিতায় শিক্ষানবিশ কর্মসূচির আওতায় প্রতিবছর ৫০ হাজার শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় মাস্টার্স অব পাবলিক হেলথ বা এমপিএইচ প্রোগ্রাম চালুর উদ্যোগ রয়েছে।
শিক্ষার্থীদের কর্মজীবনের প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে কলেজগুলোতে ক্যারিয়ার সেন্টার প্রতিষ্ঠা, ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং মাইক্রো-লার্নিং ও মাইক্রো-ক্রেডেনশিয়াল কোর্স চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। নারী শিক্ষার্থীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে ‘ঝযবঝশরষষং’ কর্মসূচির মাধ্যমে ৫০ হাজার নারীকে ফ্রিল্যান্সিং ও ডিজিটাল দক্ষতার প্রশিক্ষণ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
ডিজিটাল শিক্ষা ও সেশনজট নিরসন
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবে স্মার্ট ক্লাসরুম, কম্পিউটার ল্যাব, অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম এবং শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেট সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দাফতরিক কার্যক্রমে পেপারলেস ব্যবস্থাপনা ও ডি-নথির ব্যবহারও বাড়ানো হচ্ছে।
পরীক্ষা ব্যবস্থাপনায় এক্সামিনেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চালুর ফলে পরীক্ষার তথ্য দ্রুত কেন্দ্রে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে। বিভিন্ন বর্ষের পরীক্ষার ফলাফল ২৪ থেকে ৪৭ কর্মদিবসের মধ্যে প্রকাশ করা হচ্ছে। যুক্তরাজ্যের অছঅ এষড়নধষ-এর সহযোগিতায় ডিজিটাল মূল্যায়ন ও ফল প্রকাশের প্রক্রিয়া আরো আধুনিক করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
কলেজের নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হওয়া কমাতে প্রাথমিকভাবে ৩০০টি এবং পর্যায়ক্রমে ৫০০টি উপজেলায় ন্যাশনাল এক্সাম সেন্টার প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সাথে একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুসরণ, পরীক্ষা ও ফল প্রকাশের গতি বৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক সমন্বয়ের মাধ্যমে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সেশনজট শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ক্লাসে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ৭০ শতাংশ হাজিরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
একাডেমিক মানোন্নয়ন ও প্রশাসনিক সংস্কার
মানসম্মত পাঠ্যবই প্রণয়ন ও গবেষণালব্ধ প্রকাশনা বাড়াতে বাংলা একাডেমি, প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ এবং ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়েছে। পাশাপাশি অধিভুক্ত কলেজগুলোর গভর্নিং বডি পুনর্গঠন, জেলাভিত্তিক মনিটরিং কমিটি গঠন এবং কলেজের পাঠদানের মান ও প্রশাসনিক জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
অনার্স প্রথম বর্ষে মানসম্মত শিক্ষার্থী নির্বাচনের লক্ষ্যে ভর্তি পরীক্ষা পুনঃপ্রবর্তন করা হয়েছে। এ ছাড়া ২০১১-১২ সালে চাকরিচ্যুত প্রায় ৯৮৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে পুনর্বহালের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
জুলাই শহীদ পরিবারের পাশে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ২৫টি কলেজের ২৬ জন শিক্ষার্থী শহীদ হয়েছেন। তাদের পরিবারের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও জুলাই ফাউন্ডেশনের যৌথ সহায়তায় প্রত্যেক পরিবারকে মোট আট লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি শহীদ পরিবারের সদস্যদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে বিশেষ সহায়তা এবং তাদের সন্তানদের টিউশন ফি মওকুফের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর প্রত্যয়
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪ বছরের পথচলা দেশের সাধারণ মানুষের উচ্চশিক্ষায় প্রবেশাধিকার ও সামাজিক অগ্রগতির ইতিহাস। বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীকে উচ্চশিক্ষার সুযোগ দেয়ার পাশাপাশি এখন প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার গুণগত মান, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, গবেষণা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং কর্মসংস্থানকে সমন্বিত করার পথে এগোচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য
শিক্ষার্থীরা যেন শুধু ডিগ্রি অর্জন না করে, বরং বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তির সৃজনশীল ব্যবহার এবং জাতীয় উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গীকার, উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের ঐতিহাসিক অর্জনকে গুণগত উৎকর্ষে রূপান্তর করা এবং দেশের প্রতিটি অঞ্চলের তরুণদের জন্য জীবনঘনিষ্ঠ, দক্ষতাভিত্তিক ও ভবিষ্যৎমুখী শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা। শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, অধিভুক্ত কলেজ, সরকার ও দেশী-বিদেশী সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সে লক্ষ্য অর্জনের প্রত্যয়ে এগিয়ে যাচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। বিজ্ঞপ্তি।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








