
ইসরাইলি সশস্ত্রবাহিনী ‘আইডিএফ’ নৃশংসতা, নিষ্ঠুরতা এবং বর্বরতায় ইতিহাসের সব রেকর্ড অতিক্রম করেছে। অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে জাতিসঙ্ঘের বিশেষ দূত ফ্রান্সেসকা আলবানেজ বলেছেন, ‘ইসরাইলি সামরিক বাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে নীতিহীন সশস্ত্রবাহিনী।’ গত তিন বছর এই সন্ত্রাসী বাহিনী ৩৬৫ বর্গকিলোমিটারের গাজায় সর্বাত্মক আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে।
যুদ্ধের শুরু : ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস গাজার সীমান্তবর্তী দক্ষিণ ইসরাইলে অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় হামাস যোদ্ধারা আকাশ, জল এবং স্থলপথে ইসরাইলে আক্রমণ করে। এতে ৮০৯ জন বেসামরিকসহ এক হাজার ২০০ জন ইসরাইলি নিহত হয় এবং হামাস ২৫১ জনকে আটক করে জিম্মি করে নিয়ে যায়। এর পরপরই ‘আইডিএফ’ যুদ্ধ ঘোষণা করে এবং গাজায় সর্বাত্মক আক্রমণ চালায়।
হামাস কেন আক্রমণ করেছিল : মার্কিন-বিলাত সহযোগিতায় ইহুদি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ভয়াবহ সন্ত্রাসের মাধ্যমে ১৯৪৮ সালে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। ইসরাইলি সরকারি সন্ত্রাসী বাহিনীগুলো ‘নাকবার’ মাধ্যমে ১৯৪৭ থেকে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত ১৫ সহস্রাধিক ফিলিস্তিনিকে হত্যা এবং সাড়ে সাত লক্ষাধিক মানুষকে নিজেদের ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করে। এ সময় তারা ৫৩১টি ফিলিস্তিনি গ্রাম ধ্বংস করে দেয়। এই সব বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি পশ্চিমতীর, জর্দান, গাজা, সিরিয়া, লেবানন এবং অন্যান্য দেশে আশ্রয় নেয়। গাজায় আশ্রয় নেয় দুই লাখ দুই হাজার ফিলিস্তিনি। এরপর থেকেই ফিলিস্তিনিরা স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জন্য সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করে এবং ১৯৬৪ সালে ‘পিএলও’র নেতৃত্বে সংগ্রাম জোরদার হয়। ১৯৮৮ সালে পিএলও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ঘোষণা দেয়। কিন্তু ইসরাইলের রাহুমুক্ত হতে ব্যর্থ হওয়ায় ১৯৮৭ সালে গাজা থেকে প্রথম ‘ইনতিফাদাহ’ বা অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ‘হামাস’ প্রতিষ্ঠিত হয়। তখন থেকেই ‘হামাস’ ফিলিস্তিনিদের মুক্তির জন্য সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলন করে যাচ্ছে। ইসরাইলের নির্যাতন দিন দিন বেড়েই চলছিল। ‘আইডিএফ’ ফিলিস্তিনি বেসামরিক নিরস্ত্র নাগরিক, নারী, শিশুদেরকে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা, অপহরণ, গ্রেফতার, জেল, বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদ ইত্যাদি কর্মকাণ্ডে গাজা এবং পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছিল। ফিলিস্তিনি শিশু-কিশোরদের ইটপাটকেল নিক্ষেপের প্রতি-উত্তরে আইডিএফের সরাসরি গুলি এবং ফিলিস্তিনি রিফিউজি ক্যাম্পগুলোতে বিমান হামলা ইত্যাদি ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। সবশেষে কট্টর ইহুদিরা ফিলিস্তিনিদের প্রাণের স্পন্দন মসজিদুল আকসাকেও কলুষিত করে। সেখানে মুসলমানদের নামাজ, রমজানে তারাবিহর নামাজ আদায়ে বাধা দান, মসজিদে সৈন্যরা প্রবেশ করে নামাজরতদের লাথি মারা এমনকি গুলি করে হত্যা করে মসজিদকে অপবিত্র করে তুলে। এসব অপকর্ম করার সাথে সাথে আইডিএফ অসংখ্য ফিলিস্তিনিকে বিনা বিচারে কারাবন্দী করে রাখে। এভাবে জুলুমের পাহাড় জমা হলে হামাস ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর প্রতিরোধ হামলা চালায় গাজা সীমান্তবর্তী দক্ষিণ ইসরাইলে।
