ঝালকাঠির চাঁদাবাজি মামলার আসামি ফতুল্লায় গ্রেফতার

 নিজস্ব প্রতিবেদক

Advertisement

ঝালকাঠিতে সড়ক পুনর্র্নির্মাণের কাজ পাওয়ার পর এক ঠিকাদারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে করা মামলার প্রধান আসামি মো: সুমনকে (৩৫) নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেফতার করেছে এসআরবির দু’টি ইউনিটের যৌথ দল। গত ১১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ফতুল্লা থানাধীন ডিএন রোডের পাগলা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসআরবি-৮ এর বরিশাল সিপিসি ও এসআরবি-১১ এর নারায়ণগঞ্জ সিপিসির যৌথ আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে। 
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদি ফয়েজ ইফতেখার রনী (৫০) ঝালকাঠি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদার ও ব্যবসায়ী। তার দাবি, সড়ক পুনর্র্নির্মাণের কাজ পাওয়ার পর থেকে সুমন ও অজ্ঞাতনামা আরো চার-পাঁচজন তার কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ৩ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঝালকাঠি সদর উপজেলা পরিষদের পশ্চিম গেটের সামনে শোভারানির বাড়ির পাকা জায়গায় পৌঁছালে অভিযুক্তরা চাঁদার দাবিতে তার ওপর চড়াও হন। এ সময় তাকে মারধর করে প্যান্টের পকেট থেকে জোরপূর্বক ৩০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ফয়েজ ইফতেখার রনী বাদি হয়ে ৫ অক্টোবর ঝালকাঠি থানায় মামলা করেন। মামলার নম্বর ৫। এতে দণ্ডবিধির ৩৮৫, ৩২৩, ৩৮৬ ও ৫০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
পরবর্তী সময়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রধান আসামিকে গ্রেফতারের জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্নস্থানে অভিযান চালায়। সর্বশেষ ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। স্থানীয়ভাবে জানা যায়, এই সুমন স্থানীয় যুবদলের নেতা আব্দুল কুদ্দুস লেলিন ও মাইনুল ইসলামের শেল্টারে চলে। লেলিনের স্ত্রী শারমিন আক্তার মুক্তা মহিলা দলের নেতৃ। এর আগে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছিল। স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতা অভিযোগ করেছেন, এই লেলিন-মুক্তার জন্য এলাকার অনেকেই অতিষ্ঠ।