চট্টগ্রাম বন্দরের ডিজিটালাইজেশন ও অটোমেশন কার্যক্রম জোরদার


চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বন্দর ব্যবহারকারীদের সেবাগুলো সহজীকরণ, দ্রুত পণ্য খালাস, স্বচ্ছতা আনয়ন এবং বন্দর এলাকার যানজট নিরসনে ডিজিটালাইজেশন ও অটোমেশন কার্যক্রম জোরদার করেছে। সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দরের কনফারেন্স রুমে চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় বন্দর সেবাগুলোর সার্বিক অগ্রগতি আলোচনা ও পর্যালোচনা করে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
বর্তমানে ১০০ শতাংশ ভেসেল বিল অনলাইনে সম্পাদিত হচ্ছে এবং কনটেইনার ও কনসাইনি বিল শতভাগ টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেম (ঞঙঝ) এর মাধ্যমে প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টগণের আবেদনের প্রেক্ষিতে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঈড়হংরমহবব বিলগুলো অনলাইন ব্যাংকিং সিস্টেম ও প্রচলিত ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে প্রদান করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। কিন্তু আগামী ১ অক্টোবর হতে বাধ্যতামূলকভাবে শতভাগ ঈড়হংরমহবব ইরষষ অনলাইনে আদায় করা হবে। ১ অক্টেবরের পর কোনো প্রকার প্রচলিত ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ঈড়হংরমহবব ইরষষ আদায় করা হবে না মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এ ছাড়াও, নবনির্মিত ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টারে সোনালী ব্যাংক পিএলসির বুথ স্থাপন ও অচও ইন্টিগ্রেশনের মাধ্যমে ছুটির দিন ও অফ-টাইমসহ যেকোনো সময় অনলাইন পেমেন্টের সুবিধা চালু করা হচ্ছে। ই-গেট পাস ইস্যু ও গেট ইন/আউট শতভাগ অনলাইনের পাশাপাশি ঞঙঝ-এর মাধ্যমে ‘টাইম স্লট ম্যানেজমেন্ট’, অনলাইন কার্ট টিকিট ও ই-গেট চালান এবং শতভাগ ভেসেল ই-এনওসি নিশ্চিত করা হচ্ছে। তা ছাড়াও ৭২ ঘণ্টার মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের মাশুলাদি আদায় সংক্রান্ত পেমেন্ট না দিলে অটো পুল পেমেন্ট সিস্টেম, ঞঙঝ সিস্টেমে অনলাইনে স্পেশাল ডেলিভারি অ্যাসাইনমেন্ট অনুমোদন, ঘইজ/ঈঁংঃড়সং-এর অচও এর মাধ্যমে অকশন ডেলিভারি এবং চট্টগ্রাম বন্দরের ব্রেক বাঙ্ক অপারেশন দ্রুত অনলাইনের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
পাশাপাশি ঞঙঝ-এর নতুন ভার্সনে ড্রপ টিকিট, পিকআপ টিকিট ও ঊওজ ই-গেট পাসের সাথে ইন্টিগ্রেট করে যানজট কমানো, ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টারে রিয়েল-টাইমে ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন, বিল জেনারেট ও কনফার্মেশন, ওঈউ ইন্টিগ্রেশন এবং বে টার্মিনালে স্লট-বাই-স্লট ম্যাপিং পূর্বক পেমেন্টভিত্তিক ট্রাক পার্কিং টিকিটিং সিস্টেম চালু করা হচ্ছে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে বন্দরকে সম্পূর্ণ পেপারলেস ও স্মার্ট পোর্টে রূপান্তর করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। সর্বোপরি চট্টগ্রাম বন্দরের অটোমেশন ও ডিজিটালাইজেশনের ফলে সময় ও খরচ সাশ্রয়ের পাশাপাশি দ্রুত বকেয়া আদায়সহ নানা আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত হচ্ছে। সম্মানিত বন্দর ব্যবহারকারীদের চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের এসব অনলাইন সুবিধাগুলো উপভোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে। বন্দরের এই ডিজিটাল কার্যক্রমকে আরো ফলপ্রসূ ও সফল করতে সংশ্লিষ্ট সব ব্যবহারকারী ও স্টেকহোল্ডারদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞপ্তি।

Advertisement