আইডিএফের পাল্টা হামলা : প্রতিক্রিয়ায় বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী আইডিএফ ছোট্ট গাজা উপত্যকাকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে। যুদ্ধ কৌশল হিসেবে তারা গাজায় পোড়ামাটি নীতি অনুসরণ করে। তাদের রণকৌশল ছিল প্রতিটি স্থাপনা ধ্বংস করা এবং প্রতিটি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা— শিশু, নারী, বৃদ্ধ নির্বিশেষে। তাদের আক্রমণের মূল কৌশল ছিল বিমান থেকে বোমা এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। ভূমিতে ছিল বিশ্বের আধুনিকতম ট্যাংক আক্রমণ। এলাকা লক্ষ্যবস্তুগুলোর (এরিয়া টার্গেট) ওপর প্রতিটি আক্রমণে ডজন ডজন নিরপরাধ-নিরস্ত্র মানুষ হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে। এই যুদ্ধে ইসরাইলের উদ্দেশ্য ছিল গাজাবাসীকে হত্যা অথবা উচ্ছেদ করে যত বেশি সম্ভব উপত্যকাটির এলাকা দখল নেয়া।
ইসরাইলি নৃশংসতার চিত্র : সম্প্রতি কারিগরি ত্রুটির কারণে ইসরাইলি মানচিত্র সেবায় সাময়িকভাবে গাজা উপত্যকার হাইরেজ্যুলিউশন উপগ্রহ চিত্র উন্মুক্ত হয়ে পড়েছিল। এতে উত্তর গাজায় পরিচালিত ব্যাপক ধ্বংসলীলার চিত্র ফুটে উঠেছে। ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত আগের আন্তর্জাতিক তদন্তের প্রতিবেদনের তথ্যের সাথে ওই উপগ্রহ চিত্রগুলোর পূর্ণ সামঞ্জস্য রয়েছে। এ যাবৎ গাজায় তিন লাখ ৭১ হাজার ৮৮৮টি বাড়ি ইসরাইলি হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে। এই সংখ্যা উপত্যকার মোট আবাসনের ৭৬.৬ শতাংশ। ফলে গাজাকে পুনর্গঠন করতে ১০ বছরের বেশি সময় ধরে সাত হাজার ১০০ কোটি ডলার খরচ করতে হবে। গাজার ৯০ শতাংশ ভূমি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে, আর ইসরাইলি বাহিনী বর্তমানে ৮০ শতাংশ ভূমি দখল নিয়ে নিয়েছে। তিন বছরের যুদ্ধে পুরো উপত্যকায় দুই লাখ ২৩ হাজার টনের বেশি বোমা ফেলেছে, যা আমেরিকার হিরোশিমায় ফেলা বোমার চেয়ে ১৬ গুণ বেশি ধ্বংসাত্মক। গাজার ৩৮টি হাসপাতাল, ৯৬টি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র এবং ১৯৬টি অ্যাম্বুলেন্সকে লক্ষ্য করে হামলা করা হয়। উপত্যকার শতভাগ স্কুলই হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৮১ শতাংশ চালু করতে বিপুল সংস্কারকাজ প্রয়োজন হবে। এ ছাড়াও ১৭টি উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে ছয় লাখ ১০ সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর শিখনকার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। আর বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ৯০ সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর পড়ালেখা বন্ধ হয়ে আছে। মোট এক হাজার ২৭৫টি মসজিদের মধ্যে এক হাজার ৪৭টি পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়ে গেছে।
