
মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যেও তেহরান আলোচনার পথ খোলা রেখেছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের এই সংকেতকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন কাতার ভিত্তিক জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিষয়ের অধ্যাপক মেহরান কামরাভা। আল জাজিরা (২৭ অক্টোবর) জানায়, এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মতামত তুলে ধরেন।
মেহরান কামরাভা আল জাজিরাকে বলেন, 'চারপাশে এখন জোর কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে। এর মধ্যেই পেজেশকিয়ানের বার্তা স্পষ্ট করে দিল—ইরান আলোচনার টেবিলে বসতে এখনো পুরোপুরি তৈরি।'
কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার
উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে গত সোমবার ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা বৈঠক করেছেন সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সাথে। একই উদ্দেশ্যে গত সপ্তাহে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ তেহরান সফর করেন। এছাড়া কাতারের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলও সম্প্রতি ইরান ঘুরে গেছে।
সফলতার পথে মূল বাধা
তবে মধ্যস্থতাকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে এখনই কিছু পদক্ষেপ নেয়া দরকার বলে মনে করেন মেহরান কামরাভা। তার মতে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়া, এই জলসীমায় জাহাজে ইরানের ক্রমাগত বাধা দেওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের বন্দর অবরুদ্ধ করে রাখা—এসবই আলোচনার মূল তাৎক্ষণিক প্রতিবন্ধকতা।
তিনি বলেন, তেহরান ও ওয়াশিংটনের যাবতীয় দ্বিমত আসলে এক জায়গায় এসে আটকে আছে। তা হলো—কোন পক্ষ আগে নিষেধাজ্ঞা তুলবে বা আলোচনার উদ্যোগটা কার পক্ষ থেকে আগে আসবে। অধ্যাপক কামরাভার মতে, এর মধ্যে যেকোনো একটি বিষয়ে অগ্রগতি হলেও তা বিদ্যমান সংঘাত সমাধানের পথ অনেকটাই সহজ করে দেবে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








