ফটিকছড়িতে ২৪ কোটি টাকার সেতু নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নারায়ণহাট-মিরসরাই সড়কে তিনটি সেতু নির্মাণকাজে অনিয়ম ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তদারকির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতিতে নির্ধারিত মান না মেনে কাজ চলছে।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নারায়ণহাট বাজারসংলগ্ন দুটি এবং করিমপুর এলাকায় একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। দুটি সেতুর দৈর্ঘ্য ৩১ মিটার করে এবং অপরটির দৈর্ঘ্য ৩০ মিটার। সবগুলোর প্রস্থ ৭ দশমিক ৩ মিটার। ২৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা চুক্তিমূল্যে কাজটি পেয়েছে মেসার্স সেলিম অ্যান্ড ব্রাদার্স। গত বছরের ডিসেম্বরে কাজ শুরু হয়। ২০২৭ সালের জুনে কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
সম্প্রতি সরেজমিন দেখা যায়, সেতুগুলোর পাইল নির্মাণের কাজ চলছে। অভিযোগ রয়েছে, ঢালাইয়ের কাজে নির্ধারিত মানের সিলেটি বালুর পরিবর্তে মাটিযুক্ত স্থানীয় বালু ব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি নিম্নমানের রড ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে। স্থানীয়দের আরো অভিযোগ, পাইলিং ও ঢালাইয়ের কিছু কাজ রাতেও করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ মিজান বলেন, নি¤œমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হলে সেতুগুলোর স্থায়িত্ব নিয়ে শঙ্কা তৈরি হবে।
ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবসার উদ্দিন বলেন, কাগজে মানসম্মত কাজের নির্দেশনা থাকলেও বাস্তবে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী সৌভন আতিক বলেন, সিলেটি বালু সরবরাহে দেরি হওয়ায় কিছু েেত্র স্থানীয় বালু ব্যবহার করা হয়েছে। মেশিনে ত্রুটির কারণে দিনের কাজ শেষ করতে গিয়ে রাত হয়ে যায়।
সওজের সীতাকুণ্ড কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী দীপন চাকমা বলেন, নিম্নমানের বালু ব্যবহারের তথ্য পাওয়ার পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করা হয়েছে। বিষয়টি তদারকি করা হচ্ছে।