এ পর্যন্ত ৭৪ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যার প্রায় ২২ হাজার শিশু এবং ১৩ হাজার জন নারী। আর জন্মের পরপরই যুদ্ধে নিহত শিশুর সংখ্যা প্রায় তিন হাজার। সর্বমোট আহতের সংখ্যা প্রায় এক লাখ ৭৪ হাজার। নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ১০ হাজার গাজাবাসী। সাংবাদিক নিহত হয়েছেন ২৬২ জন, সিভিল ডিফেন্সের কর্মী ১৪৫ জন, পৌরকর্মী ১৯৪ জন, স্বাস্থ্যকর্মী নিহত হয়েছেন এক হাজার ৭০০ এবং পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর দুই হাজার ৮০০ জন নিহত হয়েছেন। এমনকি ২০২৫ সালের অক্টোবরে শান্তিচুক্তির পরেও দেড় হাজার ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে আইডিএফের সন্ত্রাসী সদস্যরা। হিসাবে দেখা যায়, গাজার জনসংখ্যার প্রতি ৩৩ জনে একজন নিহত এবং প্রতি ১৪ জনে একজন আহত হয়েছেন।
এ পর্যন্ত ইসরাইলি বাহিনীর সন্ত্রাসী হামলায় দুই হাজার ২৭৬টি পরিবার সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। এসব পরিবারের মোট সদস্যসংখ্যা ছিল আট হাজার ৮৫৮ জন। আরো দুই হাজার ৩৪৮ পরিবারের একজন ছাড়া বাকি সবাই নিহত হয়েছেন। এদের নিহত সদস্যসংখ্যা আট হাজার ৩৪০ জন। এভাবে বাবা-মা হারানো এতিম শিশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার ৭৩৭ জন। এর মধ্যে ৫২ হাজার ৯৫ জন শুধু বাবা হারিয়েছে এবং শুধু মাকে হারিয়েছে পাঁচ হাজার ৯২৯ জন। আর বাবা-মা উভয়কেই হারিয়েছে দুই হাজার ৭১৩ জন শিশু। (আমার দেশ, ৩১ জুলাই ২০২৬) বর্তমানে গাজায় ছয় কোটি ১০ লাখ টন ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলছে। সেখানে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই ধ্বংসস্তূপের নিচে অন্তত ১৪ হাজার মানুষের লাশ চাপা পড়ে আছে। (নয়া দিগন্ত, ১৫ জুন ২০২৬) যুদ্ধ শুরুর পর এক হাজার দিন অপেক্ষা করে স্বজনরা সম্প্রতি ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে বের করে দুই পরিবারের ১১২ জনের লাশ গণকবরে সমাহিত করেন। এদের মধ্যে ৪০ জন পুরুষ, ৩৭ জন নারী এবং ১০ জন প্রতিবন্ধীসহ তিন শতাধিক মানুষ ছিল। অনেকের ধারণা হয়তো বা ধ্বংসস্তূপের নিচে পড়ে থাকা হাজারো লাশের পরিচয় আর শনাক্ত করা সম্ভব নাও হতে পারে।
ফিলিস্তিনি বন্দী নির্যাতন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বর্তমানে সাড়ে ৯ হাজার ফিলিস্তিনি ইসরাইলি কারাগারে আটক রয়েছেন। তাদের মধ্যে কমপক্ষে ৩৭০ শিশু বন্দী রয়েছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সব বয়সের বন্দীকে কংক্রিটের মেঝে বা লোহার পাতের ওপর বসিয়ে রাখা হয় এবং সামান্য কারণেই রাইফেলের বাঁট দিয়ে মারধর করা হয়। কাউকে চোখ বেঁধে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উপুড় করে শুইয়ে রাখা হয় এবং তার পিঠে লোহার দণ্ড বেঁধে রাখা হয়। সবচেয়ে পৈশাচিক হলো এক হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনির লাশকেও বন্দী করে রাখা হয়েছে। ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা ‘শিনবেথ’ প্রধান ডেভিড জিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে কোনো ইসরাইলি নাগরিক আটক বা নিখোঁজ হলে সম্ভাব্য বন্দিবিনিময়ের জন্য ফিলিস্তিনির লাশ আটকে রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে এই তিন বছরের ইসরাইলি ধ্বংসযজ্ঞে গাজায় ২৮ হাজার ২২৪ জন নারী স্বামী হারিয়ে বিধবা হয়েছেন। আরো অনেক অঘোষিত বিধবা এখনো হিসাবের বাইরে রয়েছেন!
