
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ডাকসুর সাবেক ভিপি আমানউল্লাহ আমান বলেছেন, ফ্যাসিস্ট একবার পালিয়ে গেলে সে আর কখনো ফিরে আসতে পারে না। পলায়নকারী ফ্যাসিস্টের এ দেশে ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই।
মঙ্গলবার কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আসন্ন দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত এক বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: ওমর ফারুকের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার ইরফান ইবনে আমান অমি।
পূজা মণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে আমানউল্লাহ আমান বলেন, প্রতিটি পূজা মণ্ডপে পুলিশ, আনসার ও এসআরবির পাশাপাশি বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা আট ঘণ্টা করে তিনটি শিফটে ২৪ ঘণ্টা পাহারায় থাকবেন। এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাও সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখবে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের স্পষ্ট নীতি হলো—‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’ এবং ‘নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার’। হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান—আমরা যে যেখানেই থাকি না কেন, প্রত্যেকে সমানভাবে নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার রাখি। কারো অধিকার যেন কোনোভাবে খর্ব না হয়, সে ব্যাপারে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’
সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার বিষয়ে তিনি বলেন, ফ্যাসিস্টদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন জায়গায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দেশকে অস্থির করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। কিন্তু এ দেশের শান্তিকামী জনগণ তা ব্যর্থ করে দিয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনেরা নির্ভয়ে ও নিশ্চিন্তে তাদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করবেন।
মণ্ডপগুলোর নিরাপত্তার স্বার্থে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন প্রসঙ্গে আমানউল্লাহ আমান বলেন, যেসব মণ্ডপে সিসিটিভি নেই, সেখানে উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একইসাথে তিনি স্থানীয় সাংবাদিক সমাজকেও পূজা চলাকালীন মণ্ডপগুলো পরিদর্শন ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান।
সভায় পুলিশ ও আনসার বাহিনীর কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রশাসন, পূজা উদযাপন পরিষদের নেতা এবং বিভিন্ন পূজা মণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র : বাসস
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








