
ময়মনসিংহ অফিস
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় থানা ফটক ও ট্রাফিক পুলিশ বক্সে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ রব্বানী টুটুল ও তার ছেলে উপলসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। গত সোমবার রাতে মুক্তাগাছা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ মিঠু মিয়া বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরো ৩০ থেকে ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিএনপি নেতা আরিফ রব্বানী একটি অভিযোগের বিষয়ে জানতে মুক্তাগাছা থানায় যান। সে সময় ওসির কক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলায় কর্তব্যরত কনস্টেবল তাকে অপেক্ষা করতে বলেন। এ নিয়ে বাগি¦তণ্ডার একপর্যায়ে ওসি ও অন্য পুলিশ কর্মকর্তারা বেরিয়ে এলে তাদের সাথেও আরিফ রব্বানীর তর্ক হয়। পরে উপস্থিত ছাত্রদল নেতাকর্মীরা তাকে থানা থেকে বের করে নিয়ে যান।
পুলিশের অভিযোগ, রাত ১০টার দিকে আরিফ রব্বানীর নেতৃত্বে ৪০ থেকে ৫০ জন নেতাকর্মী দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে ফের থানা চত্বরে প্রবেশ করে হামলা চালায়। তারা প্রধান ফটক ও পাশের ট্রাফিক পুলিশ বক্সের কাচ ভাঙচুর এবং রড বাঁকিয়ে দেয়। পরে পুলিশ এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান আসামি আরিফ রব্বানী দাবি করেন, তিনি ভেতরে প্রবেশ না করে শুধু উঁকি দিয়েছিলেন; কিন্তু ডিউটিতে থাকা সেন্ট্রি ও ওসি তার সাথে খারাপ ব্যবহার করেন। পরে তিনি ফিরে গিয়ে নেতাকর্মীদের জানালেও কারা ভাঙচুর চালিয়েছে সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।
মুক্তাগাছা পৌর বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি নিয়ে খোঁজ নেয়া হচ্ছে। ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো: রুকুনোজ্জামান রোকন বলেন, থানায় হামলার ঘটনা সমর্থনযোগ্য নয়; দলীয় কেউ জড়িত থাকলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। মুক্তাগাছা থানার ওসি কামরুল ইসলাম মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তবে গতকাল পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