ইসরাইলি বাহিনী তাদের জঘন্য ধ্বংসযজ্ঞ ও হত্যাকাণ্ড আড়াল করার উদ্দেশ্যে একদিকে বিদেশী সাংবাদিকদের নিরাপত্তার অজুহাতে প্রবেশ করতে দেয়নি, অন্যদিকে গাজার শত শত অভ্যন্তরীণ সাংবাদিককে নির্বিচারে হত্যা করেছে। কিন্তু সম্প্রতি ‘নাজা’ নামক একটি প্রামাণ্য চিত্র ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে। এটি তৈরি করেছেন ইসরাইলি সাংবাদিক এবং চিত্রকর ইউভাল আবরাহাম এবং রাশেল সিজর। নাজা হিব্রু সামরিক পরিভাষা, যার অর্থ হামলার সময় বেসামরিক ক্ষয়-ক্ষতির পূর্বাভাস। এতে পরিচয় গোপন করা ২৪ জন গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও সেনাসদস্যের সাক্ষাৎকার রয়েছে। এই তথ্যচিত্রে দেখা যায়, এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে হামাস যোদ্ধাদের শনাক্ত করে রাতে তাদের বাড়ি লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হতো। হামলাকারীরা জানত, এতে সংশ্লিষ্ট পরিবারের শিশু ও নারীসহ সবাই নিহত হবে। এভাবে আবাসন এলাকায় ২৫ শতাংশ বাসিন্দা থাকা সত্ত্বেও পুরো এলাকা ধ্বংস, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ এবং খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রে বেসামরিক হত্যার স্পষ্ট বিবরণ স্থান পেয়েছে তথ্যচিত্রে। এমনকি টার্গেটকৃত একজনকে হত্যার জন্য ৫০০ জনকে হত্যারও অনুমোদন ছিল। এভাবে গাজায় জনসংখ্যার ১০ শতাংশেরও বেশি মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। ফিলিস্তিনি হত্যায় তারা ইতিহাসের জঘন্যতম অভিনব রণকৌশল প্রয়োগ করেছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ত্রাণ বিতরণকে নিষিদ্ধ করে ইসরাইলি সেনারা নিজেরা বিভিন্ন কৌশলগত পয়েন্টে ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র খুলেছিল। সেখানে ক্ষুধার্ত ফিলিস্তিনি নারী-শিশুরা ত্রাণ সংগ্রহ করতে গেলে তাদের ওপর নানান অজুহাত সৃষ্টি করে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে অসংখ্য ক্ষুধার্ত বনি আদমকে। এভাবে তারা দুই হাজার ২৫৬ জন খাবার নিতে আসা ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে।
এত কিছুর পরও ইসরাইলি নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেনগভির সম্প্রতি বলেছেন, ‘ইসরাইলি বাহিনীর উচিত গাজায় প্রতি রাতে ৩০ থেকে ৪০ জনকে হত্যা করা।’ আবার ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটেজ জানান, প্রাণে বেঁচে থাকা ফিলিস্তিনিদের গাজা উপত্যকা থেকে বিতাড়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে ইসরাইল। তিনি বলেন, ‘গাজাকে জনশূন্য করাই একমাত্র সমাধান।’ (আমার দেশ, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
একদিন ইতিহাস প্রশ্ন করবে— এত মানুষকে কিভাবে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে? ফিলিস্তিনিদের হত্যার সময় মুসলিম বিশ্বে কি কোনো নেতা ছিল না, কোনো বুদ্ধিজীবী ছিল না, মানবতাবাদীরা ছিল না? বিশ্বের দুই বিলিয়নের বেশি মুসলমান তখন কী করেছে? পরকালে আল্লাহ আমাদের ফিলিস্তিনি ভাইবোনদের হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে অবশ্যই প্রশ্ন করবেন এবং এর জবাব আমাদের অবশ্যই দিতে হবে।
লেখক : নিরাপত্তা বিশ্লেষক
maksud2648@yahoo.com
_GDN_970x90px_English.gif&w=2048&q=75)








