
নয়া দিগন্ত ডেস্ক
দেশে হামের সোমবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মোট ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুইজন করে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে এবং একজন করে খুলনা ও বরিশাল বিভাগে মারা গেছেন। তবে এ সময় নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি। গতকাল স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য মতে একই সময় নতুন করে নতুন করে হাম ও উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছেন মোট এক হাজার ৩৯৩ জন। এর মধ্যে এক হাজার ২৯১ জনের দেহে হামের উপসর্গ মিলেছে। আর হাম শনাক্ত হয়েছে ১০২ জনের। এ ছাড়া নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক হাজার ১৮০ জন, আর সুস্থ হওয়ায় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন এক হাজার ১৪৮ জন।
আর চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হাম ও উপসর্গ নিয়ে গতকাল পর্যন্ত সারা দেশে মোট এক হাজার ১৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০২ জন, আর উপসর্গে মারা গেছে এক হাজার ১৩২ জন।
একই সময়ে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে এক লাখ ৯৯ হাজার ১৩ জনের। আর হাম শনাক্ত হয়েছে (পরীক্ষায় প্রমাণিত) ২১ হাজার ৯১০ জনের। মোট হাম ও উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে দুই লাখ ২০ হাজার ৯২৩ জন। তাদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক লাখ ৭৬ হাজার ৫১৬ জন। আর সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে গেছে এক লাখ ৬৯ হাজার ২৯০ জন।
চলতি বছরে হাম ও উপসর্গে সবচেয়ে বেশি ৫৩৩ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এরপর সিলেট বিভাগে ৮২, রাজশাহীতে ৯৬, ময়মনসিংহে ৮২, চট্টগ্রামে ১০০, বরিশালে ৮০, খুলনায় ৪৫ ও রংপুর বিভাগে ১৬ জন মারা গেছে।
সিলেটে মৃত্যুহীন টানা পাঁচদিন
সিলেট ব্যুরো জানায়, সিলেট বিভাগে হাম ও উপসর্গে টানা পাঁচদিন কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তবে হাসপাতালগুলোতে রোগী ভর্তির চাপ গতকাল মঙ্গলবারও অব্যাহত ছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামের উপসর্গ ধরা পড়েছে ১৬৪ জনের, তাদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৬৩ জন। এ সময় সুস্থ হয়ে মোট হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ১৪১ জন। ফলে বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৭৮ জনে।
গতকাল স্বাস্থ্য অধিদফতরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ডা. মো: মাহবুবুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোনো নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়নি। ফলে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত সিলেট বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৮১ জনেই রয়েছে। এর মধ্যে সিলেটে ৪০৮, হবিগঞ্জে ১৫৮, মৌলভীবাজারে ১৫৮ এবং সুনামগঞ্জে ৩৫৭ জন।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








